আমি এই পোষ্টটি প্রথম আলো ব্লগে গত রাত নয়টায় দিয়েছিলাম।সকালে দেখলাম আমার পোষ্টটি মুছে দেওয়া হয়েছে।এর পর আমি আবার দিলাম।কয়েক ঘন্টা অপেক্ষ্যমান রেখে দেখলাম পোষ্টটি ড্রাফ্ট করে রেছে।আমি আবার দিলাম।আবারও কয়েক ঘন্টা পর দেখলাম পোষ্টটি ড্রাফট করে রেখেছে। তবে কি এটি জামাতি ব্লগারদের নির্দেশনায় প্রথম আলো ব্লগ চলছে!
আমার পোষ্টটি ছিলঃ
রাজিব তোমার কাছে খোলা চিঠি,
দ্যা ইসলামিক রিপাবলিক অব বাংলাদেশে রাজিব তোমার জায়গা হয় নাই।তোমার স্থান হয়েছে চাপাতির নিচে,কিন্তু তুমি রবে আমাদের হৃদয়ে বীর যোদ্ধা হয়ে এই গণতান্ত্রিক বাংলার মাটিতে।রাজিব আমাদের তুমি ক্ষমা করো।আমরা পারিনি অপশক্তিকে রুখতে।এ ব্যর্থতা আমার,আমাদের,আমাদের রাষ্ট্রের,আমাদের প্রশাসনের।
ব্লগার রাজিব,ব্লগার আসিফ দুজনকেই যারা নিহত এবং আহত করেছে তারা তাদের রক্তে বয়ে চলছে পাকু বীর্যের ডি,এন,এ বংশ পরমপরায়।তাদের বিরুদ্ধে কথা বললে তাদের রাজাকার বললে , অসভ্য পুরাণের বিরুদ্ধে , নারীর অধিকার নিয়ে কিছু বললেই তারা তেড়ে আসে লাল জিহ্বা বের করে ছাল তোলা নেড়ীকুত্তার মত আমাদের দিকে।
কিন্তু তারা কোথায় থাকে দেশের তথাকথিত শিশুপার্কগুলোতে যখন শিশুদের বিনোদনের নামে যুবকদের সহবত চলে হরদমে! শিশুদের দোলনাগুলো যখন ভরে থাকে কনডমের পরিত্যাক্ত প্যাকেটে।ইট পাথর আর সিমেন্টের বেঞ্চি গুলোতে বিশটাকা দিয়ে টিকিট কেটে যখন তরুন তরুনীরা বসে বসে বীর্যপাত করে যৌনতার নানা কৌশল জনসন্মুখে অবলম্বন করে।কোথায় থাকে তখন রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সাটানো দেশ দ্যা রিপাবলিক অব বাংলাদেশ এর পুলিশ বাহিনী? একদিকে শিশুপার্কের বেঞ্চি,দোলনা,ঘুপচি ঘাপচি তে চলে নগ্ন যৌনতার ছড়াছড়ি অন্যদিকে ইসলামিক রিপাবলিকদেশের পুলিশ বাহিনী পার্কের প্রবেশ মুখে বসে বিড়ি টানে হরদমে। আর একদল টুপি পরে দাড়ি মুখে এসে ওয়াজ মাহফিলের চাদা চায়। হায় কি সেলুকাস দেশ কি সেলুকাস নাটক! বেশ্যাখানায় ওয়াজের চাদা!!!!
কোথায় থাকে তখন এদেশের ধর্মীয় অনুভুতি! সংবিধানের বুকের উপর তো রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম এর লোগো সাটানো।
রাজিব এই দেশে প্রাণ নিয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচার অধিকার তোমার আমার আমাদের নাই।রাষ্ট্র লোক দেখানো শোক প্রকাশ করতে তোমার বাড়ি আমার বাড়ি আসবে কিন্তু ততক্ষণে তুমি আমি অনেক দুরে চলে যাব অনিয়মের এই নিয়মের দেশ থেকে মাটি থেকে দূরের কোন ঠিকানায় যেখান থেকে আর ফিরা যায়না। এই দেশ থেকে জামাত শিবির রাজাকার এদের স্বমূলে কেউ উৎখাত করবেনা।কেউ করবেনা।শুধু ভোটের পাল্লা ভারি করতে আঙ্গুল উচিয়ে বড় বড় কথা বলবে।আর কেউ তাদের জামাই আদর দিয়ে মন্ত্রনালয়ের মসনদে বসাবে। এই দেশে শতকরা ৬০ ভাগ ঘরের কলবেলে এই ভাষা আন্দলোনের মাসেও বেজে ওঠে “মেহের বানীহে দরজা খুলিয়ে” ।
শাহবাগের মাটি কাপাতে রাজাকারের ফাঁসির দাবিতে তোমাকে আমাকে আমাদেরকেই আসতে হবে।কিন্তু কেউ আমাদের নিরাপত্ত্বা দিবেনা।আমরা যে তাদের বিরুদ্ধে,অসভ্যতার বিরুদ্ধে বলে ফেলি নির্ভয়ে।রাজিব তুমি ঘুমিয়ে থাক নিশ্চিন্তে।আমরা আছি ,আমি আছি ।অসভ্য আর অসভ্যতার বিরুদ্ধে আমরা বলেই যাব।
জামাত শিবির নামক ধর্মের মুখোশধারী বেশ্যাদের থেকে এই দেশকে মুক্ত করতে যদি আর একটি লাশের প্রয়োজন হয় তবে সেই লাশটি এই আমি হতে চাই।তবু রাজাকার,জামাত-শিবির মুক্ত বাংলাদেশ চাই।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ বিকাল ৫:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


