somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কোন অন্ধকার অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে দেশ

২২ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৪:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



নাহ, আইনের শাসন নেই! চারিদিকে হত্যা ধর্ষণসহ বিভিন্ন জঘণ্য অপরাধ ভয়াবহভাবে বেড়ে গেছে। যে কোনও সমাজ রাষ্ট্র জাতির জন্যই অশনি সংকেত। কোথায় যাচ্ছি আমরা? কোন অন্ধকার অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে দেশ? পুলিশের ভয়, আইনের শাসন সম্পূর্ণরূপে উঠে গেছে। স্কুল ছাত্ররাও আজ এক পয়সা দাম দেয় না পুলিশকে। এভাবে কোনও দেশ চলতে পারে না। এর জন্য সম্পূর্ণ দায়ী জল্লাদ, খুনি, নরপশু ইউনুস। মব কালচারকে প্রশ্রয় দিয়ে দিয়ে বারোটা বাজিয়ে দিয়ে গেছে দেশের। একশন তো দূর, উল্টো সুগার কোটিং করে প্রেসার গ্রুপ নাম দিয়ে প্রকারান্তরে উৎসাহ দিয়েছে বারবার। বাংলাদেশের ওপর বোধহয় গত জন্মের দুশমনির প্রতিশোধ নিয়েছে ইউনুস। একদম ধ্বংস করে দিয়েছে। ইউনুস যেন পালাতে না পারে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখলেই পালাবে। ওকে কোনওরকমেই পালাতে দেয়া যাবে না। ওর বিচার হতেই হবে দেশের মাটিতে। ক্ষমা নেই। একটা স্বাধীন সার্বভৌম অগ্রসরমান সুখী দেশকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিলো! শাস্তি পেতেই হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে শিশু রামিসার ঘটনা অত্যন্ত মর্মভেদী। এসব আসলে দেখা যায় না, শোনা যায় না; এতোটাই বীভৎস, পাশবিক, নির্মম। হরহামেশাই ঘটছে। মাদ্রাসাগুলোতে ধর্মীয় শিক্ষার আড়ালে শিশু বলাৎকার বহু আগে থেকে চলে আসছে। এগুলো বরাবরই লোকলজ্জার ভয়ে, ধর্মীয় ভাবাবেগের কারণে ধামাচাপা দেয়া হতো। কিন্তু ইদানীং এতোটাই বেড়ে গেছে যে, নিত্যই প্রকাশ্যে আসছে। তাছাড়া এখন অপরাধীদের সাহসও বেড়ে গেছে বহুগুণ। এরা বলাৎকার করেই ক্ষান্ত হচ্ছে না, কোনওরকম বাধার মুখে পড়লে বা প্রকাশের ভয় থাকলেই নৃশংসভাবে হত্যা করে বসছে। এসব জঘন্য অপরাধ আগের যে কোনও সময়ের থেকে এখন অনেক বেশি হচ্ছে। বহু খবর জনসম্মুখে আসছে না, আসতে দেয়া হচ্ছে না।

সবমিলিয়ে নানান সমস্যায় জর্জরিত দেশ। অর্থনীতি বেহাল। বিনিয়োগ নেই। অভাব, দারিদ্রতা জেঁকে বসছে। উন্নয়ন উন্নতি সুশাসন সুদূর পরাহত। জান নিয়েই টানাটানি! অথচ সরকার পড়ে আছে কার্ড বিতরণ, খাল খননের মতো ছোটোখাটো কাজ নিয়ে। এরা কি উদ্ধার করবে দেশ বোঝা হয়ে গেছে। আমার কথা লিখে রাখেন, সামনে এমন দূর্দশা হবে যে জনগণ মাঠে নেমে কলার ধরে টেনেহিঁচড়ে ক্ষমতাচ্যুত করবে। এভাবে পাঁচ বছর থাকতে পারবে না। করোনাসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক সংকট শেখ হাসিনা যেভাবে মোকাবেলা করেছে, তা অতুলনীয়। সবখানে আলোচনা, শেখ হাসিনার শাসনামলে একদিনের জন্য এতো দুরাবস্থা ছিলো না। সুখেদুখে খেয়েপরে মোটের ওপর ভালো ছিলাম। আইনের শাসন ছিলো, বিচার ছিলো। মাঝরাতেও কাজ শেষে নিরাপদে ফেরা যেতো।

মানুষ আজ ফুঁসছে। যে কোনও সময় বিস্ফোরণ হবে। আমেরিকার পেট্রো ডলারের জোরে নাজুক বয়সের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা যায়। কিন্তু ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে হলে কাজ করতে হয়, পারফরম্যান্স দেখাতে হয়। নাহলে কোনও ষড়যন্ত্র, কোনও পেট্রো ডলারেই কিছু হবে না, জনরোষে পালাতে হবে। পরিস্থিতি ঘুরে যাচ্ছে ক্রমশ। পরিস্থিতি সেদিকেই যাচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে মে, ২০২৬ রাত ৯:২০
৬টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেবদাস, কালজয়ী উপন্যাস এবং চিত্রনাট্যের পটভূমি

লিখেছেন মেহবুবা, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:২৮


প্রথম ১৯২৮ সনে নির্বাক "দেবদাস" মুক্তি পায় ফনী বর্মা এবং তারকবালা অভিনীত ছিল সেটি। এরপর প্রমথেশ বড়ুয়া এবং যমুনা বড়ুয়া অভিনীত সবাক দেবদাস মুক্তি পায় ১৯৩৫ সনে। তারপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩




যে হৃদয় বিলিয়ে দেয়, বিশ্ব চরাচরে
শান্ত গৌরবে, সেই আত্মারা কোথায় বেঁচে রয়।
দয়ার প্রতিটি বীজ সর্ন্তপণে বপন করা হয়,
সপ্তাকাশে উজ্জ্বল ফসল তবে অবধারিত রয়।

সাত আকাশের চরাচরে , ছায়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি...

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



"দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন"- হলো একটি সনাতন নীতি, যার অর্থ খারাপ বা অন্যায়কারীকে শাস্তি দেওয়া এবং ভালো বা সৎ মানুষকে রক্ষা করা। এটি মূলত সমাজে শান্তি ও ন্যায়বিচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কারো নামে মিথ্যা অপবাদ কাম্য নয় তবে ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩৯


ঘটনাটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের এবং তার সঙ্গে থাকা এক সাংবাদিক বন্ধুকে ঘিরে। পরিবাগ ওভারব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ট্রান্সজেন্ডার বা হিজড়া জনগোষ্ঠীর কয়েকজনের সঙ্গে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কী-বোর্ড কাহিনী: ডেল কেবি২১৬

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ২৯ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:০০


আমি ১৯৯৬ সাল থেকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কী-বোর্ড ব্যবহার করছি। দেশে থাকতে কী-বোর্ড তেমন প্রয়োজন পড়েনি। মাঝে মধ্যে কেনা হতো। একবার বাংলা লিখার জন্য "বিজয়" সফটওয়্যারের প্রলোভনে, বিজয় এর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×