কবিদের জীবন.........................নতুন কী পুরাতন
মহাকালের নিষিদ্ধ অভিশাপে...........পৃথিবীর শুরু থেকে
প্রতিশ্রুত শেষে..........................আজ ও জ্বলছে আত্মপরিহাসে।
প্রিয়ার চোখের জল.................তার মায়াবী আঁখিযুগল
তাহাতে বাসা বাঁধা.................কবেকার জমানো কার নিরবতা।
বাতাসে মদির গন্ধ.................যার দুইচোখ আমারে করেছে অন্ধ
সেই আঁখিপটে.................... তাকাইনি কত রাতে।
এই রাত সেই রাত................করে কত বর্ষ
সেই হাতে হাত রাখার............ কী গভীর আলস্য।
এভাবে কবিজন...............একাকী কি করে?কিসের আয়োজন
বহুদুরে ধ্যানে..................ভাষাহীন ক্রন্দনে
লিখেছে একাকি বসি...........তাহারে ভালবাসি।
কোন এক কাব্য মহান.........কবির যাতনায় হচ্ছে নির্মাণ
বিরহ বেহানায়.................. প্রিয়া দূর কামরায়
গুনিছে প্রতীক্ষা প্রহর............নিষ্ঠুর কবি বলে কবিতায় তোমায় করেছি অমর।
অমরত্ব চায়নি সে
চেয়েছিল মরতে শুধু কবিটিরে ভালবেসে।
চায়নি বিরহ জ্বালায় লেখা অলসদের মহাকাব্য,
চায়নি একাকীত্বের সাফল্যে আসা হাজারো সবল বাক্য
সাধারণ আমি'র সাধারণ কিছু সময়
সাধারন কিছু কথা, কোন কাব্য নয়।
এতটুকু ছিল চাওয়া
এতটুকুই ছিল জ়ীবনের শেষ অনুনয়।
[জ়ীবনের হঠ্যাৎ পাওয়া কষ্টগুলো আবার আরেকটি কবিতায় রূপ নিল .........
-তাহমিদ সৈয়দ আবতাহী
৭.৫.১০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


