

উপগ্রহের কক্ষপ্তহ সম্পূর্ন গোলাকার হবে কি ডিম্বাকার হবে তা নির্ভর করে এর উৎক্ষেপন পদ্ধতি এবং গতিবেগের উপর।এর কক্ষপথ অন্য রকম ও হতে পারে,তবে বাহুল্য বোধে এখানে অন্য কোন রকম কক্ষপথ সর্ম্পকে আলোচনা করা হবে না।আমরা জানি কোন জিনিসকে উপরের দিকে উঠাতে গেলে,শক্তির দরকার।যে শক্তি ব্যায় করে জিনিসটাকে উপরে উঠানো হবে সে শক্তির প্রায় সবটুকুই স্থৈতিক শক্তি (Potential energy) রুপে এর মধ্যে জমা হয়ে থাকবে।

যে জিনিসটা স্থির রয়েছে তাকে গতিশীল করতে গেলেও শক্তির দরকার।যে শক্তি ব্যায় করে গতির সঞ্চার করা হয় সেটা গতীয় শক্তি (Kinetic energy) রুপে এতে প্রকাশ পায়।উপগ্রহ মহাশূন্যে গতিশীল এমন একটি জিনিস।সুতারাং এর মধ্যে রয়েছে স্থৈতিক শক্তি এবং গতীয় শক্তি।যে রকেট এটাকে উপরে উঠিয়ে গতিশীল করেছে তার জ্জালানী থেকেই ঐ শক্তি পাওয়া গিয়েছিল।উপগ্রহের মোট শক্তির পরিমান হলো এর স্থৈতিক এবং গতীয় শক্তির সমস্টি।

মোট শক্তির কত অশং গতীয় এবং কতটুকু স্থৈতিক তার উপর নির্ভর করবে এর কক্ষপথের আকৄতি।গানিতিক হিসাবে এটা সহজেই প্রমান করা যায়।গতীয় শক্তি যদি স্থৈতিক শক্তির চেয়ে কম হয় তাহলে এর কক্ষপথ হয় বৄত্তাকার নয় উপবৄত্তাকার হবে।অর্থাৎ এর পথ গোলাকার ও হতে পারে আবার ডিম্বাকার ও হতে পারে।গতীয় শক্তি যদি স্থৈতিক শক্তির সমান হয় তাহলে এর কক্ষপথ হবে অধিবৄত্তের মত।

গতীয় শক্তি যদি স্থৈতিক শক্তির সমান হয়,তাহলে এর কক্ষপথ হবে অধিবৄত্তের মত।গতীয় শক্তি যদি স্থৈতিক শক্তির চেয়ে বেশী হয়তাহলে এর কক্ষপথ হবে পরাবৄত্তের মত।উৎখেপনের বেলায় প্রত্যেক ক্ষেত্রেই উপগ্রহটাকে রকেটের সাহায্যে পৄথিবীর কেন্দ্র থেকে ইচ্ছামত দূরত্তে নিয়ে যেতে হবে।

তারপর একে ভূ-পৄস্টের সমান্তরাল ভাবে গতিবেগে ছুটতে দিলেই এর গতি পথ নির্দস্ট হয়ে যাবে।হিসাব করে দেখা যায় যে ভূ-পৄস্ট থেকে 1,000 মাইল উচুতে বৄত্তাকার কক্ষপথে উপগ্রকে ভ্রমন করতে হলে ঘন্টায় প্রায় 18,000 মাইল গতিবেগের প্রয়োজন।আরো দূরে গেলে প্রয়োজনীয় গতিবেক কমে যাবে।



চাঁদ পৄথিবীর কেন্দ্র থেকে প্রায় 240,000 মাইল দূরে।তাই এর গতিবেগ অনেক কম হওয়া সত্তেও(ঘন্টায় 2,300 মাইল),এটা পৄথবীর উপগ্রহরুপে কোটি কোটি বছর ধরে পৄথিবীকে কেন্দ্র করে পৄথিবীকে প্রদক্ষিন করে চলছে।




অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



