somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গ্রহন (প্রথম পর্ব)।

১৪ ই আগস্ট, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :





পৄথিবী থেকে দু-রকম গ্রহন দেখা যায়-সূর্য গ্রহন ও চঁন্দ্রগ্রহন।সূর্যগ্রহন ঘটে যখন চাঁদ পৄথিবীকে প্রদক্ষিন করতে করতে সূর্য ও পৄথিবীর মাঝখানে এসে পড়ে,আর পূর্ন সূর্য গ্রহন ঘটে যখন চাঁদের ছায়া সর্ম্পূন ঢেকে ফেলে সূর্যকে।আর আংশিক সূর্যগ্রহন ঘটে যদি চাঁদ কেন্দ্র থেকে একটু সরে সূর্যের অংশ বিশেষ ঢাঁকে।



চাঁদের থেকে অনেক বড় সূর্য কিন্তু পৄথিবীকে থেকে তাদের কৌনিক উভয়েরই সমান প্রায় 0.5 ডিগ্রী,তাই চাঁদের ছায়া ঠিকঠাক আবৄত করে সূর্যকে।তবে চাঁদ যদি তার কক্ষপথের দূরতম স্থানে থাকে,তখন তার



কৌনিক আকার ছোট হয়,বলে সূর্যকে পুরোপুরি আবৄত করতে পারে না।এর ফলে যে-সূর্য গ্রহন হয়;তাকে বলে বলয়গ্রাস গ্রহন;এই গ্রহনে চাঁদের ছায়া ঘিরে দেখা যায়,আলোর একটি চক্র।




সূর্য গ্রহন ঘটে নতুন চাঁদে অর্থ্যা অমাবস্যায়,আর চঁন্দ্রগ্রহন ঘটে তখন যখন চাঁদ পৄথিবীকে প্রদক্ষিন করতে করতে পৌছে সূর্য থেকে পৄথিবীর সম্পূর্ন বিপরীত ধারে।তাই চঁন্দ্রগ্রহন হয় সব সময় পূর্নিমায়।আর পৄথিবীর ছায়া পেরোতে চাঁদের লাগে কয়েক ঘন্টা।চাঁদ ঘোরে পৄথিবী ঘোরে তাহলে প্রতি মাসে কেনো সূর্যগ্রহন,চঁন্দ্রগ্রহন হয় না?স্থির তারাদের পটভূমিতে চাঁন্দ্রপথ ও সূর্যপথ কিছুটা ভিন্ন,চাঁন্দ্রপথ সূর্যপথের ওপর 5 ডিগ্রী কোন তৈরী করে হেলে থাকে।



শুধু দু-জায়গায় সূর্যপথ ও চাঁন্দ্রপথ ছেদ করে পরস্পরকে;ওখানেই শুধু চাঁদ ও সূর্য এতোটা কাছাকাছি দিয়ে যায় যে ঘটতে পারে চঁন্দ্র ও সূর্যগ্রহন।এই দুটি পথের ছেদ বিন্দুকে বলা হয় পাত বা নোড।চাঁদ ও সূর্যের প্রত্যেকের কৌনিক ব্যাস 0.5 ডিগ্রী;তাই সূর্যকে ঢাকতে হলে চাঁদ ও সূর্যকে আসতে হয় একে অন্যের 0.5 ডিগ্রীর মধ্যে।





চাঁদ পৄথিবী থেকে যতটা দূরে আছে তাতে তার ছায়া কোন রকমে এসে পৌছে পৄথিবীতে,সূর্যগ্রহনের সময় পৄথিবীতে চাঁদের সর্বোচ্চ প্রস্থ হয় প্রায় 300 কিঃমিঃ।পৄথিবীতে শুধু ওই ছায়ার এলাকার মধ্যে পড়ে তারাই দেখতে পায় পূর্ন সূর্যগ্রহন,অন্যরা দেখতে পায় আংশিক গ্রহন।







কাজেই গ্রহনের জন্য চাঁদকে অবশ্যই থাকতে হবে একটি পাতের কাছে,তারপরও গ্রহন নাও ঘটতে পারে।শুধু তখনই গ্রহন ঘটে যখন ওই পাত বা ছেদবিন্দু দুটির রেখা থাকে সূর্যের সোজাসুজি।


চলবে..................
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×