somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গ্রহন (শেষ পর্ব)।

১৯ শে আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কখন সূর্যপথ আর চঁন্দ্রপথের ছেদবিন্দুর রেখা থাকে সূর্যের সোজাসুজি?যদি চাঁদের কক্ষের উপর বাইরের শক্তি কাজ না করতো,তাহলে বছরে দু-বার ছেদ বিন্দুর রেখা সূর্যের সোজাসুজি হতো আর গ্রহন ঘটতে পারতো।তবে তারার পটভূমিতে চাঁদের পথ স্থির নয়,নানা শক্তির চাপে চাঁদের পথ বিচলিত হয়।এর ফলে চাঁদের কক্ষপথে ঘটে ছেদ বিন্দুর অভিমুখ বদল।তারাদের পটভূমিতে ছেদ বিন্দুর পংন্তি বা রেখা ধীরে ধীরে ঘোরে এবং একবার ঘুরতে সময় নেয় 18.61 বছর ।
তাই গ্রহন ঘটার একসাথে কাজ করে কয়েকটি ব্যাপার।সূর্যকে ঘিরে 29.5 দিনে একবার চাঁদের পরিক্রমা,পৄথিবীর 1 বছরের বার্ষিক গতি ও 18.61 বছরে চাঁদের একবার সম্পূর্ন অভিমুখ বদল,এসব একসাথে মিলে নিয়ন্ত্রন করে গ্রহন,বেশ জটিল ব্যাপার।চাঁদ 29.5 দিনে (মাস)একবার সূর্যের অভিমুখের সবচেয়ে নিকট দিয়ে যায়,আর সূর্যপথ ও চঁন্দ্রপথের ছেদবিন্দু সূর্যের সাথে একই রেখায় বা পংন্তিতে আসে 346.6 দিনে (গ্রহন বছর) একবার।চন্দ্র বা সূর্যগ্রহন ঘটতে পারে,যদি এ-দুটি সময় চক্র পস্পরের সাথে মেলে।এ মিলন ঘটে কখন কখন?এ দুটি চক্রের মিলন ঘটে 6585 দিনে বা 18 বছর 11 দিনে একবা,এ সময়টিকে বলা হয় সারোস চক্র।
প্রাচীন জ্যোতির্বিদরা আবিস্কার করেন যে যদি কোন বছর চঁন্দ্রগ্রহন ও সূর্যগ্রহন হয় তবে আবার ওই পস্পপরায় গ্রহন ঘটবে এক সারোস পর।যেহেতু চাঁদের ছায়া ছোট,তাই পৄথিবীর অল্প এলাকা থেকেই শুধু দেখা যায় সূর্যগ্রহন।আর যেহেতু পৄথিবীর ছায়া বড়ো এবং চাঁদ দেখা যেতে পারে সম্পূর্ন রাত্রির গোলার্ধ থেকে তাই পৄথিবীর অর্ধেক থেকে দেখা যায় প্রতিটি চঁন্দ্রগ্রহন,এই গ্রহন দেখতে পায় অধিকাংশ মানূষ।তাই প্রাচীন জ্যোতির্বিদদের পক্ষে চঁন্দ্রগ্রহন সম্পর্কে আগে ভাগে বলে দেয়াটা কিছুটা সহজ হত।বর্তমানে আধুনিক জ্যোতির্বিদরা সব গ্রহন নিভূর্ল এবং যথাযথ ভাবে আগে থেকেই নির্দেশ করতে পারেন,কারন তাদের হাতে আছে অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি,আর তারা চক্রের বদলে ব্যাবহার করেন কম্পিউটার ও কক্ষপথতত্ত।



৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কোথায় পাই পাগলের শ্বশুর

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮


পাগলের পাতা ছাগলে খায়,
দাঁতের দোষটা হাতেই যে কয়;
দেয় রে দোষটা দেয় চোখের,
মনটা যে ধোয়া তুলসীপাতা,
কেউ দেখে না রে মুখের।

মুখের কথা ঠোঁটে কয়,
ছাগল ডাকে রে ভাই, ব্যাঁ-ব্যাঁ;
পাগলের কাজ পাগল করে সই,
সাধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরিস্থিতি কি জটিল?

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৯

বাইরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে বসে আছি, অথচ বাইরে পুলিশের সাউন্ড গ্রেনেড আর টিয়ার গ্যাসের শব্দে চারদিক প্রকম্পিত! মিরপুরে আমার বাসার কাছেই মেট্রো রেলের নিচে আগুন দেওয়া হয়েছে; কিছুক্ষণের জন্য মেট্রো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০৩

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৯



খাওয়া দাওয়া করাটা আজকাল বিরক্তকর লাগে।
কিন্তু মানুষের বেঁচে থাকতে হলে- খেতে হবে। না খেলে শরীর দুর্বল হয়ে যাবে। প্রিয় খাবার গুলোও খেতে ইচ্ছা করে না। ভালো লাগে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজ আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচন কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৬


এই লেখাটি যখন লিখছি, তখন এই গুজবটি ছড়িয়ে পড়েছে যে, ইসরায়েল ট্রাম্পকে রাজি করিয়েছে, যাতে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপরই আমেরিকা ইরানে পারমাণবিক বোমা হামলা করে। বিগত বছরগুলোতে ইসরাইল সারা বিশ্বের... ...বাকিটুকু পড়ুন

Haze দমনে সিঙ্গাপুরের কুটনৈতিক দক্ষতা

লিখেছেন ঢাবিয়ান, ০৩ রা নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৪:৩১

সিঙ্গাপুর সাম্প্রতিককালে স্মরনকালের ভয়াবহ Haze (ধোঁয়াশা ও বায়ুদূষণ) এর কবলে পড়ে। সেপ্টেম্বরের শুরুতেই সারা শহর ঘন ধোয়ার আবরনে ঢেকে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকালে মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×