
আমরা জানি মহাবিশ্ব বিশাল;বিশাল,অনন্ত,অসীম আর বিশাল বিস্ফোরনের মধ্যে দিয়েই (Big Bang) সৃস্টি এই মহাবিশ্ব।এই ধারাবাহিকতায় বিঞ্জানীদের মনে দানা বাধঁছিল কত বড় এই মহাবিশ্ব?কোথায় এর সীমা,এটি কি অন্তহীন? আর এই মহাবিশ্ব কি চিরকালই এমনিভাবে বিদ্যামান থাকবে?বস্তত এই প্রশ্নগুলো যে গুরুত্বপূর্ন বিষয় ঘিরে আবর্তিত হচ্ছে তার কেন্দ্রে আছে প্রসারমান বিশ্বের ধারনা (Expanding Universe)।


মহাবিশ্ব প্রসারমান না বদ্ধ তার ধারনা পাওয়া যায়,আইনস্টাইনের সাধারন আপেক্ষিক তত্বে।তার মতে মহাবিশ্ব ছিল বদ্ধ।তবে তার ওই বদ্ধ মহাবিশ্ব কাঠামো প্রস্তাবের কয়েক বছরের মধ্যেই বিঞ্জানীরা আবিস্কার করেন যে সম্প্রসারিত হচ্ছে মহাবিশ্ব।এটা ধরা পড়ে যখন তারা গ্যালাক্সির বেগ ও দূরত্ব নিয়ে গবেষনা শুরু করেন।


1912 সালে ডেষ্টো এম স্নিফার (1875-1969) আবিস্কার করেন যে,আমাদের ছায়াপথ (আকাশ গঙ্গা)এর পাশ্ববর্তী ছায়াপথ আ্যন্ড্রোমিডা-(M-31)নক্ষত্রপুঞ্জটি আমাদের দিকে সেকেন্ডে 170 মাইল বেগে আমাদের ছায়াপথের দিকে ছুটে আসছে।


1928 সালের মধ্যে স্নিফার হিসেব করেন 40 টিরও বেশী নক্ষত্রপুঞ্জের বেগ এবং দেখেন অধিকাংশ নক্ষত্রপুঞ্জই দূরে চলে যাচ্ছে।আমাদের মিল্কিওয়ে ছায়াপথ থেকে।এর পর 1929 সালে ্বিখ্যাত জ্যোতির্বিদ এডুইন পি হাবল (1889-1953) মাউন্ট উইলসন মানমন্দিরের বিখ্যাত 100 ইঞ্চি ব্যাসের হুপার দুরবীন দিয়ে দূরবর্তী ছায়াপথ গুলোকে পরিক্ষা করে দেখতে পান যে,এরা সকলেই একে অপরের থেকে ক্রমশ দূরে সরে যাচ্ছে।


তিনি তখন কয়েকটি বহিঃস্থ ছায়াপথের দূরত্ব নির্নয় করলেন এর আগে স্নিফার ছায়াপথ বর্নালির কম্পাউন্ড সরন নির্ধারন করেছিলেন।হাবল এই তথ্য ব্যাবহার করে রক্তিম সরন (Red Shift) Z এবং দূরত্ব D এর মধ্যে হিসেব করে একটা সর্ম্পক নির্ধারন করলেন।


এই রক্তিম সরনকে সাধারন ডপলার শিফট হিসাবে দেখা যায়,কেননা বহিঃস্থ ছায়াপথগুলো আমাদের ছায়াপথের সাপেক্ষে অবরিত দূরে সরে যায়।এই অপসারন মান স্নিফার পেয়েছিলেন Z=0.006,তাই তিনি ডপলার সরনের একটা অনাপেক্ষিক সুত্র লিখলেন তিনি।V=H.d যেখানে V হলো ছায়াপথ অপসারনের গতিবেগ এবং H একটি ধ্রুবক।
ছবি গুগল.................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




