somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডক্টরস কেন্টিন

০৩ রা জুন, ২০০৬ সকাল ১০:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




গতকাল রাতে মুগ ডাল রান্না করছিলাম। অনেক আগের একটা কথা মনে পড়লো। সেকেন্ড ইয়ারের শেষের দিকে অনেকদিন ফজলে রাবি্ব হলে ছিলাম। ফর্াস্ট ইয়ারে অনাহুত ফালফলের পর ভাবলাম, বাদ দাও এইসব। কিছুদিন হাওয়া খাই। সারাদিন ক্লাস, সন্ধ্যা হলে রোকেয়া হলের ফুটপাথে জম্পেশ আড্ডা। তখন নতুন একটা ব্যান্ড আসল ইউনিভর্াসিটি তে 'লন্ডন', র্বামা থেকে। গোলড লিফ প্রেমিরা দলে দলে ঐ কাতারে যেতে লাগল। রাত নটা বাজলে ডক্টরস কেন্টিন। ডক্টরস কেন্টিন এর সুবিধা ছিল, ঐ এলাকার সবচাইতে সস্তা বাট তৃপ্তিদায়ক খাওয়া। বাসা থেকে টাকা নেয়া বন্ধ করছি, যা কামাই তা হিসাব করে খরচার ব্যাপার আছে। বাসা থেকে চাইলেই টাকা নেওয়া যেত, কিন্তুঠিক করে ফেলেছি নিব না। কিছু জমাতে হতো, যাতে পরীক্ষার সিজনটা টিউশনি না করালেও পকেটে পয়সা থাকে। যাই হোক, ডক্টরস কেন্টিন এর খাওয়া খেতাম 9 টাকা দিয়ে। অনেকটা শেরশাহ এর গল্পের মত, কারন সেটা ছিল 1999-2000 এর সময়।
ভাত 3 টাকা, ফুচক া 1 টাকা, তরকারী 5 টাকা।
সোম আর বুধবার দিন হতো মুগডাল খাসির মাংস দিয়ে। একদিন মুগ ডাল, মাছের মাথা দিয়ে , সংক্ষেপে বলা যায় মুড়িঘন্ট। পর্াথক্য হচ্ছে রবীন্দ্রনাথের গল্পে আদরের ছেলেকে মা মুড়ো দেয়, কেন্টিনের মামার আদরের ছেলে অনেক তাই তিনি মুড়োটা সবাইকে ভেঙ্গে দেন। খাসির আইটেমটা আমার খুব প ছন্দের ছিল। সমস্যা ছিল দেরীতে গেলে রাবার টাইপ একটা কিছু পাওয়া যেত। বেয়ারা মামার সাথে পরিচিত হয়ে যাওয়ার পর সুবিধা হল, মুগ ডাল সেকেন্ড টাইম আসত। ডাল দিয়ে সেরে দিতাম এক প্লেট। সে এক অপর্ূব ডাল। ওখানে আরেকটা জিনিস ভীষন ভাল ছিল সেটা হচ্ছে মলা-ঢেলা কুচি কুচি আলু দিয়ে রান্না করা। আমাদের দেশে ভাল বিষয় হচ্ছে সস্তা খাবার গুলি সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যপ্রদ, এখানে সবচেয়ে সস্তা হচ্ছে ম্যাকডোনালডস সবচেয়ে জঘন্য হচ্ছে ম্যাকডোনালডস।

যা হোক এক সকালের জন্য যথেষ্ট অখাদ্য লিখে ফেলেছি, আপনাদের আবার রাত, বদহজম হলে সব গিট্টু পাকিয়ে যাবে। পালাই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মন ভালো না

লিখেছেন সামিয়া, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৭



চোরাবালির মতো টেনে ধরা নিঃশব্দ বিকেলে,
অদৃশ্য কিছু হাত ছুঁয়ে যায় ভাঙা স্মৃতির ধূলি,
বেঁচে আছি এইটুক স্বীকারোক্তি,
তোমারে দেখিনা বহুদিন, তবু রয়ে যাও ভীষণ ভুলই।

সমুদ্র ডাকে দূর থেকে নোনা হাওয়ার ভাষায়,
অপেক্ষারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির জয়: সব কিছু ভেঙে পড়ে

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:২৮


"তোমরা যেখানে সাধ চলে যাও - আমি এই বাংলার পারে
র’য়ে যাব; দেখিব কাঁঠালপাতা ঝরিতেছে ভোরের বাতাসে;
দেখিব খয়েরি ডানা শালিখের..."

জীবনানন্দ দাশ ''রূপসী বাংলা'র কবিতাগুলো বরিশালে তাঁর পৈতৃক বাড়িতে বসে লিখেছিলেন। জীবনানন্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপার কারণে দিদি হেরেছন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩




আপা এপারের হিন্দুদেরকে স্নেহ করতেন তাতে ওপারের হিন্দু খুশী ছিল। আপা ভারতে বেড়াতে গেলে মোদীর আতিথ্যে আপা খুশী। কিন্তু আপার আতিথ্যে দিদি কোন অবদান রাখলেন না। তাতে হিন্দু... ...বাকিটুকু পড়ুন

লেখালিখি হতে পারে আপনার বিক্ষিপ্ত মনকে শান্ত করার খোরাক।

লিখেছেন মাধুকরী মৃণ্ময়, ০৬ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৪:২৯

এই যেমন আমি এখন লিখতে বসছি। সর্বশেষ লিখেছি ২০২১ সালে জুলাই এর দিকে। লিখতে গিয়ে আকাশে বাতাসে তাকাচ্ছি, শব্দ, বিষয় খুজছি। কিন্তু পাচ্ছি না। পাচ্ছি যে না , সেইটাই লিখছি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ২:৩৩


নট আউট নোমান ইউটিউব চ্যানেলের ক্রীড়া সাংবাদিক নোমান ভাই একজন খাঁটি দেশপ্রেমিক। বাংলাদেশে এখন আমরা এমন এক পরিস্থিতির মধ্যে বাস করছি যেখানে প্রকৃত দেশপ্রেমিক আর ভুয়া দেশপ্রেমিকের পার্থক্য করা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×