somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কইন্যা গিরির উপাখ্যান

১২ ই জুন, ২০০৬ রাত ১০:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ফ্লোরিডা তে জমাট বাঁধা হারিকেন আলতা (Alberto) সদ্য যৌবনার মত আসি আসি করে এখনো এলো না। কিন্তু তার লাজুক লতার মত ঘোমটা খানি একটু সরাতেই আমারে কাৎ করিয়া দিল। আপনারাই বলেন এটা খুদার কেমন তরো বিচার।

আলতা পায়ে, আলতা মনি
নুপুর পায়ে রিনিঝিনি
লাজুক লতা,বল দেখিনি
আমার বুকে পড়লি কেনি ?

সাজ সাজ রব দুই দিন ধইরা, বিয়া করবো শ্বশুর বাড়ী যাইবো। আট বেহারার পালকি আর মন পবনের নাও সব ঠিক। কিন্তু মাইয়ার কি হইল মন সরে না ? আইজকা কয় ফরিইদ্যা (Florida) তো কাইলকা লতিফ্যা (louisiana।)। আমি নিধিরাম র্সদার আছিলাম সিলিবাসের বাইরে । আমি রব্বত(Robert), বইল্যা (BolYuba), পাশা (Sasha ) রে লইয়্যা লোউসে ঘুরতাছি । বইল্যা লোহার রড কিনবো তিন সূতার, হুইনা আমি তিন হাত দূরে ঘুরতাছি। কিন া কি কামে লইতাছে, আবার শিবির এর রুকন হইলে আমার আর নামাজে রুকু তে যাইতে হইবো না। এই ভাইবা আমি লিদার এর একটা গেলাভস কিনলাম। রেডিওশিক থিইক্যা মালটিমিটার কিইন্যা , আয়া দেখি, এ কি এবাক কান্ড। আমার ভাইটু মর্ুশেদ একি করছে। অশ্বথ গাছের মত এক খান পলুয়ান খাড়া করায়া দিছে। পুলাডা ভালা, আমারে দিখলাম লাইনে ঢুকাইয়া দিছে। আম্রিকান ইমবেচাইল গো ইমবেসীর মত একখান লাইন, ঐ লাইন সাতরাইয়া ব্লগবদনে উঠা মনি হয় আর এই জিবনি হবি না বুঝলাম। ভাইটু আমার এদিকে রসিকতা কইরা পড়ছে ধমকা ধমকির মইদ্যে। তেরভূজ কইতাছে আকশি দিয়া ভাইটুরে ধরবো , একবার ফুলিশ এর খাতা হইতে নামডা উডলে। আমি ওরে কইছি ভাইটু এই নিধিরাম কইলাম তুর লাইগা আছে, তুই ভাপিস না। এলা ইর মইদ্যে আবার কি হইল আমাগো মাধুরি আফা আমার কইল কি নিধি , '' দিল দক দক করনি লাগা, তুমারা চোপা বহুত চলনি লাগা ''। আমি কইলাম আফা এই চোপা টাই তো সম্বল, আন্নেগো মতন তো গ্রি মিটার লইয়া আহি নাইকা। এই চোপা দিয়া গুলিস্তান ভি কাইত কইরা লাইছি, এ হন ব্লগিস্তান আইয়া দেহি আমার চোপা ফেইল, আপকি বিরিন কি সামনি।

যাই হুক নিজেরে কইলাম নিধি বিয়া ভি করস নাইকা এহনো এই বিয়ান বিয়ান জানডা খুয়াবি। যেই ভাবা অই কাজ, গাট্টি বুঁচকা লইয়া বাইরাতে গিয়া দেহি , যৈবতি কন্যার মনে আমারে ধরছে। হেইয়া কান্না । যাই ছাতা লইয়া আহি। ছাতা মাতায় বাইরাইয়া দেহি , একি কারবার। আমার আপিসের পিছনের কন্যাগিরি ( Congaree River ) ফুসলাইতাছে । কও দিহিনি দিদি কি কারবার।
পিত্তিক দিন আপিস আইতে দিহি এইরহম ঢবকা একটা ছুড়ি সিনান করতাছে, মাতার চুল হুকাইতাছে , আমি আমার মায়ের জুয়ান পুলা
একডু ইটিশ পিটিশ করছি, চুকে চুকে একডু কতা কইছি । আমি কিনতুক কইলাম বদু ভাইজানের মত চনচু তে চনচু রাকি নাই । এহন হেইয়া কন্যা কানতাছে , হেই ভাবছে আলতা মনি আইছে হের চুলের ঝুটি দইরা ঝুইলা নিধি যাইবো গা। আমি ও যি মনি মনি একডু খুসি আছিলাম না তা না। ভাবছিলাম দেহি আলতা মনির সালতামামি। কাহারা এক ঢিপি পানি পারাইছি , হাতে আমার চপ্পল, মাতায় ছাতা আর পিডে বুচকা। এর মইদ্যে এক কলু হালায় দিছে এক নৌকা পানি ছিটাইয়া ওর গারি দিয়া। চুকে মুকে পানি , ইদিকে কন্যার র্গজন, সব কুনু রকমে থুইয়া আমি পলটি খাইয়া আয়া পরছি আমার মাযা ( Mada '86 ) ভাঙ্গা চাইর চাককার কাছে। ওরে লইয়া আলতা মনি র খুশি তে যাইতাছি দেহি কেরোসিন ( Kangaroo Expres , petrol pump ) এর দুহানের সামনে দুইডা ফরিং ( Ford ) কাইত। কি করি,

আবার বিক কইরা আয়া ইকডা মালবোরো আলটেরা লাইট আগরবাতি জ্বালাইয়া, শুখ টান দিতাছি। আলতা -- কইন্যা , কইন্যা -- আলতা , ছাতা মাতায় কাছা মারিয়া আইতাছে শ্রী অমিতিশ ( Amitesh Shrivastava ) ওর আবার বৈকালে চা না অইলে চলে না। আমি কই দাদা এডি কি অইতাছে, তুমি এড্ডু আলতারে বুঝাইয়া কও এইরহম ছিনালি পনা ভালা না। অয় কইল ওরে বিআককিল ইডা আলতা কানতাছে না, হাচ্চি দিতাছে। ফরিইদ্যার লুঙ্গির কাছা খুলিয়া এইডা ইহানে আয়া পরছে। আমি হয়া গেলাম উজবুক, ওমা কি কয়।

যাইকগা অমিতিশ রে ওর ঘরে আগউয়া দিয়া আমি এই আলতামনির নাকের চুকের জল পারাইয়া দহলিজে আয়া দিকি আমার বসতবাটি ভাসাইয়া দিছে। আমার গণকের চিপা ( CPU ) থই থই। যিয়া ভাই বিয়া করার খুসি তে আমারে হের সিংগিল তোষকটা দিছিল ঐডা ভাসতাছে। এহন কইন্যা ক্ষেপছে কাইলকা ঝামটা দিবে নে।

নিধিরাম র্সদার
নাই ঢাল তলোয়ার
ছাড়িয়া আমারে
পাবি কোন নদীরে
আমি তোর সপ্পন
দিন রাত সব ক্ষণ
দেখিলে মোরে তুই
কাম কাইজ সব থুই
আসিবি মোর পানে
বাহুডোরে রাখিবনে
স্বপনের তোষকেতে
পাবি তুই আধোরাতে
কাকলির কলরবে
মর্ূছনা সব হবে
দিনমণি দিলে উঁকি
আমি তোরে দিব ফাঁকি
দিন মান সারা ক্ষণ
করিবি অবগাহন
আমাতে ডুবিয়া রবি
ডুবি ডুবি জল খাবি
জলপান হলে পরে
আবার আসিব ডোরে।


=======================================

12'ই জুন, 2006
রাত 10:13
কলাম্বিয়া।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৭টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আমার মন খারাপ, ফুল দিয়ো=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮



অকারণে মন ভালো না আজ
তুমি কোথায়?
এসো এক গুচ্ছ রঙ্গন নিয়ে
বাঁধো আমায় ভালোবাসার সুতায়।

অকারণে ভালো লাগে না কিছু;
তুমি কই গেলে?
রক্ত রঙ ফুল নিয়ে এসো;
উড়ো এসে মন আকাশে - প্রেমের ডানা মেলে।

কী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে....

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫


সূর্যমুখী
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : রাধাপদ্ম, সুরজমুখী (হিন্দি)
সংস্কৃত নাম : আদিত্যভক্তা, সূর্যকান্তি, সূর্যকান্তিপুষ্প
Common Name : Sunflower, Common sunflower
Scientific Name : Helianthus annuus

সূর্যমুখী একটি বর্ষজীবী ফুলগাছ। সূর্যমুখীকে শুধু ফুলগাছ বলাটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে

লিখেছেন আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

×