somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রাষ্ট্র যন্ত্রের মতিগতি বোঝা দায়

২৮ শে জুন, ২০০৬ রাত ১২:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ক.
রাষ্ট্র যন্ত্রের মতি বুঝা বড় দায়। নারীর মন আর রাষ্ট্রের দহন দুটোই বড় রহস্যময়। আজকে সমকালে একটা খবর দেখলাম যা আমার চিত্তচাঞ্চল্য একটু বাড়িয়ে দিল। দুবাইয়ে দাউদ ইব্রাহিম এর সাথে আমাদের কয়েকজনা শীর্ষ সন্ত্রাসীর বৈঠক হয়েছে। সুব্রত বাইন কোলকাতায় মিটিং করেছে। সুব্রত বাইন হচ্ছেন বাংলার র্সবশেষ স্বাধীন নবাব। এখানে পরাধীনতার বেড়ি দেখে মর্ুশিদাবাদ গিয়ে ঘাঁটি গেড়েছেন। ওখানে থেকেই বিয়ে করেছেন। নিন্দুকেরা বলে বরযাত্রা গিয়েছে বাংলাদেশ থেকে, সাথে উপঢৌকন গিয়েছে। র্নিবাচন এর আগে নাশকতার আশংকা করছে ঐ পত্রিকাটি।

আমাদের দেশের আর এক আজব ব্যাপার সাংবাদিকরা সব খবর আগে নিয়ে আসেন। এমনকী গোয়েন্দাদের ও আগে। দুবাইয়ের মিটিংয়ের পর জয় এবং ইমন দেশে এসএমএস করেছে এই খবরটিও উনারা জানেন। এখানে তিনটা পসিবিলিটি আছে।

এক. এই খবর সবাই জানে , যাকে বলে ওপেন সিক্রেট তাই সাংবাদিক ও জানে।

দুই. কেউ জানেনা, সাংবাদিক তার সের্াস ইউজ করে জেনে গেছে। সে ক্ষেত্রে ঐ গাধা ডিবি গুলোর ট্রেনিং হওয়া উচিত পত্রিকা অফিসে।

তিন. এই মিটিং যারা করেছে তারাই চেয়েছে খবরটা চাউর হোক। সেক্ষেত্রে সরকারের আঁতাতের মৌ মৌ গন্ধ পাওয়া যায়।

দুই নম্বরটা কিয়দ ক্ষেত্রে সত্যি হয় , বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে না। এক আর তিন আসলে একই সাপের দুই প্রান্ত । ঘুরে ফিরে একজনের পেটে আরেকজন আছে টের পাওয়া যায়।

খ.

আচ্ছা তত্ত্বাবধায়ক সরকার আসলে র্যাবের কি হবে? ওদের কি খোঁয়াড়ে ঢুকিয়ে ঝাঁপি তুলে দেওয়া হবে, হাইবারনেশনে পাঠানো হবে নাকি বেচারাদের নতুন দায়িত্বহবে র্নিবাচন রক্ষণাবেক্ষণ ?

পুলিশের মত একটা এত বড় বাহিনী থাকার পরও কেন র্যাবের জন্ম হল এটা আমাকে র্সবদা আশংকিত করে। কারন কি ?

পুলিশ দর্ুনীতি গ্রস্ত তাই : কিন্তু পুলিশ শোধন চালালেই হতো। যেখানে পুলিশের বেতন ভাতা দিতে পারেনা ঠিক মত সরকার, সেখানে এরকম জাকজমকীয় পোশাক পরা আরো একটি বাহিনীর কেন দরকার পড়ল? অনেকে বলবেন পুলিশ নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাই। তাহলে র্যাব ও নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সম্ভাবনা আছে। তবে কি আরো একটা বাহিনী হবে ? র্যাব সন্ত্রাসীদের আড্ডার সন্ধান পায় কিন্তু পুলিশ কেন পায় না? র্যার এর সাথে কি তবে মুনকার-নাকীরের যোগাযোগ আছে ? আল্লাহ জানেন ।

আমার কাছে একটা তথ্য আছে , সেটা বলি। কালা জাহাংগীর কে র্যাবের যে র্কমর্কতা ধরেছিলেন তাকে কালা ভাই ক্যাশ এবং জবান মিলিয়ে দিতে চেয়েছে 25 লক্ষাধিক টাকা। সে নেয় নাই । সরকার তাকে পুরষ্কার স্বরুপ নাকি বেশ ভাল অংক দিয়েছে । এটা আমার এক মামতুতো ভাই এর কাছে শোনা। সত্য মিথ্যা জানিনা। তাদের বেতন ভাতার বাইরে পুরষ্কার নাকি তাদের এ ই গগনচুম্বি সাফল্যের কারণ ।
র্যাব গঠন না করে এই টাকা ফুলিশ সরি পুলিশ ভাইদের উন্নয়নে ঢাললে কি উনারা এরকম সপ্তআসমান চুম্বি সাফল্যে পেতেন না?

মানুষের র্অথ চাহিদার শেষ নাই । এখন র্যাব তথা হবু গেস্টাপো বাহিনীর পায়খানা ও যে দর্ূগন্ধ সেটা দেশবাসী টের পাওয়া শুরু করছে। উনাদের ছোট ছোট পদস্খলন দেখে ।

আসুন আমাদের দেশমাতৃকার বুকে যেন একবিংশ শতাব্দীর আইকম্যান না জন্মায় সেই প্রর্াথনা করি। কারণ কেষ্ট ঠাকুর এর জন্মের দামামা অনেক আগেই শুনা গিয়েছিল। আমাদের এই নতুন ঠাকুর যে বাঁশি বাজাচ্ছেন তাতে মনে হয় না, কাপড় নিয়ে গাছের ডালে বসেই এই ঠাকুর ক্ষান্ত হবেন । আমাদের আরো অনেক কিছু তিনি নিতে চান।


=======================================

28 শে জুন, 2006
রাত 12:10
কলাম্বিয়া।

সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আমার মন খারাপ, ফুল দিয়ো=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই মে, ২০২৬ দুপুর ২:৫৮



অকারণে মন ভালো না আজ
তুমি কোথায়?
এসো এক গুচ্ছ রঙ্গন নিয়ে
বাঁধো আমায় ভালোবাসার সুতায়।

অকারণে ভালো লাগে না কিছু;
তুমি কই গেলে?
রক্ত রঙ ফুল নিয়ে এসো;
উড়ো এসে মন আকাশে - প্রেমের ডানা মেলে।

কী... ...বাকিটুকু পড়ুন

সূর্যমুখী ফুলের মত দেখি তোমায় দূরে থেকে....

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৫


সূর্যমুখী
অন্যান্য ও আঞ্চলিক নাম : রাধাপদ্ম, সুরজমুখী (হিন্দি)
সংস্কৃত নাম : আদিত্যভক্তা, সূর্যকান্তি, সূর্যকান্তিপুষ্প
Common Name : Sunflower, Common sunflower
Scientific Name : Helianthus annuus

সূর্যমুখী একটি বর্ষজীবী ফুলগাছ। সূর্যমুখীকে শুধু ফুলগাছ বলাটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাত যত গভীর হয় প্রভাত তত নিকটে আসে

লিখেছেন আরোগ্য, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:২১

গতবছর এই মে মাসের ১৭ তারিখেই আমার চোখের প্রশান্তি, আমার কর্মের স্পৃহা, আমার জননী এই ক্ষণস্থায়ী পৃথিবী ও আমাদের কাছ থেকে মহান রব্বের ডাকে সাড়া দিয়ে পরপারে পাড়ি জমান। আব্বু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইচ্ছে করে

লিখেছেন বাকপ্রবাস, ১২ ই মে, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৮

ইচ্ছে করে ডিগবাজি খাই,
তিড়িং বিড়িং লাফাই।
কুমারী দীঘির কোমল জলে
ইচ্ছে মতো ঝাপাই।

রাস্তার মোড়ে সানগ্লাস পরে
সূর্যের দিকে তাকাই,
সেকান্দর স্টোর স্প্রাইট কিনে
দুই-তিনেক ঝাঁকাই।

ঝালমুড়িতে লঙ্কা ডাবল,
চোখ কচলানো ঝাঁঝে,
ছাদের কোণে যাহাই ঘটুক,
বিকেল চারটা বাজে।

ওসবে আমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

মায়া বড় কঠিন বিষয় !

লিখেছেন মেহবুবা, ১২ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪০


মায়া এক কঠিন বিষয় ! অনেক চেষ্টা করে জয়তুন গাছ সংগ্রহ করে ছাদে লালন পালন করেছি ক'বছর।
বেশ ঝাকড়া,সতেজ,অসংখ্য পাতায় শাখা প্রশাখা আড়াল করা কেমন আদুরে গাছ !... ...বাকিটুকু পড়ুন

×