সকালবেলা ঘুম থেকে উঠলেই নজরে পড়ে লাল ডিসপ্লের ডিজিটাল ঘড়িটা। তাবৎ পৃথিবীর
অশ্লিলতম বস্তু হচ্ছে এই ঘড়ি। ঘড়িটা কোন অজানা কারণে আমার মন অস্থির করে দেয়। যখনই ঘুম থেকে উঠি ঘড়িতে দেখি নয়টা বাজে। কিছুক্ষণ হুলস্থুল করে দাঁত ব্রাশ করার পর একদিন আবিষ্কার করলাম ঘড়িতে বাজে ভোর চারটা। শেষ র্পযন্ত সিঁদেল চোরের মত মোরগ ডাকার আগেই বের হয়ে যাই র্কম উদ্দেশ্যে।
মোরগ ডাকার ব্যপারটাও আমার কাছে খানিকটা পুরুষতান্ত্রিক মনে হয়, মুরগী কেউ বলে না। এটাও খানিকটা অশ্লিল বিষয়।
হলে এক বড় ভাইকে দেখেছিলাম উনি শিথানে প্রমাণ সাইজের এক নায়িকার পোস্টার লাগিয়েছেন। কারণ হচ্ছে সুন্দর মুখ দেখলে সারাদিন ভাল যাবে। পাশের বেডের রুমমেটের চেহারা যাতে প্রথম দেখতে না হয় , তাই এই ব্যবস্থা।
আমি পোস্টার না পাওয়ার কারণে সেরকম কোন কিছু করতে পারিনি, শিয়রের কাছে এক নায়িকার এ4 সাইজ একখানা স্মিত হাস্য ছবি রেেেখছি। ছবিটা আদৌ কোন কাজে আসেনি। মধ্যিখানে লোকজন আমাকে কেমন করে যেন দেখা শুরু করেছে।
সেই দৃষ্টি আপনার শরীরে একটু আশ্লিল সুরসুরি দেবে।
ডেমি মুর এর পথ ধরে ব্রিটনি র্গভবতী অবস্থায় একটা ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে ছবি ছেপেছে। শরীরে কোন সূতো নেই। এরা হচ্ছে মিডিয়ার লোক, র্সবক্ষণ লাইম লাইটে থাকতে চায় । এমনকি র্গভবতী অবস্থায় যেহেতু স্টেজ শো করা যায় না, তাই এই ব্যবস্থা।
আমেরিকানরা এক কিম্ভুত জাতি। আমি যখন প্রথম রুমমেট চেয়ে বিজ্ঞাপন দিলাম, বেশ অনেকেই যোগাযোগ করলো। একটা ছেলে অনেকদূর কথা বলার আমি জানতে চাইলাম তো তোমার ডিসিশন কি ? সে জানাল দেখি আমার মেয়ের সাথে কথা বলে ? ঐ ব্যাটা তার মেয়ে কোন ছেলের সাথে থাকবে, নিরাপদ কিনা বুঝবার জন্য নিজে দুইদিন ধরে আমার সাথে কথা বলেছে । আবার এই ব্যাটার মেয়ে বা ছেলে কিন্তু ব্রিটনির কনসর্াট দেখবে। যেখানে ও প্রায়শই কাপড় খুলে ফেলে।
অনেক বাবা-মা ছেলে মেয়েদের ব্রিটনির কনসর্াট দেখতে দিতে চায়না নষ্ট হয়ে যাবে বলে। অথচ যে কোন দোকানে গেলে থরে থরে সাজানো র্পনো পাওয়া যায়। ওরা কি বুঝে, কি করে এটা বুঝা একেবারে অসম্ভব।
এই বেকুবদের কান্ড নিয়ে মাথা যত কম ঘামানো যায় ততই ভাল।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




