অনলাইন ডায়েরী লিখতে আমি চেয়েছিলাম। কিন্তু প্রথম পাতায় দেখতে চাইনা, অপশনটা কাজ না করায় এককেবারে পাঁকে পড়লাম।
প্রতিদিনের কাজ শেষে যা মনে হয়, তাই লিখত চেয়েছিলাম। নিজেকে নিয়ে, আশ পাশ নিয়ে। এখন এইটা যদি সামনের পেজে চলে যায় সমস্যা। আমি কাউকে পড়তে দিতে চাইনা তা না। বাট নিজের খোমা প্রথম পেজে দেখানোর তো কোন মানে নেই। কারও ইচ্ছা হলে নিজে এসে পড়বে।
কত কথা থাকে প্রতিদিন। না বলা হাজার হাজার শব্দ। সাকসেস , ফেইলিওর কত কিছু।
নিজের মাতৃভাষায় কথা না বলতে পারার মত কষ্ট আর কিছুতে নেই। অবশ্যই নিজের মনের কথা, সৃষ্টিশীল কথা, যুদ্ধের কথা, জীবনের কথা। প্রাত্যহিক জীবনের ভাত-সালুন মর্াকা কথায় পেট ভরে না। তাই এই ব্লগে আসা। নানা রংয়ের মানুষের কথা শোনার জন্য।
সেদিন শুভ বলছিলেন যে দেশে আমরা প্রতিদিন মরি, তবুও মায়ের হাতের গরম গরম ধোঁয়া ওঠা ভাত খাই , নিজের বিছানায় ঘুমাই।
দেশের অনেক কিছুর অভাব মানুষ বোধ করে বাব-মা,ভাই-বোন, বন্ধু সবকিছু। কিন্তু সবাই যদি সাথে থাকত তাতেই কি শূন্যতা বোধ হতো না ? মানুষের সবচেয়ে বড় গুণ এবং সবচেয়ে বড় দোষ হচ্ছে , মানুষ দ্্রুত অভিযোজন করতে পারে। সবচেয়ে প্রতিকূল পরিবেশও মানুষ জয় করতে পারে। এই গুণ যেমন কাজে দেয় , তেমনি মানুষকে তার সবচেয়ে অপাংক্তেয় পরিমন্ডলের সাথে সহাবস্থানে বাধ্য করে।
দেশের বাইরে আসলে মানুষের যে শূন্যতা তৈরি হয় সেটা শুধু নিজের রক্তসমর্্পকের জন্য বলে আমি মনে করি না। কারণ পুরো পরিবার নিয়ে বিদেশ বিভূঁইয়ে থাকলে মানুষ সেই একই শূন্যতা অনুভব করে।
মূলত ভাষা এবং জলবায়ু মানুষের
জীবন-ধারণ র্নিণয় করে। এই দুটোতেই আমাদের যাপিত জীবনের সমস্ত স্মৃতি সনি্নহিত। আমরা আমাদের ফেলে আসা সময় গুলো কে হাতড়াই। যদিও মনোবিজ্ঞানীর দৃষ্টিতে কাজটা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুব খারাপ।
কেউ যদি তিন বছর বয়সে দেশ ছাড়ে তার সমস্যা হবে না। কিন্তু প্রাপ্ত বয়স্ক হবার পর ছাড়লে সমস্যা হবে । আপনি বংশাই নদীতে, র্বষার রুপ দেখে যদি অভ্যস্তহন, কনগ্যারী আপনার ভাল লাগতে পারে, বাট মন ভরাবে না। সারা পৃথিবীর সব নদীই, তার নিজস্বতায় সুন্দর। আপনার ভাল লাগবে,
আর লিখতে ভাল লাগছে না।
অসমাপ্ত
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




