আমি প্রতিদিন শাহানার বিড়াল দেখি আর ভাবি এতো পছন্দ । কুকুর প্রানী টা আমি পছন্দ করি। বিড়াল আমি অপছন্দ করি তা নয় , কিন্তু খুব ভাব ভালবাসা নেই । পরে পরে যে টুকু ছিল সেই ভাব ভালবাসা ও চলে গেল প্রানীটার ব্যবহারে । বাচ্চাকালে প্রতিদিন সেহরীতে আম্মাকে দেখছি বিড়াল ধাওয়া করতে । ঢাকায় আমি যখন নীচতলায় থাকতাম তখন আমার শুটকি খাওয়ার জন্য ধাড়ি একটা বিড়াল অনেক যন্ত্রনা দিল । মধ্যরাতে ঘরে ঢুকে যায় , আর আমার লাঠি নিয়া , হুংকার ।
একদিন একটা বাসা থে কে বেরিয়ে আসার সময় সিড়িতে দেখি একটা সদ্যজন্মানো বিড়াল । চোখ ফোটেনি তখনো । আমার বান্ধবী ছিল সাথে , ও বলল এটা মারা যাবে এখানে এভাবে থাকলে । কি যেন হয়ে গেল , এই অপছন্দের প্রানীটাকে কোলে তুলে নিলাম । ও সুস্থ হয়েছিল , বেঁচে ছিল বেশ কয়েকমাস । আমি যখন ইউনিভর্াসিটি থাকতাম ও থাকত পাশের বাসায় । ওকে আনার পর প্রথম যেবার চট্টগ্রাম গেলাম , এসে শুনি মারা গেছে । দুদিন খেতে পারেনি ।
আজো ওকে কোলে নেওয়ার মূহর্ূত টা আমার মনে আছে । যানিনা কোথা থেকে আসে এই উটকো ভালবাসা ।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



