somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলা -একাডেমীর আন্তর্জাতিক কোন মান এবং সন্মান ছিলো না -আজ-ও নাই ঃ সূচনা : -প্রথম অংশের পর

২৮ শে আগস্ট, ২০১৪ দুপুর ১২:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

académie bangladaise Dhaka


কি করছে আমাদের ঢাকা বাংলা -একাডেমী ?
ব্লগে আমি শুধু জানাতেই আসি ‘নি , এসেছি সন্মানীত বন্ধু-গন-দের কাছ থেকে অনেক কিছু জানতে-ও "তা আমি আগেই বলেছি এবং এসেছি আমি আমার কথা বলতে ‘সত্য কথা এবং যে-কথা গুলো কেউ কখন-ও বলে নাই , কিন্তু বলা দরকার ‘সে-কথা গুলোই আমি বলতে এসেছি এবং বলবো , কথা-গুলো এই জন্য বলা দরকার যে আমাদের আগামী প্রজন্মদের অন্ধ্যকার ভবিষ্যৎ থেকে আলোর দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য , বাংলাদেশের নতুন জেনারেশন আজ যে পরিমানে স্মার্ট-ফোন , ল্যাপটাব ব্যাবহার করে "ফেজ-বুক , "জি+ , "টুইট এবং "ইউ-টিউব সহ আরো-ও আধুনিক নেট-ওয়ার্ক এর মাধ্যমে পারদর্শী হয়ে উঠছে সে অনুপাতে তারা বাস্তব শিখ্যায় শিখ্যিত হয়ে উঠছে-না তা অতি সত্য-কথা , সত্য-কথা সব-সময়"ই অ-প্রিয় হয় , কিন্তু আমি মনে করি তাকে অ-শ্বীকার না করে মেনে নিলেই উত্তম তাতে আমরা আমাদের করে আসা ভুল-গুলোকে সংশোধন করে নতূন এবং আগামী প্রজন্মদের সঠিক পথে পরিচালনা করতে পারবো ! আমার মূল বক্তব্যে যাওয়ার আগে আমার নিজ অভিগ্যতার ২-টি উদাহরন তুলে ধরবো ঃ - ইউরোপে এভেলেবেল মোবাইল-ফোন শরু হয় ১৯৯৭"র দিকে অথচ ২০০৭ সনে যখন আমি দেশে যাই ( দেশে প্রতি বছর"ই যাই ) তখন-ও আমি মোবাইল-ফোন ব্যাবহার করি-না "তা শুনে সবাই অবাক এবং আরো বলতে থাকলো "বল-কি , ইউরোপে থেকে-ও মোবাইল-ফোন ব্যাবহার কর-না অথচ বাংলাদেশের কাজের মেয়েরা এমন-কি রিক্সাওয়ালারা পর্যন্ত তা ব্যাবহার করছে" ? কথা বলার ধরন এবং এমন অবাক তাঁরা হয়েছে তাঁদের মুখের ভাব দেখে বুঝা গেল -যেন আমি কোন অন্যায় কাজ করে-ফেলছি মোবাইল-ফোন ব্যাবহার না-করে ! কাজের মেয়েদের বা রিক্সাওয়ালার মোবাইল-ফোন ব্যাবহারের কোন প্রয়োযন আছে কি নাই সে-তর্কে আমি যাবো-না , তাঁদের প্রয়োযনীয়তা তাঁরাই ভালো বুঝে , কিন্তু ইউরোপে আছি টাকা কামাচ্ছি শুধু এই কারনেই আমার একটা মোবাইল-ফোন ব্যাবহার করতে হবে এই রকম যুক্তি আমি মানি-না ! আমার যুক্তি হলো "যা আমার প্রয়োযন যা থাকলে আমার কর্ম জীবন বাধা গ্রস্ত হবে সে জিনিসটাই আমার থাকতে হবে যদি আমার সমর্থ থাকে নতুবা তা আমার জীবনে অর্থ-হীন একটা মোবাইল-ফোন , গেল পয়েন্ট এক । দুই ঃ - আমার এক বন্ধু গাড়ী কিনবে , আমাকে বললো "তুমি যেহেতু ছুটিতে আছ চল আমার সাথে ‘কিছু মত-বিনিময় করতে পারবো কোন মডেল-টা ভালো হবে ! আমি গেলাম ওর সাথে , এ-সব দেশে গাড়ী বিক্রির বড়-বড় সো-রুম গুলো সাধারনত গ্রামের দিকে হয় তাতে ক্লাইন্টদের বিশেষ সুবিদা দিতে পারে , গাড়ী পার্ক করার প্রচুর জায়গা থাকে , আলাদা-আলাদা ভাবে ক্লাইন্ট রিসিভ এবং আলোচনা করার জন্য আধুনিক ডেকোরেশন ও সোফা-সেট সহ বড়-বড় রুম এর ব্যাবস্থা করা যায় -যা মূল শহড় বা ক্যাপিটালে সম্ভব হয়-না , তা ছাড়া-ও আরো একটি মূল কারন হলো কর্ম সংস্থান ভাগ করে দিয়ে মূল শহড় বা ক্যাপিটালের উপড় থেকে জন-চাপ কমানোর উত্তম ও ইকোলজিক ব্যাবস্থা ! আমরা একটার পর একটা সো-রুম ঘুড়ছি , একটা থেকে আর একটা সো-রুমের দূরত্ব বেশ কয়েক কিলো মিটার দূরে-দূরে , এর মধ্যে কখন-ও ডিষ্ট্রিক- বোর্ডের রাস্তা , ন্যাশনাল রোড এবং হাই-ওয়ে-তেও যেতে হচ্ছে , যাওয়ার পথে বেশ কয়েক স্থানে দেখা-গেল বেশ কিছু "ব্রীজ" তৈরী করে রেখেছে , কোন-টা হাই-ওয়ের উপড়ে , কোন-টা ন্যাশনাল রোডের উপড়ে , আবার কোন-টা ডিষ্ট্রিক- বোর্ডের রাস্তার উপড়ে , কেন এই ব্রীজ , কি প্রয়োজন এই ব্রীজের ? এখানে না আছে খাল "না আছে নদী -তবে কেন শূন্য জায়গায় খোলামাঠে সরকারী পয়সার এতো অপচয় ? তার জবাব হলো ঃ প্রয়োজনের মূখ্য বিষয় বা কাজ-গুলো আগেই করে ফেলা , যে ব্রীজ-গুলো আমরা দেখেছি প্রত্যেক ব্রীজের"ই এ-পাশে ও-পাশে রাস্তার কাজ চলছে , কোন-টা যোগ হবে ন্যাশনাল রোডের সাথে , কোন-টা হাই-ওয়ের সাথে , আবার কোন-টা যোগ করবে হাই-ওয়ে টু হাই-ওয়ের সাথে আবার কোন -টা ন্যাশনাল টু ন্যাশনাল রোডের সাথে ! আমার দ্বীতীয় উদাহরন থেকে আমরা কি শিখ্যা নিতে পারলাম , ওদের যা প্রয়োজন হবে ঐ-গুলো ওরা আগেই করে নিচ্ছে যেন শেষ করতে এসে কোন অপেখ্যায় থাকতে না-হয় এবং এ-ভাবেই ওরা শিখ্যা পেয়েছে বা এ-ভাবেই ওদের শিখ্যা দিয়েছে ওদের দেশের একাডেমী । আর আমার প্রথম উদাহরন থেকে আমরা কি শিখ্যা নিতে পারলাম , কি করছে আমাদের ঢাকা বাংলা -একাডেমী ? যা আমাদের প্রয়োজন তা আমাদের বাংলা -একাডেমী করছে-না , আর যা বাংলা -একাডেমী করছে তা আমাদের এখ্যন"ই না হলে চলবে , যেমন ; -শিখ্যা ব্যাবস্থা উন্নতি না করে যুবক-যুবতীদের হাতে তুলে দিচ্ছে এক সঙ্ক্রামক ব্যাদী যা থেকে মুক্তি পাবে-না কোনদিন আমাদের যুব-সমাজ , এর কারন আবার-ও ঐ শিখ্যা ব্যাবস্থার উপড়"ই যায় , আমাদের ঢাকা বাংলা -একাডেমীর উপড়"ই যায় । ঃ চলবে -
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমাদের হ্যালোইন উদযাপন

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩


আজ ছিল হ্যালোইন। এই উৎসব ফসল কাটার মৌসুমের শেষ ও শীতের শুরু - এই উপলক্ষে হলেও বছরের এ সময়ে কানাডায় ঠান্ডা পড়ে যায়। তবে আজ আবহাওয়া ছিল ভালো। সারাদিন রোদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৩৫



সেই মেয়েটিকে খোঁজ....

ফরাসি ভাষায় বহুল প্রচলিত একটি বাক্য- Cherchez la femme। অর্থাৎ, ‘সেই মেয়েটিকে খোঁজ’।

ফরাসি লেখক আলেকজান্ডার ডুমা (Alexandre Dumas) ১৮৫৪ সালে তাঁর উপন্যাস Les Mohicans de Paris-এ... ...বাকিটুকু পড়ুন

তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০১ লা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:২৩



তাহসিফের মৃত্যু: খাতা আর টাওয়ার খুললেই যেসব প্রশ্নের উত্তর মেলে-

বিমান বাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট কে এম তাহসিফ সাউরির মৃত্যু এখন রহস্যের আরেক নাম। ২৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় জুনিয়র বন্ধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

দারিদ্র্য কি মানুষকে মহান করে তোলে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬


হুমায়ূন আহমেদ। বাংলাদেশের শেষ জনপ্রিয় লেখক। তিনি ছিলেন একাধারে একজন গুণী লেখক ও নাট্যনির্মাতা। হুমায়ূন আহমেদ সমুদ্রবিলাস নামে একটি নাটক নির্মাণ করেছিলেন। সেখানে একজন শিক্ষক ছিলেন, নাম চ্যালেঞ্জার। তাঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

DNA — ঈশ্বর এবং প্রশ্ন ?

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ০২ রা নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:১২



১. ক্ষুধা
পৃথিবীর জনসংখ্যা বাড়ছিল, বাড়ছিল মানুষের খাদ্যচাহিদা; কিন্তু সীমিত জমিতে প্রচলিত পদ্ধতিতে সেই চাহিদা পূরণ করা কঠিন হয়ে উঠছিল।
মানুষ নির্বাচিত প্রজনন ও বিজ্ঞানভিত্তিক গবেষণার মাধ্যমে এমন ব্রয়লার মুরগির জাত তৈরি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×