খাবেন আপনি, রান্না করবে আর একজন, তা কি করে হয়! খাবারটা তো সম্পূর্ন আপনারই কাজে লাগে, আপনার বেঁচে থাকার জন্যই ফুয়েল! তবে হ্যাঁ, এটা একটা সাধারন লজিক মাত্র। আসলে এত কঠিন করে ভাবলে এই দুই দিনের দুনিয়াতে বাঁচতে পারা যাবে না! তবে আমি মনে করি, যারা রান্না করেন তাদের প্রতি আপনার বিশেষ দরদ থাকতেই হবে। আপনি ছেলে বলে রান্নাঘরে যাবেনই না, উপরে আবার রান্নায় কম স্বাদ হলে বড় বড় বুলি ছাড়বেন, তা হতে পারে না, মানা যায় না! বিষয়টা ভেবে দেখার অনুরোধ জানিয়ে গেলাম।
এদিকে আপনি কি রান্না ভয় পাচ্ছেন? বিশ্বাস করুন, রান্না দুনিয়ার সেরা ভালবাসা, সেরা কাজ! একদিন রান্না করার চেষ্টা করেই দেখুন না! কি আনন্দ আছে এতে, কি ভালবাসা আছে এতে! আপনার রান্না খেয়ে আপনার ছেলে, মেয়ে, মা, স্ত্রী বা পিতা কি বলেন একবার দেখুন না!
কাজের চাপ তো আছেই, থাকবে! মরনের আগের দিনও কাজ করে যেতে হবে! ফাঁকে প্রতিদিন কিছু না কিছু রান্না করুন! ঘরে যদি আপনার বিচারবান স্ত্রী থাকে, তবে দেখুন না, তিনি আপনাকে আরো কত ভালবাসা দেয়! হা হা হা। অন্যদিকে, এক সময় দেখবেন সন্তানেরা আপনার হাতের রান্না খেতে কি করে মুখিয়ে থাকে!
আশা করি কম বলে বেশী বুঝাতে পেরেছি! লেখাপড়া শিখেছেন, এখনো গোয়ার গোবিন্দ হয়ে থাকবেন না! টাকায় যেমন আরো টাকা আনে, ভালবাসায় তেমনি আরো ভালবাসা আনে। আর আমি বলছি, রান্নার অপর নাম ভালবাসা!

আমি অবশ্য আমার স্ত্রীর কাছেই রান্না শিখেছি! হা হা হা, তবে আপনারা যারা এই পথে আসবেন, সাথে নিয়ে আসবেন কঠিন ধৈর্য্য, সংগ্রাম এবং মানিয়ে নেয়ার মানসিকতা!
সহজ বা আমাদের দৈনিক রান্না গুলো নিয়ে আমি সব সময়েই আপনাদের কাছে হাজির আছি। গল্প ও রান্না 'য় আমাকে পাবেন সব সময়েই!
সবাই ভাল থাকুন, আনন্দে কাটুক আমাদের সবার জীবন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




