বয়স বাড়ে আর মানুষ অভিজ্ঞ হয়, নানান বয়সে নানা কথা কর্ম মনে ভাসে, হয়ত মনের কথা মুখে আনে না, তবে মনে মনে সে সেই কাজই করে যা সে বুঝতে পারে। মানুষকে অভিশাপ দেয়া খুব মন্দ কাজ, কিন্তু এই বয়সে আল্লাহর দরবারে হাত তুলেই কিছু মানুষকে অভিশাপ দিতে ইচ্ছা হয়, যার বা যাদের কারনে মন ভেঙ্গে চুরমার হয়েছে বা হচ্ছে। অনেক সময়ে না চাইলেও মন বলে উঠে, আহ একি হল, আল্লাহ তুমি তাকে শাস্তি দাও।
আজকের এই দিনে খুব একটা বলতে ইচ্ছা হচ্ছে না, তবুও বলি শেখ হাসিনা এবং তার সঙ্গদের ঠিক এই কারনেই এমন অধঃপতন হয়েছে, তিনি বা তার লোকেদের অন্যায় আচরণে কত মানুষের জীবন নষ্ট হয়েছে, কত পরিবার নিঃস্ব হয়েছে, কত মানুষ মনোকষ্ট নিয়েছে, কত মায়ের বুক খালি হয়েছে এবং এই কারনেই প্রচুর মানুষ আল্লাহর কাছে হাত তুলে উনাকে এবং উনার সঙ্গীদের অভিশাপ দিয়েছে, আর এই অভিশাপের ফল ছিল দেখার মত! যে মায়ের সন্তান হত্যা খুন গুম বা যারা স্বামী পিতা হারিয়েছে, তাদের হাত এমনি এমনি উঠেই গেছে এবং উঠবেই, এটাই বাস্তব!
শেষ কথা - এই বয়সে এসে বুঝি, কারো মনে সামান্য কথা দিয়েও কষ্ট দেয়া উচিত নয়, কারন তার হাত উঠেই যেতে পারে বা উঠবেই। কষ্ট বড় হলে, সেই নির্যাতিত ব্যক্তি রাতের গহীনে আল্লাহকে বলবেই। অনেক নির্যাতিত ব্যক্তি কথা বলা বন্ধ করে দেন, চুপ হয়ে যান, কিন্তু হাত তুলে বিচার দিতেই থাকেন, বলেন, আল্লাহ তুমি তার বিচার করো।
ক্ষমাই মহৎ কিন্তু যে সাজানো জীবন হারায়, সে ক্ষমা করতে পারে না বা তার দ্বারা ক্ষমা হয় না, সে প্রতিপক্ষের শাস্তি এই দুনিয়াতেই দেখে যেতে চায়।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১১:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





