somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অপরিচিতার ভালবাসা

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রোজ সকালে ঘুম থেকে দেরী করে উঠা একটা নিয়মিত রুটিনে পরিনত হয়েছে।
তাই আজও তার ব্যাতিক্রম হয় নি। আমি অবশ্য নিয়মিত ভার্সিটি যাই নাহ।
বিকেলে স্যারের বাসায় পরতে যাওয়ার জন্য রওনা দিলাম।
রাস্তার মোড় পেরুতেই পিছন থেকে একটা মেয়ে ঠিক আমার পাশে এসে আমার পায়ের তালে হাটতে শুরু করেছে।
আমি ব্যাপার টাকে তেমন একটা গুরুত্ব দিলাম নাহ।
কিন্তু পরক্ষনেই তা ভুল প্রমান হলো।

-এই যে , আপনার ফোনটা দিন তোহ।(মেয়ে)
-জ্বী, কি বললেন?
-আচ্ছা আপনাকে দেখে তো সুস্থই মনে হচ্ছে।কিন্তু আপনি যে কানে একটু কম শুনেন তা তো জানা ছিলো নাহ।(মেয়ে)
-হোয়াট ননসেন্স! আমি কানে কম শুনবো কেন?
-তাহলে আমি যা বললাম তা আপনি কি শুনেন নাই?(মেয়ে)
-কি বলছেন আপনি?
-আপনার ফোনটা দিন।(মেয়ে)
-কেন? আমি আপনাকে ফোন দিবো কেন? আমি তো আপনাকে চিনি নাহ।
-কিন্তু আমি আপনাকে চিনি।(মেয়ে)
-কি করে চিনেন?
-আমি আপনাকে ভালবাসি।(মেয়ে)
-কিহ?
-আচ্ছা আপনি কি সত্যিই কানে কম শুনেন? এতে কিন্তু আমার প্রেসটিজ কমবে। আপনি দ্রুত একটা ডাক্তারের শনাপন্ন হবেন। ওকে।(মেয়ে)
-কি যা তা বলছেন আপনি।
-আমি যা তা বলি নি । বলছি যে আমি আপনাকে ভালবাসি।(মেয়ে)
-আর আপনি আমাকে চিনেনই বা কিভাবে?
-আমি আপনাকে রোজ ফলো করি। আপনার নাম ঈষান, আপনি এবার অনার্স ৩য় বর্ষে ঢাবি তে ফিজিক্স নিয়ে পরছেন।(মেয়ে)
(এখন অবশ্য অবাক হবার পালা,গড়্গড় করে একের পর এক ডিটেইলস বললো)
-আআআআপনি এত কিছু জানেন কিভাবে?
-এত কিছুই না, আরো কত কি জানি।(মেয়ে)
-কিন্তু কিভাবে জানেন?
-কারন আমি আপনাকে ভালবাসি।(মেয়ে)
-কেন ?
-আচ্ছা আমি কিন্তু অনেক আগেই আপনার ফোনটা চেয়েছি। ফোনটা দিন এবার।(একটু ঝাড়ি দিয়ে)(মেয়ে)
(আমিও বাধ্য ছেলের মত পকেট থেকে ফোনটা বের করে দিলাম।)
-এই নিন।
(দেখলাম কি যেনো করলো। বাট ঠিক করে খেয়াল করতে পারি নি)
-এই নিন আপনার ফোন।(মেয়ে)
-কি করলেন?
-কিছু নাহ। যান এবার, আপনার পড়ার সময় চলে যাচ্ছে।(মেয়ে)
---
আমার নামটা তো আগেই জানলেন।
আমি কোথায় পড়াশোনা করি তাও জানলেন।

রাতে বাসায় এসে, ফ্রেশ হলাম।খেয়েদেয়ে শুয়ে পরলাম।
ফেসবুক গুতাগুতি করছি।রাত প্রায় ১০ টা বাজে।এমন সময় হটাত ফোন,
ঐন্দ্রিলা নামটা ফোনের স্ক্রিনে ভেসে উঠলো।
গভীরভাবে ভাবতে ভাবতে কলটা কেটে গেলো।
আবার ফোন। এবার রিসিভ করতেই হবে।
-আসসালামুয়ালাইকুম।
-ওয়ালাইকুমুস সালাম।(ঐন্দ্রিলা)
-জ্বী কে বলছেন?
-কানে কম শোনার সাথে সাথে কি চোখেও কম দেখেন নাকি।(ঐন্দ্রিলা)
-চোখে কম দেখবো কেন?
-তাহলে আমাকে আবার জিজ্ঞেস কেন করলেন যে আমি কে? আমার নামটা আপনার ফোনে তো সেভ করাই ছিলো।(ঐন্দ্রিলা)
-ও তার মানে আপনিই সেই অপরিচিতা।
-জি। (ঐন্দ্রিলা)
-তা ফোন করলেন কেন?
-এমনি, ভালবাসার মানুষের খোজ খবর নিতে হবে না, তাই আরকি।(ঐন্দ্রিলা)
-কিসের ভালবাসা, আমি তো কিছুই বুঝি নাহ।
( এই নিয়ে সেদিন রাতে অনেক কথা হলো, মেয়েটির নামতো অলরেডি পাবলিশড,ঐন্দ্রিলা এবার আমারই ভার্সিটির ১ম বর্ষের ছাত্রী।)

আজ অনেকটা দিন হয়ে গেলো ঐন্দ্রিলার সাথে আমার পরিচয়, আমি ওকে অপরিচিতাই ডাকতাম।
কিন্তু ভালবাসাই আমি বিশ্বাসি নাহ।বিশ্বাসি না বললে ভুল হবে, বিয়ের আগে বিশ্বাসি নাহ।
জন্ম মৃত্যু বিয়ে তিন বিধাতা নিয়ে।
কার সাথে কার বিয়ে হবে তা শুধু একমাত্র আল্লাহ পাক জানেন।
এক জনের আমানতের উপর আমার কোন অধিকার থাকতে পারে নাহ, না নেই।
আমি যে মেয়েকে ভালবাসি তাকে আদোউ পাবো কিনা তার কি কোন নিশ্চয়তা আছে? না নেই।সে তো অন্য কারো আমানতও হতে পারে।
তাই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে বিয়ে যাকে করবো তাকেই ভালবাসবো।


পড়শুনা কমপ্লিট করে একটা সরকারী চাকুরী করছি।
আমার অবশ্য চাকরী না করলে কারো কোন ক্ষতি হবে নাহ।
আজ অফিস বন্ধ, কারন আজ শনিবার,সরকারি অফিস গুলোতে শনিবার দিন কাজ বন্ধ থাকে।তাই খুব বেলা করে ঘুমাচ্ছি।
পাশের রুম থেকে হো হো হাসাহাসির আওয়াজ পাচ্ছি।তার মানে কোন মেহমান এসেছে।
ফ্রেশ হয়ে ড্রয়িং রুমে গেয়ে ১২০ ভোল্টের একটা শক খেলাম।
একি , চোখটা ভালোভাবে কচলিয়ে আবার তাকালাম।
আরে এই মেয়েটার তো সাহস কম নাহ। আমার বাসায় চলে আসছে।
আর আমার বোন , মা সবাই তো আসর জমিয়ে ফেলেছে।
আমি আবার আমার রুমে এসে বিছানায় গা টা হেলিয়ে দিলাম।
আমারও যে ঐন্দ্রিলাকে ভাল লাগে না তা নাহ।আমারও ওকে ভাল লাগে।হটাত দরজায় নক।
দেখি ঐন্দ্রিলা আমার দিকেই আসছে।
এসেই আমার উপর চড়ে বসলো।
-কি বলছিলে তুমি, আমাকে ভালবাসতে পারবে না, তাই নাহ? এবার দেখো ।(ঐন্দ্রিলা)
এই বলেই আমার রুম থেকে চলে গেলো।
আমি তো পুরো বলদ হয়ে গেলাম।চুপচাপ বসে আছি।

রাতে আদিবা(ছোট বোন) রুমে আসলো।
-কিরে তলে তলে এতদূর, আর আমরা কিছুই টের পেলাম নাহ।(আদিবা)
-কি যাতা বলছিস। কথা না পেচিয়ে সোজাসুজি বল।
-এই আমার সাথে ন্যাকামি করবি না একদম। মেয়েটার সাথে তোর রিলেশন আমাদের জানাস নাই কেন?(আদিবা)
-কি বলিস, কোন মেয়ে, কার সাথে রিলেশন?
-আকাশ থেকে পরছিস মনে হচ্ছে।(আদিবা)
-ঐন্দ্রিলা আপুর সাথে যে তোর এক বছরের রিলেশন তা আমাকে বলিস নি কেন? আর তোকে বিয়ের কথা বললেই পালাস। এবার তোর বিয়ে দিয়েই ছাড়বো।(আদিবা)
-যা খুসি তাই কর।

কিছুক্ষন পর আবার আম্মুর আগমন।
-এই মেয়েটার নাম্বার দে তোহ, আমি নাম্বারটা রাখতে ভুলে গেছি।
-কোন মেয়ের নাম্বার?
-কোন মেয়ে মানে? তুই যাকে বিয়ে করবি তার নাম্বার।
-আমি আবার কাকে বয়ে করবো।
-ঐন্দ্রিলার নাম্বারটা দে।
-০১৯***৪৮৪৩৬

সব কিছু কেমন যেনো গুলিয়ে যাচ্ছে।
সামনের মাসের ২৪ তারিখ নাকি আমার বিয়ে।
এই মেয়ে আমাকে বিয়ে করেই ছাড়বে।বিয়ের দিন তারিখ ঘনিয়ে এলো।
আজকে আমার বাসর রাত, সরি আমাদের বাসর রাত।
সব কিছু খুব থীজি স্পিডে হয়ে গেলো।

-কিরে এখানে দারিয়ে কি করছিস?(আম্মু)
-কিছু নাহ।
-যা রুমে যা, বউমা অপেক্ষা করছে।(আম্মু)
-
পরিশেষে রুমের দিকে যাবার জন্য পা বারালাম।রুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে দিলাম।
এক বিরাট মাপের ঘোমটা দিয়ে খাটের উপর কে যে বসে আছে তা বুঝা যাচ্ছে নাহ।
তাই বুঝার জন্য কাছেই যেতে হবে।
কাছে যাবার সাথে সাথে ঘোমটা খুলে যা দেখলাম, তা দেখার জন্য প্রস্তুত ছিলাম নাহ।
আপনারা আবার অন্য কিছু মনে কইরেন নাহ যে কি দেখলাম।দেখিছি আমার বউকে।
ঐন্দ্রিলা দেখতে এমনিতেই অনেক সুন্দর।
আর আজ আমার মনের আশা পুরন হলো।
এখন থেকে আমার সব ভালবাসা আমার বউয়ের জন্য।
বাসর রাতে কি কি হয় তা কম বেশি সব বয়সের মেয়ে ছেলেদেরই কম বেশি জানা আছে।
কারন আজকাল ছেলে মেয়েরা ইচড়ে পাকা।
তাই এই কথা গুলো না বলাই ভালো।
রাতে অনেক দুষ্টমির পর। ঘুমিয়ে পরলাম।
সকাল হয়ে গেছে অনেক আগে।
কিন্তু পাশে হাত দিয়ে দেখি কেউ নেই।
তার মানে ঐন্দ্রিলা আরোও আগে উঠেছে।
আমি আবার বিছানায় শুয়ে পরলাম।
কিছুক্ষন পর ঐন্দ্রিলার আগমন।
মনে হচ্ছে গোসল করে এসেছে।
ভেজা চুল গুলো তার উজ্জ্বল শ্যাম বর্ণের পিঠে ঝাপটে আছে।
পড়নে হলুদ কালারের একটা শাড়ী।
হলুদ রঙ টাতে তাকে খুব ভালোই মানায়।
জানালা খুলতে যাবে ঠিক তখনই এক টানে নিজের কাছে নিয়ে আসলাম।
-এই ছাড়ো , কেউ দেখে ফেলবে।দরজা কিন্তু খোলা।(ঐন্দ্রিলা)
-না কেউ দেখবে নাহ।
-ছাড়ো বলছি, সারারাত খালি দুষ্টমি করছো, এখন আবার শুরু করছো।(ঐন্দ্রিলা)
-আমার বউ, আমি যা ইচ্ছে তাই করবো।
-উফফ এত ছেলে মানুষি করো নাতো। ছাড়ো।(ঐন্দ্রিলা)
-ওকে, তাহলে একটা পাপ্পি দাও, তাহলে ছাড়বো, নাহলে আজ আর ছাড়ছি না।
-ওকে দিবো, তার আগে দরজাটা চাপিয়ে দিয়ে আসি, তা না হলে কেউ দেখে ফেলবে।(ঐন্দ্রিলা)
-ওকে যাও।
-হাহা। বোকা হাদারাম কোথাকার, তুমি এখন আরো বেশি করে ঘুমাও, আমি যাচ্ছি,(ঐন্দ্রিলা)
-এই এই, তুমি কিন্তু চিটিং করছো,

ফ্রেশ হয়ে অফিসে গেলাম।
আজকে নিজের টাই নিজেই বেধে ফেললাম, বউকে দিয়ে টাই বাধালে নাকি ভালবাসা বাড়ে, কিন্তু আজ সেটা হলো নাহ।
অফিসে চলে গেলাম,
এর মাঝে অনেক কথা হয়েছে।
রাতে বাসায় ফিরে আসলাম।

পরের দিন সকালে টাই বাধার জন্য ঐন্দ্রিলাকে ডাক দিলাম।
-এই আমার টাইটা একটু বেধে দাও তোহ।
-এত বড় হয়েছো একটা টাই ও বাধতে পারো নাহ?(ঐন্দ্রিলা)
(ঐন্দ্রিলা আমার পায়ের উপর দাঁড়িয়ে আমার টাই বাধছে, আর আমি তার দিকে অপলক তাকিয়ে আছি। মেয়েটির নাকের উপর বিন্দু বিন্দু ঘাম জমছিলো। বেশ ভালোই লাগছিলো।)
-এখন কই যাবা, সোনা।
-এই ছাড়ো , প্লিজ।(ঐন্দ্রিলা)
-উহুম, আজ আর ছাড়ছি না, তোমাকে বিশ্বাস নেই, তুমি আবার পালাবে।
তাই তার সেই গোলাপী ঠোটে এক লম্বা পাপ্পি দিয়ে দিলাম।
-আজ রাতে তুমি বাসায় আসো তার পর তোমার মজা দেখাচ্ছি।
অত-পর রোজ সকালে টাই বাধার সাথে সাথে একটা পাপ্পি ফ্রী।
-
ভালবাসাটা সত্যিই অন্যরকম।

সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১০:৩৬
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধার্মিক কে অনুসরণ করুন ভন্ডকে নয় ।

লিখেছেন কিরকুট, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৮

আমরা প্রায়ই নিজেদের ধর্মপ্রাণ জাতি বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসি। কিন্তু প্রশ্ন হলো ধর্ম কি সত্যিই আমাদের নৈতিকতা, মানবিকতা ও সত্যের পথে পরিচালিত করতে পারছে, নাকি কিছু অসভ্য মানুষ ধর্মকে নিজেদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য সাইলেন্ট ইকো

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১০


এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও ফিকশনাল ইনভেস্টিগেটিভ ক্রাইম থ্রিলার। গল্পের সমস্ত চরিত্র, প্রতিষ্ঠান, স্থান, সাল ও অপরাধের মোটিভ লেখকের কল্পনানির্ভর। বাস্তব কোনো ব্যক্তি, পেশাজীবী বা অমীমাংসিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

ক্যাপাসিটি চার্জের পর এবার নজর খাম্বায়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:০৩


বিদ্যুৎ বিল নিয়ে সাধারণ মানুষের অভিযোগের শেষ নেই । বিশেষ করে যারা নির্দিষ্ট বেতনে সংসার চালান কিংবা যেসব পরিবারে কেবল একজন মাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আছেন, তাদের মাসে প্রিপেইড মিটারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২২ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:৫৯



কে হবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি?

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি পদটি সংবিধানের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদ। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মূল্যায়ন যোগ্যতার চেয়ে দলীয় পরিচয়ের ভিত্তিতেই বেশি হয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

চাকরির জন্য সুপারিশ

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৩ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৫৮



গত কয়েকদিন যাবত ফেসবুক, ইউটিউব সহ অনলাইন সকল পত্র-পত্রিকা, টিভি নিউজ সহ এমন কোনো স্থান বাদ নেই যেইখানে এক ব্যক্তির রাজনীতি, সাংসদ, সংসদ, চরিত্র, বিবাহ, কাবিন নামা, প্রথম স্ত্রী,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×