সুশান্ত সিং রাজপুত!?
অসম্ভব হাসিখুশি একটা ছেলে। হুট করে আত্নহত্যা করে বসেছে। ছেলেটি প্রচন্ড মেধবী। সেই 'কাই পো চে' থেকে সর্বশেষ মুভি 'ছিছড়ে'! কি দুর্দান্ত অভিনয়।
'ছিছড়ে' মুভিতে যে ব্যাপার টা কে বড় করে হাইলাইট করা হয়েছিল সেই আত্নহননের দিকেই ছুটে গেলেন সুশান্ত। যেখানে বলা ছিল, 'জীবন মানে সেলেব্রেশন, জীবন মানে উৎসব।"
এত টাকা, সাফল্য, যশ-খ্যাতি থাকার পরে ও কেন এই আত্নহনন। তাও মাত্র ৩৪ বছর বয়সে? শুনলাম, সুশান্ত নাকি ছয়মাস ধরে ডিপ্রেশনে ভুগছিল। ভাবি আর অবাক হই এমন হাসিখুশি ছেলেটার কোন ডিপ্রেশন থাকতে পারে?
ডিপ্রেশন খুব খারাপ জিনিস। একটা হাসি খুশি মানুষের ভিতরে ও এই ভয়ানক ব্যাধির প্রভাব পড়তে পারে৷ এ সময়টাতে তাদের প্রচন্ড মানষিক হেল্প প্রয়োজন।
কেউ ডিপ্রেশনে ভুগছেন? প্লিজ আত্নহননের পথে পা না বাড়িয়ে ফ্যামিলির দিকে তাকান। তাদের কথা ভাবুন৷ ডিপ্রেশপনের সময়টাতে বসে না থেকে নিজেকে অন্যের কাছে প্রকাশ করার চেষ্টা করুন। কাউকে নিজের অভিব্যক্তি, না বলা কথা প্রকাশ করুন। আত্নহত্যা কোনো কিছুর সমাধান না।
আর, ফ্যামিলির অন্য মানুষের উচিত তাদের ফ্যামিলির কার কি অবস্থা, কে কিভাবে সময় পার করছে সে ব্যাপারে নিয়মিত খোজ খবর রাখা।
করোনার প্রভাবে অর্থনৈতিক মন্দা, চাকরী ছাটাই, ইনকামে ভাটা, শিক্ষা জীবনের সময় নষ্ট হওয়া এমন অনেক কারনে ২০২০ সালটা সবার জন্য কুফা। এই বিবিধ কারনে যে কেউ এই মরন ফাদ ডিপ্রেশনে পড়তে পারে৷
কেউ ডিপ্রেশনে পড়লে, প্লিজ না লুকিয়ে প্রকাশ করুন। বাসায় বসে থেকে ডিপ্রেশনে পড়লে টিকটক করেন, কবিতা লিখেন, গল্প লিখেন, গলা ছেড়ে গান গান, ফেসবুক লাইভে আসেন, আড্ডা দেন, কিন্তু প্লিজ আত্নহননের পথে যাইয়েন না।
আমরা সবাই মুক্ত ভাবে বাচি! জীবন কে উৎযাপন করি। জানেন তো," জীবন একটাই।"

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



