জাতির লজ্জা, আওয়ামীলীগের গর্ব
এটা খুবই লজ্জার যে, বাংলাদেশের তথাকথিত সংসদে এ মুহুর্তে তথাকথিত বিরোধী দলের আসনে জাতীয় পার্টি। কিন্তু আওয়ামীলীগের জন্য এটা অহংকারের, গর্বের বিষয়। পতিত স্বৈরাচার এখন প্রধান বিরোধী দল। আচ্ছা একটু অন্যভাবে যদি চিন্তা করি। যেমন জাতীয় পার্টিকে ওখানে রেখেই যদি এমন একটা বিরোধী দল বানানো যায় যারা রাজপথে সংগ্রামে, মিছিলে, মিটিংয়ে ব্যাস্ত থাকবে। তাদের নেতাদের গ্রেফতার নির্যাতন করা হবে প্রতিবাদে ওরা রাস্তায় ভাংচুর, হরতাল করবে, পুলিশ গুলি ছুড়বে, পাল্টা আঘাত হবে, আন্দোলন হবে সহিংস। মোজাবাবু ও তাদের বারনবনীতারাতো আছেই প্রপাগান্ডার জন্য। তাহলে ফলাফলে কি কি হতে পারে।
বিশ্বমোড়ল ও চানক্যবাদীদের হাতে বাংলাদেশের ভবিষ্যত
দেশবাসী ও বিশ্বমোড়লদের বোঝানো সহজ হবে
১. যে বাংলাদেশে ইসলামী জংগীবাদের উত্থান হয়েছে।
২. গনতন্ত্র ও সেকুলারিজম হুমকীর মুখে।
৩. বৃটেন আমেরিকা ভারত বিরোধী শক্তি জেগে উঠছে।
৪. ইসলাম কায়েমের মাধ্যমে নারীদের ঘরে বন্দী করার পাঁয়তারা হচ্ছে।
তাহলে পোয়াবারো হবে আওয়ামীদের। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে। আওয়ামীরা ইন্ডিদের সহযোগীতায় ক্ষমতায় থেকে যাবে চিরকাল। প্রতি পাঁচ বছরে ৫ জানুয়ারী মার্কা ইলেকশান হবে। নিরাপত্তায় লেন্দুপ দর্জির মতো লেডি লেন্দুপ নিয়ে আসবে চৌকষ ভারতীয় কমান্ডো বাহিনী। আপনি আমি যে বিপ্লব করবো তারও কোন সম্ভাবনা নেই। নেই কারন সেনাবাহীনিতে হাজার খানেক "র" সদস্য। বিডিআর হত্যাকান্ডের মাধ্যমে দেশপ্রেমিক সাহসীদের নিঃশেষ করে ফেলা হয়েছে ইতোমধ্যেই। বাকি থাকলো সাহসী তরুন যুবক। বাংলাদেশে সাহসী তরুন যুবক নেই। সবাই আমার মতো ভীতু। কারন আমরা তিন স্তর নিরাপত্তা বলয়ের ভেতর ফাঁসী চাই, খুন কইরা বস্তায় ভরার স্বপ্ন দেখি। কিন্তু একটি সাহসী মিছিল নিয়ে নীলক্ষেত থেকে ক্যাম্পাসে (ঢাবি) ঢুকতে চাইনা। তাই লেডি লেন্দুপকে কিছু করার সম্ভাবনাও দেখছিনা। এছাড়া মিশর, আফগানিস্তানের মতো হোস্টাইল দেশে এখনো কসাই সিসি ও আমেরিকার দালাল কুলাঙ্গার কারজাই সুস্বাস্থের সাথে হেফাজতেই আছে।
শীঘ্রই ফাঁসীর মঞ্চে সাঈদী
ছকটা কিন্তু এরকমই মনে হচ্ছে। তাই খুব শীঘ্রই সাঈদীকে ফাঁসির মঞ্চে তোলা হবে। জামায়াত-শিবির হবে রেবেলিয়াস। বিরোধী দলের অঘোষিত পদে চলে যাবে মিডিয়ার কল্যানে। আবারো আট কলামের শিরোনাম হবে "জামায়াত শিবিরের সহিংসতা"। বিএনপি ক্রমশ হারিয়ে যাবে মিডিয়া কভারেজ থেকে। এখনো মনে করছি এটাই ছক। কারন তারা তারেক জিয়াকে হত্যা করার ষড়যন্ত্রে ব্যর্থ হয়ে বেস্ট অল্টারনেটিভ বের করতে চাইবেই। এবং তাই ইজিপ্ট পদ্ধতিতেই হাঁটছে আওয়ামীরা (ইন্ডিয়া)। এবং ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার বেস্ট ওয়ে হচ্ছে এটাই। ইসলামী প্রতিদ্বন্ধি তৈরি করো, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করো। কামাল আতাতুর্ক, গামাল নাসের, আনুয়ার সাদত, হোসনি মোবারক, বাশার আসাদ, হামিদ কারজাইরা এভাবেই বছরের পর বছর ক্ষমতায় থেকেছে। কসাই সিসিও সে পথেই হাঁটছে। লেডি লেন্দুপের হাতে এমনই ব্লু প্রিন্ট ২০০১/০২ সালের দিকেই "র" কিংবা "মোসাড" তুলে দিয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।
একটা সঠিক সিদ্ধান্ত
এমতাবস্থায় জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিকরা যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করেন তাহলে আমরা কমপক্ষে সিকি শতাব্দির জন্য একটি পাকাপোক্ত সরকারী দল ও একটি পাকাপোক্ত বিরোধীদল পাচ্ছি। বাই দ্যা ওয়ে জামায়াত শিবিরের অনেক ভাই আছেন যারা মুসলিম ব্রাদারহুডের মতো বিরোধী দল হতে পেরেও বগল বাজাবেন কারন তাদের অনেকেই নিজের শক্তির চেয়ে হেকমতি বা কৌশলের শক্তিতে বেশি আস্থাশীল। আর এই হেকমতি করতে করতে বিগত বছরগুলোতে পেয়েছেন শ পাঁচেক নেতা কর্মীর লাশ।
গণবিপ্লব ছাড়া মুক্তি নেই ইন্ডিয়ার হাত থেকে
লেডি হিটলারকে এই ছক বাস্তবায়ন করতে দেয়া যাবে না। লেডি লেন্দুপকে এই খেলা খেলতে দেয়া যাবেনা। ৫ জানুয়ারীর পর থেকে চার মাস অবসর পেয়েছেন, SWOT আ্যানালাইসিস করুন। পাশাপাশি আওয়ামী-ইন্ডিদের অবস্থানও আ্যানালাইসিস করুন। এই চার মাসে যদি আওয়ামীদের চেয়ে দ্বিগুন পরিমান অর্গেনাইজড, চৌকষ, প্রখর, তীক্ষ্ণ, দূর্ধর্ষ ও আত্মবিশ্বাসী না হতে পারেন তাহলে আমাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে। অনলাইনে নিঃস্বার্থভাবে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী ব্লগারা যেভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তার অর্ধেকও যদি সিনিয়র নেতাদের মধ্যে দেখা যায় তাহলে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে কাঙ্খিত কাউকে দেখবো। দেশ ঘুরে দাঁড়াবে আসন্ন বিনাশ থেকে।
লেডি লেন্দুপ হারিয়ে যাবে ইতিহাসের সবচেয়ে নিকৃষ্টতম পৃষ্ঠায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



