যখন কেউ বয়স জানতে চায় সচরাচর আমরা বয়স হিসাব করি ভুমিষ্ঠ হবার পর থেকে, একদিক থেকে ঠিক আছে, আবার অন্যভাবে দেখলে আমাদের শরীরের অনু পরমানুর বয়স কিন্তু আমাদের সমান নয়। অনেক জৈব অনুর বয়স আমাদের চেয়ে যথেষ্ট কম, অন্যদিকে পরমানুগুলোর বয়স আমাদের চেয়ে অনেক বেশী। সত্যিকার অর্থে যে পরমানুগুলো দিয়ে আমরা তৈরী সেগুলো আমাদের জন্মের আগেও পৃথিবীতে ছিল, হয়ত অন্য কোন জীবের শরীরে, বাতাসে, মাটিতে, এমনকি অন্য কোন মানুষের শরীরে। খুব দ্্রুতই এদের হাত বদল ঘটছে, আমাদের জীবদ্দশায় একই পরমানু বহু জনের শরীর ঘুরে যাচ্ছে। এদের বয়স কম করে হলেও 4 বিলিয়ন বছর। স্বভাবতই প্রশ্ন আসবে এর আগে এরা কোথায় ছিল। আসলে হাইড্রোজেন ছাড়া বাকীগুলোর অনেকের জন্ম 4-5 বিলিয়ন বছর আগে হয়েছে, এবং জন্মস্থান হচ্ছে কোন না কোন নক্ষত্রের অভ্যন্তরে। ভারী পরমানুগুলোর (যেমন স্বর্ন, সীসা) জন্ম নিঃসন্দেহে কোন সুপার জায়ান্ট স্টারের অভ্যন্তরে। আমাদের চারপাশে যত বস্তু দেখি, মানুষ, জীব, পাহাড়, সাগর, মরুভুমি সংক্ষেপে পুরো গ্রহটার উপাদান গুলোর উৎস নক্ষত্র।
কিন্তু নক্ষত্রের ভেতরেই যদি জন্ম হয় (কিভাবে হয় পরের পর্বগুলোতে লেখার ইচ্ছা আছে) এগুলো বাইরে আসলো কিভাবে , আর সে নক্ষত্রই বা কোথায়। সহজে বলতে গেলে সে নক্ষত্র (বা নক্ষত্রগুলো) বহু আগেই মারা গেছে (নক্ষত্রের জন্ম এবং মৃত্যু আছে), খুব সম্ভব বিস্ফোরনের ([link|http://en.wikipedia.org/wiki/Supernova|mycvi
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০