পুরো এ্যনিমেশন OpenGL দিয়ে করেছিলাম। শব্দগুলো ইন্টারনেট থেকে মেরে দেয়া। কয়েকটা আলাদা সিস্টেম আছে এখানে যেমন প্রথমে সুপারনোভার বিস্ফোরণ, বৃহস্পতির উপগ্রহ আইও তে আগ্নেয়গিরি, আগুন, ঝর্ণা, আতশবাজি, আর শেষে Boids । আমার যতদুর মনে আছে কার্ল সিমস মনে হয় প্রথম পার্টিকল সিস্টেম তৈরী করেছিলেন, বিশেষত্ব হচ্ছে অসংখ্য গ্রাফিক অবজেক্ট দিয়ে দৃশ্য তৈরী করা। যেমন আগুন বা ঝর্নার ক্ষেত্রে। পুরোটাই একরকম সিমুলেশন, ফিজিক্সের সুত্রগুলোর ওপর ভিত্তি করে। কম্পিউটার গেমস, এবং এ্যানিমেশনে এর বহুল ব্যবহার আছে। এখানে যেমন সুপারনোভা বিস্ফোরনে আমি চারকোনা সারফেস ব্যবহার করেছি, কিন্তু ওগুলো ঘোলাটে দেখাচ্ছে কারন সারফেসের ওপরে একটা ট্রান্সপারেন্ট ছবি আকা হয়েছে। টেকনিকটাকে বলে বিলবোর্ডিং।
আমার একটা লক্ষ্য ছিল বিবর্তনকে এভাবে সিমুলেট করা। আরো অনেকেই করেছে, এরকম আর্টিফিসিয়াল লাইফ। অনেক সময় বেশ মজার প্রানীর তৈরী হয়। কার্ল সিমসের একটা ভিডিও ছিল, ওয়েবে খুজলে হয়তো এখনো পাওয়া যাবে। অবশ্য জেনেটিক এ্যালগরিদমের অনেক দরকারী প্রয়োগও আছে, যেমন জেট ইঞ্জিন ডিজাইন।
পার্টিকল সিস্টেম সিমুলেশনের একটা মজার অংশ হচ্ছে বয়েড সিমুলেট করা। ক্রেইগ রেনল্ডস 80 দশকে ধারনাটার সুত্রপাত করেন। ব্যপারটা হচ্ছে পাখীর ঝাক, গরুর পাল বা এরকম দলবদ্ধ কিছুকে একসাথে সিমুলেশনে ফেলে দেয়া। এর উদাহরন এ্যানিমেটেড মুভিতে নিশ্চয়ই দেখেছেন আপনারা। তিনটা সরল সুত্রের ওপর নির্ভর করে বয়েডগুলোর গতিবিধি হিসাব করা হয়, এবং সারপ্রাইজিংলি এগুলোকে বাস্তবের পাখীর ঝাকের মতো মনে হয়। উপরে আমার দেয়া মুভিতে আছে একদম শেষে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



