কামনার তীব্রতম আগুনে ঢেলে দিয়ে এক জীবনের বরফ
আমি নির্বিকার হেঁটে যাবো তোমার বিছানা অবধি।
আর ঘন্টার পর ঘন্টা সেখানে চলতে পারে যৌন বিষয়ক আলাপ
আমরা দুজনেই বর্ননা করতে পারি নারী ও পুরুষের সংঘাতময় রতি
হতে পারে সেটা ভঙ্গী অথবা অনুভব। হতে পারে সাধারনের বাইরে কোন বিচ্যুতি;
তার পরও । সবটাই বর্ণিত হওয়ার অদ্যাবধি আগে ও পরে , সবটাই একাডেমিক।
তোমার ও আমার আচরনে, সতর্ক দূরত্বে , আমরা শুধু তাই করবো, যা কিছু "ঠিক"।
আমরা ভুল করার ব্যাপারে অত্যন্ত সুচারু সৈনিক ।
তুমি বুঝবে আমার বলা , এবং না বলা সব কথাই।
আমাদের সংযোগ বরাবরই ছিল হীরক দ্যুতিময় আর সাবলীল ভাষাতীত।
আমরা বোঝাবুঝির বোঝাটুকু হালকা রাখতে বাড়িয়ে নেব দূরত্বের ভিত।
কাছে আসাটা কঠিন ছিল না , ছিলো অনিবার্য ।
তবু তুমি আমি কেউই ভাগ্যবাদী নই। বরং পরস্পর ঈশ্বরে সমর্পিত ।
আর্য রক্ত দুজনার শরীরেই প্রবল আগুনের জ্বল জ্বল সাক্ষী ।
আমাদের দুজনের স্বপ্নেই থাকে শান্ত , শাপলাময় ময়ূরাক্ষ ী ।
কি আর হতো !
হঠাৎ হারিয়ে ফেলা একমাত্র ভরসার স্থানটুকু খন্ডিত আকারে ফেরত পেতাম হয়ত।
আরেক বার তুমি বলার সুযোগ পেতে , "এখনো শিশু, ভীষন ভীষন শিশু"।
আমি হাসতাম আর উত্তরে বলতাম, "বড় হতে সাহায্য করো । আমি কারও হাত ধরতে ভয় পাই।"
কিন্তু সে দায় তুমি নেবে কেন?
আমি গুটিয়ে নিয়েছি সমস্ত স্বপ্নময় জাল।
যেখানে বাতাসেই অক্সিজেনের আকাল!
ফুসফুসে একটুও লাল না পেলে আর কিছু যায় আসে না।
বেঁচে ওঠার আহবান টুকু তুমিই জানিয়েছিলে ।
তবে যাপিত অন্ধকারে অন্ধ বেঁচে ওঠার চেয়ে যে মরে থাকা ভালো,
এই সিদ্ধান্তে দারুন যুক্তিপূর্ণ ছিলো কোমায় থাকা।
নাহ!
বন্ধু হতে পারতে ।
প্রেম প্রচন্ড স্বার্থপর সম্পর্ক । ওটা একেবারেই বাদ থাকুক।
আমরা দুজনেই জানি কি করে লুকাতে হয় যা রাতের মতই স্পষ্ট ।
একা একা হাঁটতে হাঁটতে এই টুকুই মনে হয় ।
বন্ধু কি হতে পারতে না?
দাবীহীন কোন বন্ধুত্বের দাবী কি এখনো করতে পারি?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


