শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে যে কি হইবো সেইটা বর্তমান সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার জানে...কিন্তু আওয়ামি সমর্থকেরা তার বিরুদ্ধে মামলা হওন আর তার দেশে আসা ঠেকানের ঘোষণা দেওনের আগ পর্যন্ত যে চুপ ছিলো, তার রহস্য একটাই...বিএনপি'র ভাইঙ্গা যাওয়া দেখতাছিলো তারা।
90 পরবর্তী সব সরকারের আমলেই ব্যবসায়িরা ঢুকতাছিলো রাজনীতিতে, আর যেইসব রাজনীতিবিদ দল গুলির শীর্ষস্থানীয় নেতা ছিলো, তারাও ব্যবসায়ে তাগো সম্ভাবনা দেখতেছিলো। এই দুই শ্রেণীর কামড়া-কামড়িতে ক্ষমতার ভাগাভাগির সাথে টাকারও ভাগাভাগি চলতে ছিলো।
এই সুযোগে দেশের তাবৎ দুই নাম্বার ব্যবসায়িগো লগে খাতির জমতেছিলো দুই নাম্বার এইসব রাজনীতিবিদগো। 97'এর পর আওয়ামি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হইছিলো নজরুল ইসলাম বাবু...কারণ তার লগে আন্ডার ওয়ার্লডের যোগাযোগ ভালো আছিলো। বিএনপিতো কিংবদন্তীর হাওয়া ভবন বানাইয়া দিলো বাজীমাত কইরা। ভবন আর সিন্ডিকেট কেন্দ্রীক রাজনীতি কে আগে শুরু করছিলো সেইটা মনে হয় না বিবেচনায় আসা উচিৎ, ক্ষমতায় থাকা সব দল মিলা এই দুইটারে যেমনে পৃষ্ঠপোষণা করলো তা দেইখা কিন্তু সকলেই ভয় খাইয়া যাইতেছিলো!
এইবার সেনা তত্ত্বাবধায়ক ক্ষমতা নেওনের পর, তাই মধ্যবিত্তরা তাগো শুচিবাই থেইকা খুশি হওনের অবকাশ পাইলো, এই শুচিবাইও নিশ্চিত খুব ভালো জিনিষ না। এই শুচিবাইয়ের লেইগা এরশাদ 9 বচ্ছর থাকবার পারছিলো, এই শুচিবাইয়ের লেইগা ঢাকার সব এমপি এক দলের হইছে। হুজুগ আর জোয়ারের রাজনীতি চলে এই শুচিবাইয়ের কারণে...ক্যান জানি মধ্যবিত্ত সবসময় জিততে চায়, তাগো সব নড়াচড়াতেই সাফল্য লাগে। ঠিক-বেঠিক নির্ধারিত হয় সাফল্যের মানদন্ডে।
এতো কথা কইলাম একটা আহ্বান জানাইতে, আসেন এইবার আমরা একটু ভাবি আমাগো পরবর্তী রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের পাল্লা কোন দিকে যাইবো! কার ডাকে আমরা ঝাপাইয়া পরুম...শহুইরা মধ্যবিত্তরাও নিশ্চিত বর্তমান রাজনৈতিক অবস্থারে খুব স্বাভাবিক ভাবতেছেন না? আসেন পরিবর্তনের রাস্তা খুঁজি!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

