কলেজ,ভার্সিটি পাশ করলেন তবুও কেও কখনো জিজ্ঞেস করার দরকার মনে করলো না আপনার বাবা/মা কি করেন।
চাকরি করছেন সেখানেও কেও আপনার ব্যাকগ্রাউন্ড স্ট্যাটাস নিয়ে মাথা ঘামায় না।
কিন্তু
যখনই ভালোবেসে কাউকে কাছে নিতে যাবেন,জীবনের সঙ্গী
হিসেবে পেতে চাইবেন তখনই উপরের এতদিন না জিজ্ঞেস করা বিষয়গুলিই যেন বড় ফ্যাক্ট হয়ে দাড়ায়।
এমনকি ফ্যামিলি তে কারো ডায়াবেটিক
বা হাপানী আছে কি না,পূর্বে কারো একাধিক বিয়ে হয়েছে কি
না,কারো বউ পিটানোর অভ্যাস আছে কি না,এলাকার অবস্থান বা যাতায়াত ব্যবস্তা কেমন ইত্যাদি!
ভেবে মাঝেমাঝে হাসি পায়।
,
আমার এক চাচ্চু ঐদিন বলছিলো,তাঁর এক বন্ধু তাঁর সাথেই ডিপ্লোমা পাশ করে তিন-চার বছর হলো গ্রামে গিয়ে
বিশাল মুরগির ফার্ম এবং সবজীর চাষ করছে।লাখ লাখ টাকা ইনকাম এখন যেখানে চাচ্চুর ইনকাম ধারেকাছেও নেই।
কিন্তু বিয়ে করতে গেলে শিক্ষিত,সম্ভান্ত্র কোন ঘরের
মেয়েকেই বিয়ে দিতে রাজি হয় না মেয়ের বাবা মা অই বন্ধুর কাছে।
আরেক বড় ভাই টিউশনি করে মাসে প্রায় ষাট হাজার টাকা ইনকাম করেন।কিন্তু ইনকামের কথা শুনে মেয়ে পক্ষ রাজি
হলেও ইনকাম সোর্স শুনে পিছিয়ে যায়!
,
অন্যদিকে,মেয়েটা বেশ সুন্দরি,শিক্ষিতা।কিন্তু মেয়ের বাবা বেড়া
বানায় বলে কোন ভালো ঘরের প্রস্তাব আসলেও তা পিছিয়ে যায়।
কিন্তু মানিকগঞ্জের মেয়েটার ফ্যামিলি সেইরকম প্রভাবশালী।
মেয়েটা অজানা এক কারনে অশিক্ষিত। তবুও অনেক সম্ভান্ত্র
ছেলেপক্ষ সেখানে হুড়মুড় করে লেগে থাকে বিয়ে করার জন্যে।
,
সত্যি বলতে,সবাই চায় স্ট্যান্ডার্ড স্ট্যাটাস, ইনকাম ডাল ভাত খাওয়ার মত হলেই হলো।কি অদ্ভুত!
আসলে বিয়ে জিনিস টাই তো অদ্ভুত.....।
(ইনকামও চায় অনেকে)
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০১৭ সকাল ১১:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



