যখন খুব কস্টে চেপে রাখা অভিমানের কথা গুলো বলার জন্য এদিক-ওদিক তাকাই, তখন কাওকেই খুঁজে পাইনা। সবাই নিজের অভ্যন্তরেই মগ্ন। হয়ত তারাও কোন একসময় চারপাশে তাকায় একটু সহানুভূতির আশায়,কিন্তু তখনও সবাই হয়ত নিজেতেই মগ্ন থাকে।
কিন্তু তবুও সবার পাশেই একজন না একজন থাকা উচিত অভিমানের কথাগুলো শোনার জন্য। হয়ত থাকেও... কিন্তু না শোনার ভান করে নিজেকে আড়াল করে রাখে।
নিজেকে আড়াল করে রাখা মানুষগুলো এমন ভাবে থাকে, যাদের দেখা যায় কিন্তু চেনা যায় না।
রোজ তাদের সাথে কথা হয় কিন্তু মনের ভাব প্রকাশ করা হয়ে উঠে না।
প্রতিদিন তারা হাসে কিন্তু সে হাসিতে প্রাণ থাকে না।
তাদেরকে জীবনের সাথে জড়িয়ে নিতে মন চায় কিন্তু সাহসে কুলোয় না।
সবার সামনে চিৎকার করে না হোক, তার কানের কাছে ফিসফিস করে বলতে ইচ্ছা করে "আমি আপনাকে/তোমাকে/তোকে খুউউব ভালবাসি" কিন্তু দুজনের মাঝের পর্দাটা সরাতে ইচ্ছা করে না। যদি দেখি পর্দার ওপাশে কিছুই নেই, সেই ভয়ে।
পর্দার উপরের ছায়া দেখতে রাজি আছি তবুও পর্দা সরাতে গিয়ে তাকে হারিয়ে ফেলার রিস্ক নিতে চাইনা।
মাঝে মাঝে মনে হয় আমার হৃদয়ে যেমন ঘটছে,তার হৃদয়েও হয়ত তেমনই হচ্ছে। আবার মনে হয়, নাহ্! কি উল্টাপাল্টা ভাবছি।
ওরা হয়ত একটু রহস্যময়তা পছন্দ করে, করুক না। আমিও দাঁতে দাঁত চেপে থাকব। যেদিন ভিতরের ফুটন্ত লাভা আর সামাল দিতে পারব না সেদিন নিজেকে নিংড়ে সব বলে দেব। গ্রহন করা না করাতে তখন আর আমার কিছু যাবে-আসবে না। নিজেকে বিজয়ী অথবা ডাস্টবিনে আবিষ্কার করার মানসিকতা নিয়েই সেদিন তার কাছে যাব।
পৃথিবী জয় করার মত যোগ্যতা বা ধৃষ্টতা আমার নেই। কিন্তু একজন মানুষকে তো জয় করার চেষ্টা বা আশা করতেই পারি।
আমার বিশ্বাস, সৃষ্টিকর্তা সবাইকেই একজন মানুষের হৃদয় জয় করার মত ক্ষমতা দিয়েই পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০১৫ ভোর ৪:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



