
- ভয় লাগতেসে?
- হুম, খুব!
- পাগল! আমি আছি না!
- এজন্যই তো ভয়টা বেশী… হাহাহাহাহাহাহা…
- আস্তে, একদম আস্তে! অপারেশনের আগে ডক্টর হাসতেও নিষেধ করসে!
- মানে কি? আমি হাসতেও পারবো না?
- না!...
- এইটা কেমন কথা!!
- উফ! বুঝতেসো না ক্যান তুমি… এত প্রশ্ন করতেসো ক্যান, একদম চুপ, কথা কম!
- হুম…
- ভয় লাগতেসে, না?
- হুম… ভালো লাগতেসে না কেনো জানি!
- (কপালে চুমু দিয়ে) আমি আছি তো বোকা! you are going to give birth a wonderful baby! এর চেয়ে খুশির কোনো বস্তু হতেই পারে না আমাদের জন্য!
- হুম । তুমি সবকিছু কিনে রাখসো তো? যা যা লাগে…
- তোমার ওইসব নিয়ে টেনশন করা লাগবে না… তুমি শুধু একটু মেন্টালী স্ট্রং হওয়ার চেষ্টা করো!
- হুম, খুব কান্না পাচ্ছে… (বলে হাউমাউ করে কেঁদে ফেলে)
- কেনো?!!! বোকা মেয়ে... কি বলতেসো তুমি এসব!
- ডেলিভারির সময় বাবুটা অনেক ব্যাথা পাবে, না? অনেক কান্না করবে!
- তা তো একটু পাবেই… তবে ওইটা অতো গুরুতর না, কান্না করাই তো স্বাভাবিক, কেউ তো আর হাসতে হাসতে পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়না... তোমার ওইসব নিয়ে একদম ভাবার দরকার নাই! একটু পানি খাও, নাও… (বোতল এগিয়ে দিয়ে)
দুর থেকে একজন নার্স ইশারা দিয়ে রোগী কে নিয়ে যেতে বললেন । ইশারা পেয়ে আরেকজন নার্স হুইল চেয়ারে বসা অন্তঃসত্ত্বা মীরা কে টেনে নিয়ে যেতে শুরু করলো । খুব খারাপ লাগতেসে মীরার, ইমোশনালী… ভয়ও পাচ্ছে অনেক । প্রথম সন্তান বলে কথা । অায়ান ওর ভালোবাসার মানুষ, গতবছরই বিয়ে হলো ওদের । হুইল চেয়ারে করে যেতে যেতে আয়ানকে দেখছে মীরা । কেনো যেন মনে হচ্ছে ওর, আর কোনেদিনই মনে হয় ওদের আর দেখা হবে না । দুর থেকে আয়ানের মুখটা ভালো করে দেখছে, আর কাঁদছে । আয়ান হাসছে মীরার কান্না দেখে, হাসিটা সুখের, আনন্দের! অবশেষে পূর্ণতা পেতে যাচ্ছে ওদের সম্পর্ক টা ।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



