সেদিন বেলা আড়াইটার পর মিরপুর সেনানিবাস থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতি চলে গেলেন। বুঝতেই পারছেন একটা প্রচন্ড চাপ পড়লো রাস্তায়। ১২নং বাস স্ট্যান্ড থেকে আমি হুড়মুড় করে একটা বাসে উঠে বসলাম। গাড়িটা চলছে চলছে, গতি খুব ক্ষীপ্র। হঠাৎ একটা ব্রেক। ক্যা- অ্যা- অ্যা- অ্যা- অ্যা শব্দ চাকার নিচে। ভিতরে হুড়মুড় করে পড়ল দাড়ানো সবাই। মহিলারা চিৎকার মারল। পাশ কেটে গাড়ীটা আবার ছুটল। মজার ব্যাপার হল ড্রাইভারের বামে লম্বা সিট থেকে একজন মহিলা উচ্চ স্বরে বলতে লাগল, “ওমা! এত ছোট ছোড পুলা ক্যান? হে, তো পুচক্যা, এই ছেলে থামা, গাড়ী থামা... এত ছোট ছেলে কি পারে? ও মোর আল্লাহ! ম্ইু যাই কোম্বে... ...। কথাগুলো হাসির ছিল কিন্তু, পাশের মহিলারাও যোগ দিল। সিট থেকে উঠে ড্রাইভার খুঁজি, দেখি ও মোর আল্লাহ। সত্যি সত্যি সিটের বাইরে তার শরীর দৃশ্যমান ছিল না।
গাড়ী কিন্তু চলছে। ১০ নম্বর গোল চক্করের আগেই সটকে পড়ব ভাবছি, এমন সময় একটা জ্যামে দাঁড়ালো গাড়ীটা। এবার পুচক্যাটা সিট থেকে উঠে নেমে পড়ল।
আর আসল ড্রাইভার স্টিয়ারিং ধরল।
গাড়ী চলছে। চলছে ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ- ঐ মিরপুর-১০ টু ১২ এবং ফিরতি পথ ১০নং পর্যন্ত। এটা অলিখিত। সবার অলক্ষ্যে। ধরা পড়বে কেবল যাত্রীর চোখে, ভয় পাবে, চিৎকার দিবে যাত্রী, এদের চলা, আর চালানো দেখে। এটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ওয়েট এ্যান্ড সি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



