somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় ?

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১২:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সরকার পেটাচ্ছে! বি এন পি চেঁচাচ্ছে ! আমরা কাঁপছি আর ভাবছি।কি হবে? এভাবে কতকাল ? এক সময় সোনার বাংলা চাইতাম। যখন দেখলাম সেটা সম্ভব না তখন চাওয়াটা কমিয়ে এনে একটা সুন্দর বাংলা চাইলাম এখন আর সুন্দর বাংলাও চাই না । এখন স্বপ্ন দেখি একটি "সুস্থ বাংলা"র।আমার জন্য নয় আমার সন্তানের জন্য।

আমার সয়ে গেছে আসলে বাধ্য হয়ে সয়েছি। না সয়ে যে উপায় নেই কিন্তু এখন যে সইবার উপায়ও নেই !!এখন হয় পেটাতে হবে না হয় চেচাঁতে হবে কাঁপাকাঁপির সূযোগ নেই। তবুও কাঁপতে হয়। সবাইর পক্ষেতো চেঁচানো আর পেটানো সম্ভব নয়। আমরা সেই দলে।আমরা কাঁপছি।

ছোট বেলায় একটা গল্প পড়েছিলাম ,একটু চেষ্টা করে দেখি গল্পটা কতটুকু মনে আছে ।

সৈয়দ আলী আর মেহের আলী দুই বন্ধু। একেবারে ন্যংটা কালের বন্ধু।একই গ্রাম একেবারে পাশাপাশি বাড়ী।একসাথে বড় হয়েছে একই স্কুল-কলেজে পড়েছে।চাকুরিতে যোগদানের পরও তাদের মধ্যে আগের মতই যোগাযোগ ছিল।
চাকুরি থেকে অবসর নেওয়ার পর তারা দুই বন্ধু মিলে সিদ্ধান্ত নিল তারা গ্রামে চলে যাবে এবং আমৃত্যু সেখানেই জীবন কাটাবে।
গ্রামে তাদের জমি-জিরাত নেহায়েৎ কম ছিল না।নিজেদের ভিটির উপর ঘব-বাড়ী তুলে তারা বেশ সুখেই জীবন কাটাচ্ছিল ।

এ বাড়ীতে ভাল কিছু রান্না হলে ও বাড়ীতে যাচ্ছিল ওবাড়ীতে পিঠা-পুলি তৈরী হলে এবাড়ীতে আসছিল।

তাদের বাড়ীর সীমানার মাঝামাঝি একটি বাঁশঝাড় ছিল্।এর প্রকৃত মালিক কে তা নিয়ে তাদের মাথাব্যাথা ছিল না। যার যখন প্রয়োজন হতো সেই বাঁশ কেটে নিত । এভাবেই চলছিল।

ব্যাপারটা একদিন গ্রামের মাতাব্বরের চোখে পড়লো।একদিন মেহের আলীকে বাঁশ কাটতে দেখে মাতাব্বর সৈয়দ আলীকে বুজাতে সমর্থ হলো যে যেহেতু বাঁশ ঝাড়টির মালিকানা নির্ধারিত হয় নি তাই মেহের আলী বাঁশ কাটার আগে সেয়দ আলীকে জিজ্ঞাসা করা উচিত ছিল !

এভাবেই শুরু। মাতব্বরের উসকানিতে তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধ শুরু হলো এবং গ্রামে দুটি পক্ষের সৃষ্টি হলো ।

এক সময় এই বিরোধ আদালত পর্যন্ত গড়াল। দীর্ঘ দিন মামলা চললো।এক সময় এই মামলা শেষ হলো।

মামলা শেষ হওয়ার পর সৈয়দ আলী আর মেহের আলী হিসাব করতে বসলো।

হিসাব করে দেখলো তাদের কাছে এখন শুধু ভিটে-বাড়ীটা আছে আর সবকিছু মাতাব্বরের পেটে।


গনতন্ত্রের রক্ষকরা একদিন হয়তো দেখবেন গনতন্ত্রটা আপনাদের হাতে ক্ষমতাটা অন্যদের হাতে।
না আমি কোন "ইউনিফর্ম"ধারীদের কথা বলছিনা আমি বলছি "পরজীবীদের" কথা।
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ঢাকার কাকগুলো গেলো কোথায় ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১:১০


স্কটল্যান্ড থেকে ২০২৪ সালে ফিরে আসার পর থেকে আমি একটা অদ্ভুত পরিবর্তন টের পাচ্ছি। সকালের শব্দটা যেন অন্যরকম হয়ে গেছে। আমার বার্ডওয়াচার বন্ধুরা বছরের পর বছর ধরে সতর্ক করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

সুস্থধারায় ফিরছে রাজনীতি; আম্লিগের ফেরার পথ আরো ধূসর হচ্ছে

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:১০


গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে বক্তব্য দেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে একে অপরের মধ্যে কোথাও কোথাও... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশে টেকসই পরিবর্তন আনতে এই 'প্ল্যান'-গুলো আমাদের পরবর্তী প্রধানমন্ত্রীর লিস্টে আছে কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮



আসসালামু আলাইকুম।
দেশে টেকসই পরিবর্তন আনতে নিচের বিষয়গুলোর উপর নজর দেওয়া জরুরী মনে করছি।

প্ল্যান - ১
বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রত্যেকটিতে গবেষণার জন্যে ফান্ড দেওয়া দরকার। দেশ - বিদেশ থেকে ফান্ড... ...বাকিটুকু পড়ুন

ছায়া মন্ত্রীসভা : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত !

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:০৮

ছায়া মন্ত্রীসভা : বাংলাদেশ প্রেক্ষিত !



বাংলাদেশে নূতন ভাবে এই প্রসঙ্গটি আসতে শুরু করছে ।
আমাদের আইনে এই ব্যাপারে নির্দিষ্ট কিছু আছে কিনা জানা নেই । তবে বিরোধী দল সংসদে
তাদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

পবিত্র হজ্জ্ব- ২০২৫ এর মায়াময় স্মৃতি….(৮)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১২:১০

আমরা ০৯ জিলহজ্জ্ব/০৫ জুন রাত সাড়ে দশটার দিকে মুযদালিফায় পৌঁছলাম। বাস থেকে নেমেই অযু করে একসাথে দুই ইকামায় মাগরিব ও এশার নামায পড়ে নিলাম। নামাযে ইমামতি করেছিলেন আমাদের দলেরই একজন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×