somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সুন্দরবনের তেল এবং "গনত্ন্ত্রের" তেল।

০৬ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১:২৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গত ৯ই ডিসেম্বরে সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে তেলবাহী ট্যাংকার ডুবে প্রায় ৪০ কিলোমিটার এলাকার পানিতে এই তেল ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে হৈ চৈ কম হয় নি বিশেষ করে পরিবেশবিদরা সুন্দরবনের ভবিষৎ নিয়ে আতংকিত হয়ে পড়েন।বি এন পির পক্ষ থেকে একটি তদন্ত দল পাঠানো হয়। কেউ কেউ আবার এতে ষড়যন্ত্রের আভাসও পেয়েছেন। পত্রিকাওয়ালাদের ঘুম হারাম হবার অবস্থা।তেলে সয়লাব কালো কুচকুচে পানি দেখলাম।গাছের গোড়ায় তেল লেপ্টে থাকতে দেখলাম সেই তেল মানুষের শরীরের সাথে লেপ্টে থেকে উঠে আসতে দেখলাম।
আধুনিক কোন যন্ত্রপাতি নয় আধুনিক "সভ্যতা" বঞ্চিত কিছু মানুষ নিজের শরীরের সাথে মেখে সে তেল পানি থেকে উঠিয়ে আনলো।একটা তেল কোম্পানি সে তেল কিনে নিল ।সুন্দরবনের বিপদ অনেকটা কমে গেল।বেঁচে গেল সুন্দরবন।

সুন্দরবনের জীববৈচিত্রের যে ১২টা বেজেছে তাতে নৌ-মন্ত্রী ছাড়া সবাই একমত ছিল।এই জীববৈচিত্র রক্ষা করতে বিদেশী বিশেষজ্ঞদেরও ডাকা হয়েছিল।তাদের ধারনা দীর্ঘ মেয়াদি কোন ক্ষতি হবে না ।

সুন্দরবন হয়তো রক্ষা পাবে।প্রকৃতি নিজেই তাকে বাঁচিয়ে দেবে কিন্তু মানুষ নামক জীবরা কি সুন্দরবনকে বাঁচতে দেবে ?যে ভাবে নদী নালা খাল-বিল ডোবা ,গর্ত ,পাহাড় এমনকি কবরস্থান পর্যন্ত দখল হয়ে যাচ্ছে তাতে সুন্দরবন আর কতদিন।
যতটুকু জানি সুন্দরবনের "বিপদ সীমার" মধ্যে এখন মানুষও বসবাস করে! সুন্দর বনের জীববৈচিত্রের মধ্যে এখন মানুষ নামক জীবও অন্তর্ভুক্ত।

সুন্দরবন টিকে যাবে এই ফার্ণেস তেল থেকে।

কিন্তু আমরা কিভাবে বাঁচবো "গনত্ন্ত্রের তেল" থেকে? সারা দেশ ভাসছে গনতন্ত্রের তেলে। সারা দেশের মানুষের শরীর এই তেলে মাখামাখি। একেবারে কালো কুচকুচে গনতন্ত্রের তেল।

দুটি তেলের ট্যাংকার পরস্পরের দিক কাত হয়ে "গনতন্ত্রের" তেল ঢেলেই চলেছে! আমাদের নিশ্বাস নেওয়াই কঠিন হয়ে পড়েছে।

আপনারা ডুবতে চাইলে ডুবেন দয়া করে আমাদরকে ডুবায়েন না!!
সুন্দরবনের জীববৈচিত্রের জন্য আপনাদের এত দরদ তার থেকে কিছুটা দরদ দেশের জীববৈচিত্রের জন্য দেখানো যায় না ?

আসলে ক্ষমতার বৈচিত্রের কাছে সবধরনের বৈচিত্র সৌন্দর্যহীন,মূল্যহীন !


০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একজন ব্লগার

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:০৯

যখন একজন ব্লগার
টরন্টো সময়ঃ সন্ধ্যা ৭ঃ০৩ ২রা অক্টোবর ২০২৬
বাংলাদেশ সময়ঃ ভোর ৫ঃ০৩ ৩রা অক্টোবর, ২০২৬

...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৫

৩৬ জুলাইয়ের বিপ্লবের পর বাংলাদেশে সবচেয়ে দৃশ্যমান পরিবর্তনটা বোধহয় সরকারে নয়- আমাদের আচরণে!

আমাদের মধ্যে বৃহত্তর একটা অংশের বদ্ধমূল বিশ্বাস- আইন মানতে হবে না, নিয়ম মানা বোকামি, সরকারের সবকিছুই মানুষের মৌলিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম মাহদী আসার আগে নেতৃত্ব দাবী করা সকল দলই গোমরাহের পথে আছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৭

সেক্যুলার দলকে সমর্থন ততো দিন পর্যন্ত দিয়ে যেতে হবে, যতো দিন ইসলামী দলগুলো 'যোগ্য' না হয়ে উঠছে।
বাংলাদেশের কোন ইসলামী দলই দেশ চালাতে সক্ষম নন।

ইসলামে বলা... ...বাকিটুকু পড়ুন

চেগা মিয়া

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০



সকাল ৭ টা। আশ্বির্নের মাঝামাঝি।
হাজী শারাফত আলীর ছেলে মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। রাতে তার ভালো ঘুম হয়নি। তার ভাই বোনদের কথা মনে পড়লেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ চোরের উপরে বাটপারি!!!!!

লিখেছেন ভুয়া মফিজ, ০৩ রা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৭



টুং করে একটা নোটিফিকেশান আসলো।

ফাৎনার নড়াচড়া দেখে বুঝলাম, বড়শিতে একটা 'ব্রাউন ফিস' ধরা পড়েছে। এখন টেনে তোলার আগে খানিকটা খেলতে হবে। মৎস্য শিকারীরা জানে, এই কাজটা খুবই রোমাঞ্চকর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×