আমি সকাল থেকেই কান্নাকাটি করছি মিষ্টি খাওয়ার জন্য। আব্বা বিকেলে অফিস থেকে এসে আমাকে নিয়ে বাজারে গেলেন। একটা মিষ্টির দোকানে ঢুকে এক কোনায় নিয়ে বসালেন যাতে আমার মিষ্টি খাওয়া দেখে কারো নজর না লাগে।
বয়কে চারটা মিষ্টি আনতে বললেন। আনার পর আমি গপাগপ চারটা মিষ্টিই খেয়ে ফেললাম। আব্বা বয়কে বললেন "আরো চারটা নিয়ে আস"
এবার একটা খেলাম। তারপর আমার মিষ্টি খাওয়ার গতি আস্তে আস্তে কমতে লাগল। আরও একটা কোন রকমে খেলাম। তারপর মুখ কাচুমাচু করে আব্বাকে বললাম "মিষ্টিগুলো তিতা লাগছে কেন?"
ঘটনা দুই:
রাতে আমি আর আমার ছোট ভাইকে আম্মা দুধভাত খেতে দিলেন। যথারীতি আমি চিনি বেশী নিলাম। আরও একটু চিনি নেওয়ার জন্য হাত বাড়াতেই আম্মা আমার দিকে কটমট করে তাকালেন। তাই আর নেওয়ার সাহস পেলামনা। ভাত খেতে শুরু করলাম। ভাগ্য আমার প্রতি সেদিন সদয় (নাকি নির্দয়
দেখি আম্মা আমার দিকে তাকিয়ে মিটিমিটি হাসছেন।
আসলে হয়েছে কি, আমাদের লবনের এবং চিনির বয়াম দুটো ছিল একই রকমের। যখন কারেন্ট গেল আম্মা বুঝতে পেরেছিলেন আমি চিনির বয়ামে হামলা চালাব। তাই আম্মা চিনির বয়ামের যায়গায় লবনের বয়ামটা কৌশলে রেখে দিয়েছিলেন।
ঘটনা তিন:
মাস ছয়েক আগের ঘটনা,
অফিসে আমি চা তেমন খাইনা কিন্তু কনডেনসড মিল্কের প্রতি একটু স্পেশাল দুর্বলতা আছে। আমাদের অফিস সহকারী জসিম সেটা জানত। একদিন ও চা বনাচ্ছে, আমি কনডেনসড মিল্কের কৌটা থেকে আঙ্গুলের ডগায় করে একটু দুধ নিয়ে খেলাম। জসিম হটাৎ আমাকে চ্যালেনজ করে বসল আমি যদি এককৌটা দুধ পুরোটা খেতে পারি তাহলে সে নিজের পকেটের টাকা দিয়ে এককৌটা দুধ অফিসের জন্য নিয়ে আসবে এবং আমাকে দশ টাকা দেবে। আমি মনে মনে ভাবলাম জসিম মিয়া তুমি বাঘের গুহায় পা দিয়েছ
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মার্চ, ২০০৬ রাত ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


