বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের প্রতিটি বাঁক এক একটি দীর্ঘ সংগ্রামের সাক্ষী। এই সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে একটি বিশেষ আদর্শ এবং একটি পরিবার, যারা বারবার প্রতিকূলতার মুখে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের মানুষের কথা বলেছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান থেকে শুরু করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমানে জননন্দিত নেতা তারেক রহমান এই পরম্পরা কেবল রক্তের উত্তরাধিকার নয়, বরং এটি একটি সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক দর্শনের ধারাবাহিকতা। সম্প্রতি ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর ভূমিধস বিজয় এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠন সেই আদর্শের ধারাবাহিকতার ই প্রতিফলন। তবে এই নতুন যাত্রাপথে অতীতের ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেওয়া এবং আগামীর ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সজাগ থাকা অপরিহার্য। বাংলাদেশের রাজনীতির বিবর্তন লক্ষ্য করলে দেখা যায়, ১৯৭৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান যখন সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে 'বাকশাল' গঠন করেন, তখন সদ্য স্বাধীন দেশ একদলীয় শাসনের যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে এক গভীর সংকটে নিমজ্জিত হয়েছিল। সেই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি থেকে জাতিকে মুক্তি দিয়েছিলেন তৎকালীন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহী-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলাদেশের ত্রাতা। তিনি কেবল একাত্তরের স্বাধীনতার ঘোষকই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন বাংলাদেশে বহুদলীয় ও উদার গণতন্ত্রের প্রকৃত প্রবর্তক। ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি একটি সুশৃঙ্খল গণতান্ত্রিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেন এবং ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি অবাধ ও নিরপেক্ষ দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদীয় রাজনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করেন। তার শাসনামলে প্রবর্তিত মুক্তবাজার অর্থনীতি, খাল খনন কর্মসূচি এবং পোশাক শিল্পের প্রাথমিক পৃষ্ঠপোষকতা আজকের বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে মজবুত করেছে। এমনকি প্রবাসীদের পাঠানো আয় বা রেমিট্যান্সের যে বিশাল ভিত্তি আজ আমরা দেখি, তার প্রাতিষ্ঠানিক সূচনাও হয়েছিল জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী পদক্ষেপে।
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক বিচক্ষণতা এবং উদারতা পরবর্তীকালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মাঝে পূর্ণরূপে বিকশিত হয়েছিল। বেগম খালেদা জিয়া কেবল একজন সফল রাষ্ট্রপ্রধানই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন আপসহীন গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনি জিয়াউর রহমানের শাসনামল ও রাজনীতিকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন এবং ধারণ করেছেন। তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রমাণ পাওয়া যায় তার বিভিন্ন বক্তব্যে, যেখানে তিনি বারবার সতর্ক করেছিলেন ষড়যন্ত্রকারীদের চরিত্র নিয়ে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে তার দেওয়া সেই ঐতিহাসিক সতর্কবাণী গুলি আজ বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বারবার প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠছে।
ইতিহাস সাক্ষী জিয়াউর রহমানের উদারতার সুযোগ নিয়েই ১৯৮১ সালে ১৭ মে শেখ হাসিনা দেশে ফেরার সুযোগ পেয়েছিলেন। অথচ কী নির্মম পরিহাস, তার প্রত্যাবর্তনের মাত্র ১৩ দিন পর অর্থাৎ ৩০ মে জিয়াউর রহমানকে নির্মমভাবে শহীদ হতে হয়। এই সময়গত সন্নিকটতা অনেকের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ মনে হয়েছে। রাজনীতিতে কাকতালীয় ঘটনাও কখনো কখনো গভীর সন্দেহের জন্ম দেয়। কিন্তু রাষ্ট্রবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি হলো, টাইমিং বা সময়ের মিল থাকলেই কারণ-সম্পর্ক প্রমাণিত হয় না। সে সময় বাংলাদেশের ভেতরে সামরিক অসন্তোষ, অভ্যন্তরীণ ক্ষমতার দ্বন্দ্ব এবং রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের প্রক্রিয়া চলছিল। মেজর জেনারেল মনজুরের নেতৃত্বে যে বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, তা সামরিক অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের ফল ছিল এমন ব্যাখ্যাই অধিকাংশ প্রাতিষ্ঠানিক তদন্ত ও ঐতিহাসিক গবেষণায় গুরুত্ব পেয়েছে। শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিঃসন্দেহে আওয়ামী লীগের জন্য রাজনৈতিক পুনর্গঠনের সূচনা ছিল, কিন্তু সরাসরি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কোনো প্রামাণ্য দলিল আজ পর্যন্ত যদিও প্রকাশ্যে আসেনি।
ভারতের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের প্রশ্নটিও আলোচনায় আসে। জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতি ছিল তুলনামূলকভাবে ভারসাম্যপূর্ণ ও বহুমুখী মধ্যপ্রাচ্য, চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতার ধারণা সামনে আনা। দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা বা সার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ তাঁর সময়েই গতি পায়। আবার ফারাক্কা ইস্যুতে আন্তর্জাতিকীকরণের কৌশলও ভারতের জন্য কূটনৈতিক চাপ তৈরি করেছিল। এসব কারণে দিল্লির সঙ্গে সম্পর্ক সবসময় মসৃণ ছিল এমন দাবি করা কঠিন। তবে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের কৌশলগত অস্বস্তি আর একটি সার্বভৌম দেশের রাষ্ট্রপ্রধান হত্যার মতো ঘটনার মধ্যে সরাসরি সম্পর্ক স্থাপন করতে হলে নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা নথি, কূটনৈতিক দলিল বা আন্তর্জাতিক তদন্তের তথ্য প্রয়োজন, যা এখনো জনসমক্ষে আসেনি।
ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা " র" এর সম্পৃক্ততা নিয়ে জনপরিসরে নানা তত্ত্ব প্রচলিত আছে। দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর প্রভাব নিয়ে গবেষণা আছে, সন্দেহও আছে কিন্তু সন্দেহ ও প্রমাণ এক জিনিস নয়। যে কোনো আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের দাবি ইতিহাসে টিকে থাকতে হলে প্রমাণের ভার বহন করতে হয়। এখন পর্যন্ত প্রকাশিত বিচারিক নথি, সামরিক আদালতের কার্যক্রম বা স্বীকৃত গবেষণায় সরাসরি বিদেশি রাষ্ট্রীয় সম্পৃক্ততার অকাট্য প্রমাণ উপস্থাপিত হয়নি। ফলে এই প্রশ্নটি বিতর্কের জায়গায় থাকলেও তা নিশ্চিত ইতিহাসে রূপ নেয়নি।
জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর বিএনপি সাংগঠনিকভাবে বিপর্যস্ত হয়, সামরিক ও বেসামরিক রাজনীতির ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়, এবং পরবর্তী দশকে আওয়ামী লীগ রাজনীতিতে পুনর্গঠনের সুযোগ পায়। অনেক সময় রাজনৈতিক শূন্যতা অপ্রত্যাশিত শক্তির জন্য সুযোগ তৈরি করে সেটি পরিকল্পিত ছিল কি না, তা প্রমাণের বিষয়।
এই হত্যাকাণ্ডকে বোঝার জন্য তৎকালীন সামরিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করা জরুরি। স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে একাধিক অভ্যুত্থান, পাল্টা-অভ্যুত্থান এবং মতাদর্শিক বিভাজন ছিল। ১৯৭৫ থেকে ১৯৮১ এই সময়কাল সামরিক রাজনীতির দোলাচলে ভরা। জিয়াউর রহমান নিজেও এক অস্থির প্রেক্ষাপটে ক্ষমতায় আসেন এবং সামরিক বাহিনীর ভেতরে শৃঙ্খলা পুনর্গঠনের চেষ্টা করেন। অনেক বিশ্লেষকের মতে, চট্টগ্রামের ঘটনাটি ছিল মূলত অভ্যন্তরীণ সামরিক বিদ্রোহ, যার পেছনে ব্যক্তিগত অসন্তোষ, পদোন্নতি ও ক্ষমতার প্রশ্ন বড় ভূমিকা রেখেছিল। এই ব্যাখ্যাটি সরল হলেও প্রমাণসমর্থিত।
অবশ্যই এটিও সত্য যে, দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতি সবসময় বহুমাত্রিক। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কখনো সহযোগিতামূলক, কখনো সন্দেহপ্রবণ। সীমান্ত, পানি বণ্টন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এসব প্রশ্নে দুই দেশের স্বার্থ সবসময় এক নয়। কিন্তু রাষ্ট্রীয় কূটনীতি ও গুপ্ত ষড়যন্ত্রকে এক করে দেখা বিপজ্জনক সরলীকরণ হতে পারে। কারণ এতে জনমনে দীর্ঘস্থায়ী অবিশ্বাস তৈরি হয়, যা ভবিষ্যৎ সম্পর্ককেও জটিল করে তোলে।
জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড থেকে আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হওয়া উচিত রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ব্যক্তিনির্ভর ও অধিক উদার হলে ঝুঁকি বাড়ে। শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান, জবাবদিহিমূলক সামরিক কাঠামো, স্বচ্ছ গোয়েন্দা তদারকি এবং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি এসবই এমন ট্র্যাজেডি প্রতিরোধের মূল উপাদান। ব্যক্তি যত জনপ্রিয়ই হোন না কেন, প্রাতিষ্ঠানিক ভারসাম্য ছাড়া রাষ্ট্র নিরাপদ থাকে না। আজকের রাজনৈতিক বাস্তবতায় এই অধ্যায়কে নতুন করে উসকে দেওয়ার চেয়ে প্রয়োজন গবেষণা, দলিল উন্মোচন এবং নিরপেক্ষ ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ। শহীদ জিয়ার মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে এ নিয়ে সন্দেহ নেই। তবে তাঁর উত্তরাধিকার রক্ষা করার সবচেয়ে কার্যকর পথ হবে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, রাজনৈতিক সহনশীলতা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক সম্পর্ককে বাস্তববাদী কূটনীতির ভিত্তিতে পরিচালনা করা। ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা মানে কেবল আবেগ নয় বরং সত্য অনুসন্ধানের সাহস এবং প্রমাণের প্রতি দায়বদ্ধতা। সেই পথেই হয়তো একদিন ৩০ মে র সব প্রশ্নের নিরপেক্ষ উত্তর খুঁজে পাওয়া যাবে। সেই সময় থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক দশক ধরে জিয়া পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার যে দেশি-বিদেশি নীল নকশা কার্যকর করার চেষ্টা করা হয়েছে, তা পৃথিবীর রাজনৈতিক ইতিহাসে বিরল। বিশেষ করে ২০০৭ সালের ১/১১ এর তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বেগম খালেদা জিয়া এবং তার দুই সন্তান তারেক রহমান ও প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর ওপর যে অমানুষিক ও অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তা ছিল মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন। সেই নির্যাতনের ক্ষত নিয়ে দীর্ঘ প্রবাস জীবন কাটিয়ে এবং ছোট ভাই কোকোকে হারিয়ে তারেক রহমান আজ দেশের হাল ধরেছেন। বিগত দেড় দশকে শেখ হাসিনার ফ্যাসিস্ট সরকার জিয়া পরিবারের বিরুদ্ধে যে ধরণের প্রতিহিংসামূলক আচরণ করেছে, তা ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন।
২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত আবেগঘন ও বিতর্কিত দিন হিসেবে চিহ্নিত। সেই দিন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ঢাকা সেনানিবাসের ৬ মইনুল রোডের বাড়ি থেকে তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে এক কাপড়ে উচ্ছেদ করা হয় যা জাতির জন্য এক কলঙ্কজনক অধ্যায় ও বএে । মিথ্যা মামলা, শারীরিক নির্যাতন এবং রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার কোনো চেষ্টাই বাকি রাখা হয়নি। কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান প্রমাণ করেছে যে, জনগণের শক্তিই শেষ কথা। শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেও তার দোসররা এবং আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরা এখনো সক্রিয়। তারা বর্তমানে বিএনপির ভেতরে ঘাপটি মেরে থেকে অথবা প্রতিবেশী দেশের আশ্রয় নিয়ে নতুন করে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করছে।
বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার পিতার মতোই উদারতা ও সহনশীলতার পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের মন জয় করতে সক্ষম হয়েছেন। ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫ এ স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের পর তিনি যেভাবে রাষ্ট্রের সাধারণ জনগণের সাথে মিশে জনগণের হৃদয় জয় করছেন, তা প্রশংসনীয়। কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা বলে, রাজনৈতিক উদারতাকে অনেক সময় প্রতিপক্ষ দুর্বলতা হিসেবে গ্রহণ করে। বর্তমানে ভারতে আশ্রিত থেকে শেখ হাসিনা ও তার সহযোগীরা যেভাবে উস্কানিমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন এবং দেশের ভেতরে নাশকতার পরিকল্পনা করছেন, তাতে সতর্ক হওয়ার যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন জনগণের শক্তিতে, আর তার সেই বিশ্বাস ও উদারতাকে কাজে লাগিয়েই ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দিয়েছিল। আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সেই করুণ ইতিহাস মনে রাখতে হবে। নতুন বাংলাদেশের এই সন্ধিক্ষণে তাকে যেমন উদার ও গণতান্ত্রিক মনোভাবাপন্ন হতে হবে, তেমনি ফ্যাসিস্ট শক্তির অবশিষ্টাংশ এবং দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রকারী কুচক্রী মহলের ব্যাপারে কঠোর ও সজাগ থাকতে হবে। গণতন্ত্রের সুরক্ষা এবং জিয়া পরিবারের উত্তরাধিকারকে টিকিয়ে রাখতে হলে কোনোভাবেই ষড়যন্ত্রকারীদের ছাড় দেওয়া চলবে না। বাংলাদেশের সমৃদ্ধির যে যাত্রা শহীদ জিয়ার হাত ধরে শুরু হয়েছিল এবং যা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বেগবান হয়েছে, তাকে সফল করতে হলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে সতর্ক প্রহরীর ভূমিকা পালন করতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




