১১ জুন সোমবার চট্টগ্রামে প্রচন্ড বৃষ্টিতে পাহাড় ধস ও জলাবদ্ধতার ফলে যে মর্মান্তিক বিপর্যয়ের সৃষ্টি হয়েছে তার কারণ কী? এর পুরোটাই কি প্রাকৃতিক? কিংবা আমাদের করণীয় কী? দুর্গতদের সাহায্য করাটাই কি একমাএ কাজ?
এই শতাধিক মৃত্যুর জন্য মানুষই দায়ী। এটা মানব সৃষ্ট বিপর্যয়। এবং মানুষের ওপর প্রকৃতির প্রতিশোধ।
অবিরাম বর্ষণে ক্ষয় হবার আগেই নির্বিচার কর্তনে পাহাড় ভারসাম্য হারিয়েছে। কিন্তু এখানে রয়েছে পরিহাস- পাহাড় কেটেছে সমাজের অভিজাত শ্রেণী আর মারটা খেয়েছে নিম্নস্তরের লোকেরা।
নিচু এলাকা হওয়াটা জলাবদ্ধতার জন্য অপরাধ নয় কারণ পানি নামার মূল পথ খালগুলো আগেই দখল হয়ে গেছে। এখানেও রয়েছে পরিহাস- খাল দখল করেছে কিছু অসাধু ব্যক্তি আর পরিণতি ভোগ করছে গোটা শহর।
দুর্যোগ পরবর্তী ব্যবস্থাপনায় বাঙালি বিশ্বে হয়েছে অনন্য। কিন্তু সাময়িক সাহায্য কোন স্থায়ী ফল বয়ে আনবে না। তাই আমাদের মনোভাব আরেকটু এগিয়ে নিতে হবে। চলতি বিপর্যয়ের জন্য কিছু কাজ করেই ক্ষান্ত হলে চলবে না। ভবিষতের লক্ষ্যে কাজ চালিয়ে যাওয়াটাই হবে সর্বোওম।
আমাদের সবাইকে প্রকৃতির প্রতি অন্যায়ের প্রতিরোধ করতে হবে। প্রকৃতির সম্পদ প্রকৃতিকে ফিরিয়ে দিতে হবে- আমাদের নিজেদেরই তাগিদে।
আর যেন পাহাড়ের গায়ে শাবলের দাগ না পরে! আর যেন খালগুলো নষ্টদের দখলে না যায়!
প্রিয় বন্ধুরা, তোমরা যদি আমার সাথে থাক...তো কসম খোদার- আমি মিছিল করব না...মানববন্ধন করব না...আমরণ অনশনও করব না- আমি নিজেই শাবলের সামনে পাহাড় হয়ে যাব...আমি নিজেই খাল হয়ে ভাসিয়ে দিব নষ্ট মানুষগুলিকে!
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০০৭ দুপুর ১:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




