somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একজন শেখ মুজিব। একজন গোলাম আজম।

১৪ ই জানুয়ারি, ২০১২ রাত ১২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
প্রথমজন পূ্র্বপাকিস্তান আওয়ামীলীগ প্রধান ছিলেন, দ্বিতীয়জন ছিলেন পূর্বপাকিস্তান জামায়েতে ইসলামীর প্রধান।



দেশ স্বাধীন হবার পরে ১৯৭৩ সালে গোলাম আজমের বাংলাদেশী নাগরিকত্ব বাতিল করেন শেখ মুজিব। গোলাম আজম পাকিস্তানী পার্সপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশে আসেন ১১ই জুলাই ১৯৭৮। আবেদন করেন বাংলাদেশী নাগরিকত্বের। ২৮শে এপ্রিল ১৯৮১ বাংলাদেশ সরকারের ইমিগ্রেশন সেকশন গোলাম আজমকে বাংলাদেশের আনুগত্য বিষয়ে হলফনামা দিতে বলেন। সে অনুযায়ী ৩০শে এপ্রিল ১৯৮১ সালে গোলাম আযম তা প্রদান করেন। পরে অনেক বছর ঝুলে থাকার পরে আ’লীগ তার বিরুদ্ধে মামলা করে। সেই মামলার রায় প্রদান করেন বিচারপতি হাবিবুর রহমান শেলীর বেঞ্চ। গোলাম আজম পেয়ে যান বাংলাদেশের নাগরিকত্ব।

শেখ মুজিব ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় বন্দী ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মিয়াওয়ালী জেলে। ১৬ ডিসেম্বর পাক বাহিনী আত্মসমর্পনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ দখলদার মুক্ত হয়। এ খবর জেলে বসেই শেখ মুজিব পেয়ে যান। এর তিন সপ্তাহ পরে ১৯৭২ সালের জানুয়ারীর প্রথম সপ্তাহে শেখ মুজিব ও ডঃ কামাল হোসেন নতুন পাকিস্তানী পাসপোর্ট নেন (সূত্রঃ ডঃ কামালের সাক্ষাৎকার, "সাপ্তাহিক" ২৮ অক্টোবর ২০১০)। এই পাসপোর্ট দিয়েই পাকিস্তানী নাগরিক হিসাবে শেখ মুজিব বাংলাদেশে আসেন ১০ জানুয়ারী ১৯৭২। এসেই তিনি দায়িত্ব নিলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির। প্রশ্ন হলো, শেখ মুজিব কি পাকিস্তানের নাগরিকত্ব ছেড়েছিলেন এবং বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য পোষন করে হলফনামা দিয়েছিলেন? দিয়ে থাকলে কবে? কখন? আর না দিয়ে থাকলে শেখ মুজিব কি একজন পাকিস্তানি নাগরিক হিসাবেই বেআইনীভাবে রাজত্ব করে গেছেন??

যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গোলাম আজমের বিচার চলছে একটি বিতর্কিত আদালতে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী গোলাম আজম বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্যের শপথ নিয়ে তারপরে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন। কেননা তিনি পাকিস্তানের নাগরিক হিসাবে পাসপোর্ট নিয়েছিলেন ১৯৭৩ সালে। আর বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পরেও শেখ মুজিব পাকিস্তানের নাগরিক হিসাবে পাকিস্তানের পাসপোর্ট নিয়েছিলেন ১৯৭২ সালে। তাহলে শেখ সাহেবের নাগকিত্বের ঘটনাটি নিভাবে নিস্পন্ন হয়েছিল, সেটা একটা গুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন। আর এ তথ্যটি আমার আবিস্কার নয়, বরং এর সূত্রপাত ঘটিয়েছেন শেখ মুজিবের কেবিনেটের পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডঃ কামাল হোসেন ২০১০ সালে।

বাংলাদেশের প্রত্যেকটি নাগরিকের এ প্রশ্নের যথাযথ জবাব জানা প্রয়োজন।
৯টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবন চালাতে শহরে থাকা কিন্তু বেঁচে থাকা যেন বাড়িতেই

লিখেছেন Sujon Mahmud, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৯

ঈদের ছুটিটা কেমন যেন চোখের পলকে শেষ হয়ে গেল। মনে হচ্ছিল, এই তো সেদিন বাড়ি গেলাম—মায়ের হাতের রান্না, বাবার গল্প, ছোট মেয়ের হাসি, আর স্ত্রীর সেই নীরব অভিমান… সবকিছু মিলিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×