somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্ষবরণে নারীদের লাঞ্ছিত হয়েছে তো কি এমন হয়েছে.....

১৯ শে এপ্রিল, ২০১৫ দুপুর ২:৪৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি আবার বলছি বর্ষবরণে নারীদের লাঞ্ছিত হয়েছে তো কি এমন হয়েছে.....
এমন ঘটনা আগেও হয়েছে এখনও হয়েছে, ভবিষৎতেও হবে....
আপনার হয়তো আমাকে এই শিরোনামে দেখে আমাকে গালমন্দ করতে পারেন কিন্তু নারী লাঞ্ছিত কেন হলো ও কাদের দ্বারা হলো তা গভীর ভাবে একবার ভেবে দেখছেন....
ধরুন আপনার একটি ছেলে সন্তান আছে হঠাৎ সে পাড়ার কিছু বখাটেদের সাথে মিশে কিছু লঘু অন্যায় করে ফেলেছে যা সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিরা সেটা মেনে নিতে পারেনি কিন্তু আপনি জানার পরও সন্তানটিকে আপনি শাসন করলেন না, সতর্কও করলেন না উপরুন্ত প্রভাব খাটিয়ে আপনার ছেলের পক্ষে সাফাই গাওয়ার কিছু ব্যক্তিদের নিয়ে সমাজের গন্যমান্য ব্যক্তিদের এক হাত নিলেন যে এটা আপনার ছেলের কাজ হতেই পারে না, এই অভিযোগ মিথ্যা বানোয়াট আমার সোনার মতো ছেলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আবার সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের নামে উল্টো থানায় গিয়ে মানহানির মামলাও করে আসলেন...
এমনই দিনের পর দিন, বছরের পর বছর একটার পর একটা অঘটন আপনার প্রিয় সন্তান ঘটিয়ে যাচ্ছে আর আপনি একই প্রলাপ বকে যাচ্ছেন..এটা আপনার সন্তানের কাজ নয়, এটা হতেই পারে।আপনার ছেলের পক্ষে সাফাই গাওয়ার কিছু ব্যক্তিদেরও একাই কথা। এবার ভাবুন সঠিক শাসন না পেলে একদিন আপানার সন্তান সমাজে কি ভুমিকা রাখতে পারে....তার দ্বারা কিনা হতে পারে।
বর্ষবরণে নারীদের লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনা এটা খুবই দূঃখজনক ও জাতি হিসেবে আমরা লজ্জিত। আমাদের মা বোনদের এমন অবস্থা দেখার জন্য নিশ্চয় বাংলাদেশের স্বাধীন হয়নি।
আজ আমাদের তিন স্তর, চার স্তর নিরাপত্তার কথা বলা হচ্ছে সেটার নমুনা কি এই....?
এর আগেও অভিজিৎকে এই তিনস্তর, চারস্তর নিরাপত্তার মধ্যেই হত্যা করা হয়েছে এবং হত্যাকারীরা নির্বিঘ্নে পার হয়ে গিয়েছে।
দেশে একেরপর এক ঘটানা ঘটে যাচ্ছে যেমন পেট্রল বোমা, গুম, হত্যা রাজনৈতিক হত্যাকান্ড, শেয়ার বাজার, রানা প্লাজা, সাগর-রুনি হত্যা কান্ড এমন আরো কত আর একটি ঘটনা আরেকটিকে বড় ঘটানাকে ঢেকে দিচ্ছে অথচ এর কয়টার জোরালো প্রতিবাদ আমরা করতে পেরেছি...এর একটাও পারনি আর পারিনি বলেই একের পর এক ঘটনা ঘটেই যাচ্ছে, পেয়েছি শুধু তদন্ত নামক ফলাফল। এটাও ধামা চাপা পড়ে যাবে সেই তদন্তের ফাদেঁ। সবই বিলীন হয়ে যাবে অতীতের মতো। যেন সোনার ছেলের কোন অভিযোগ আমলে নেয়া যাবে না। আমরা নির্বিকার থাকবো আগের মতো, স্বার্থ ব্যতিত কোনটারই প্রতিবাদ করবো না।
আবার আপনি বলতে পারেন এটা আমার বিষয় নয় কিন্তু কালই আপনি পত্রিকার পাতায় শিরোনাম হয়ে যেতে পারেন। এই রাস্ট্রতো আমাদেরই, একে মায়ের মতো ভালবাসা ও সুন্দর রাখা আমাদেরই দ্বায়িত্ব কারো একার নয়।
তবে আজ যে রাস্ট্র আমরা দেখতে পাচ্ছি তাতে....
আপনি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন রাস্ট্রে আপনি যথেষ্ঠ নিরাপদ...
আপনি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন আগামীতে আপনার আমার মা বোনরা এমন পরিস্থিতির স্বীকার হবে না...
আপনি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন পূর্বে কোন ঘটনার মতো এটার সুস্ঠ বিচার হবে...
আপনি বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন তরিতৎ গতিতে রাস্ট্র এর ব্যবস্থা নিবে...
দয়া করে কোন ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে চালিয়ে দিবেন না...

আজ স্বার্থান্বাসীদের মুখ বন্ধ, বিবেক নির্লজ্জভাবে একদিকে ঝুকে গিয়েছে। নির্লজ্জভাবে মিথ্যা বলা হয়, পাপকে পূন্যে পরিনত করার অসুস্থ প্রতিযোগিতা লিপ্ত। নিজের স্বার্থবাদী পদকে আকড়ে ধরে রাখতে এই অবস্থা।

প্রত্যকটি ঘটনার সময় মতো সঠিকাভাবে জোরালো প্রতিবাদ না করলে একদিন রাস্ট্র আপনার সন্তানের মতো হতে অবাধ্য হতে বাধ্য.....

(এমন শিরোনামের জন্য ক্ষমা চেয়ে নিলাম)

ধন্যবাদ

সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৫ বিকাল ৩:১৮
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রম্যরচনা : ইয়ে

লিখেছেন গেছো দাদা, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ১:১৪

এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক সহজাত হাসি দিয়ে বললেন - আজ্ঞে আমার ইয়েতে একটু সমস্যা আছে!!
বাঙ্গালী এখনো এঁটো আর যৌনতা নিয়ে পুরোপুরি সাবলীল হয় নি। তবু বিশদে জানতে জিজ্ঞেস করলাম -... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জাপান ভ্রমণের শতবর্ষ পর নীলসাধু জাপান পৌঁছলেন

লিখেছেন নীলসাধু, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সকাল ১১:৪২











কিছুক্ষণ আগে আমার প্রকাশিতব্য বই নিয়ে ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছি। এই বইমেলায় আমি ব্লগে কম আসছি। তাই ভাবলাম স্ট্যাটাস নিয়েই সহ ব্লগারদের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমলা শ্রেণীকে গাড়ি, বাড়ি, মোটা বেতনের সুযোগ সুবিধা দিয়ে জনগণকে আরো কঠিন অবস্থার মধ্যে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে

লিখেছেন সাখাওয়াত হোসেন বাবন, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ দুপুর ১:১৯

সঞ্চয় পত্রের সুদের হার কমানোর অর্থ হচ্ছে, মানুষকে সঞ্চয়ে নিরুৎসাহিত করে সঞ্চয়পত্র কেনা টাকাগুলোকে বাজারে নিয়ে আসা । ইতিমধ্যে নানা অকার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে সাধারণ মানুষকে সঞ্চয়পত্র কেনা থেকে নিরুৎসাহিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জ্বীনের ক্ষমতা- ২

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৩:৩৬



খিলগাঁও, বাগিচা এলাকায় আমরা আড্ডা দিতাম।
বাগিচা মসজিদের ঠিক উলটো পাশেই চুন্নুর চায়ের দোকান। এই চায়ের দোকানে একসময় রোজ আড্ডা দিতাম, আমরা চার পাচজন বন্ধু মিলে। বিকাল থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেগম জিয়াকে ছেড়ে দেয়ার কথা উঠলে, মনটা খারাপ হয়ে যায়

লিখেছেন চাঁদগাজী, ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২০ রাত ৮:১৮



বেগম জিয়ার বয়স বেশী হয়েছে, এই বয়সে আত্মীয়স্বজন থেকে দুরে, জেলে বাস করা সহজ নয়, এটা বুঝতে কারো কষ্ট হওয়ার কথা নয়; এবং সেটার সমাধানও আছে; উনাকে উনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×