
পুলিশের খাতায় তিনি ‘সন্ত্রাসী ভূঁইয়া কামরুল’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত। অবৈধ অস্ত্রধারী, চাঁদাবাজি আর মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ যার পেশা। এমনকি মায়ের পেটে শিশু গুলিবিদ্ধ ঘটনার মূল নায়কও তিনি। এই কামরুলই সেদিন এলোপাতাড়ি গুলির সূচনা করেন।
তার গুলির মুখে টিকতে না পেরে প্রতিপক্ষ আলী-আজিবর গ্রুপ পিছু হটে।
সম্প্রতি দৈনিক যুগান্তরের অনুসন্ধান ও আদালতে দেয়া আসামি আলীর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমন তথ্য বেরিয়ে এসেছে।
কামরুল ভূঁইয়া রাজনৈতিক বলয়ে যুবলীগ নেতা হিসেবে পরিচিত।
এক সময়ে ছাত্রলীগ করতেন। এলাকা দাপিয়ে বেড়ান যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন সিকদারের কাছের লোক হিসেবে। বিভিন্ন সভা-সমাবেশেও তাকে প্রায়ই প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত দেখেছেন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা।
এসব ছবি তিনি ফেসবুকে আপলোডও করেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০১৫ সকাল ১০:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



