বসে আছো বিষের পেয়ালা হাতে,
জগতের এমন কি আসে যায় তাতে ?
আতংকে নীল আমি গুনছি সময়ের কড়ি,
সব ভুলে বেমালুম বসে আছো,
হাতে নিয়ে আজল ভরতি বিষের বড়ি।
এমন অবিবেচনায় ভুবনের না কিছু হয়,
অস্থির কবি তাই নিশ্চুপ চেয়ে রয়।
তোমার আজকের এই অভিমান আর কতই বা উচু ?
আমাকে দেখো বুকে জ্বলছে অগ্নি স্ফুলিংগ,
চন্দ্রনাথ চিম্বুক কিংবা হিমালয়ের চেয়েও কিন্তু নয় তা নিচু।
অযাচিত অভিমান করছ, করে যাও ক্ষনে ক্ষনে,
আমিও একদিন চলে যাব দুর কোনও বনে।
এমন পৌষের রাতে শুয়ে রব হয়ত ঘাস আর শিশিরে,
নাম ধরে ডেকে ডেকে বিরক্ত করোনা পৌষের নিস্তব্ধ কোনও নিশি'রে।
আমায় ঠিকই একদিন নিয়ে যাবে তোমাদের অব্যাহত হেলায়,
পাখি হয়ে ডালে ডালে ডেকে যেওনা হেমন্তের বিকেল কিংবা শীতের কোনও সাঁঝের বেলায়।
অন্ধকারে আলো খুঁজো না নিভিয়ে সব বাতি,
হেলায় হেলায় চলে যেতে দিও না আমায়,
বরষার দুপুর আর রাত কিবা ভোরে,
আমিই ছিলাম তোমার বরষার একমাত্র ছাতি।
তবু তুমি জেদ করেছ নিয়েছ বিষের থালা,
নিশ্চুপ আমি আশায় বুক বাধি হাতে নিয়ে আকাশ জোড়া মেঘো ফুলের মালা
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৭ দুপুর ১:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



