নারী ও পুরুষ সভ্যতার অন্যতম প্রাচীন প্রানী হওয়ায় এদের যত অজানা বিষয়ই হোক তা মানুষের প্রায় সবই আত্নস্থ। তবুও নর ও নারীর একে অপরকে পাওযার আকাংখা বা ঘোর কোনটাই কাটে না। কি পেতে চায় বা কি পাবে তার সবই জানা কথা। বলা যায় মুখস্থ বইয়ের বাধ্যতা মূলক রিভিশন।
কাম-ক্রিয়ার আবশ্যকতায় একে অপরের কাছে আসতেই হয়।
আর এই কর্মটির ভাবনা যত দীর্ঘ কর্ম হয়তো তার চেয়ে অনেক স্বল্প। তবে প্রত্যাশিত সুখের আনুপাতিক হার কত তা কেবল মাত্র তারাই বলতে পারবে যারা অভিসারে সিক্ত।
অভিসার বা শরীর সম্ভার যাই বলেন না কেন নারী-পুরুষে এর প্রতি টানের আনুপাতিক হার সমান হওয়ার সম্ভাবনাই বেশী।
তবে এ শরীরকে পাওয়ার জন্যেই অনেক বেগ পেতে হয়;ছলনার আশ্রয় প্রশ্রয়ে তৈরী করতে হয় ভালবাসা বা বন্ধুত্বের কার্যকরী প্যাকেজ। তাতে কারো শরীর সম্পদ মিলে আবার কারো না। বলতে গেলে শরীর পাওয়ার প্রতিযোগিতায় পুরুষরাই একধাপ এগিয়ে।
আর এর ফলে উভয় লিঙ্গের রমনতৃপ্তি যাই হোক না কেন দুর্ঘটনাও কম নয়। শরীর সম্ভোগের এ প্রতিযোগিতায় প্রেমিকা ও মেয়ে বন্ধুদের চোখের পানি ছাড়াও ধর্ষনের ঘটনাও কম না। শরীর কেন্দ্রিক এই সব ঘটনার প্রচার প্রসার ও যথেষ্ট। তার পরও নেঁড়া আর বেল তলার সূত্র কোন কাজেই আসে না। হয় নেঁড়ার মাথা শক্ত অথবা বেল নষ্ট যার ফলে কেউ কাউকে তুয়াক্কা না করে ঘুরে ফিরে বেল তলা।
নেঁড়াদের (বে-লাজা বা লজ্জা নাই এমন কেউ) এই দলে কেউ কেউ নারী মানেই গলদোকরন বা ভক্ষনযোগ্য প্রানী মনে করে দৌড়ে বেড়ায় চেটে-পুটে খেতে। সে ক্ষেত্রে শূন্য আসন আছে কি নাই এবং অপমান বা চড়-থাপ্পরের পরোয়া না করে সোজা সহ-শয়নের দিকে ধাবিত। সফল শয়নের পর আবার শয়ন...
অতপর সকল আ-কার, ও-কার যোগে সম্ভোগ হলেও হয়তো কোন দিন জানা হয় না নারী দেহের দৈর্ঘ্য প্রস্থ।...........
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুন, ২০০৭ সকাল ৭:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


