বন্ধুর দেওয়া পরামর্শে আহরণমনা হলাম। আগ্রহী হলাম লেখতে, শিখতে হবে আমার অনেক কিছু। তারই দেওয়া কিছু বুড়ো লেখকের লেখা পড়লাম।
(অপরাধবোধ মন্তব্য)
সব প্রায় একই রকম লেখা, কিছু নির্দৃষ্ট নিয়ম-কানুনের আঙ্গিনায় প্রত্যেকেই একই পেচাল পারছে, কেবল বলি আলাদা। বর্তমান সরকার প্রত্যেকেরই শত্রু, রাজনীতিতে সবাই ১০ আউট অফ ১০। শিল্পী জয়নাল আবেদিনের দুভিক্ষের কাকের মতো সবাই পঁচা-গন্ধ লেশহীন টপিক নিয়ে রুদ্ধ কর্কশ ভাষায় কা...কা... চেঁচাচ্ছে। বয়স ও এক্সপ্রিয়েনস অনুপাতে ভাষা ও শব্দ চয়ন ভিন্নতা থাকলেও মেয়েলিপনা আইমিন চুলা-চুলি আর খুটা-খুটি কম্পলসারি।
বলবোনা এতে শেখার কিছু নাই। শব্দের প্রয়োগ, শব্দ চয়ন ও উপস্থাপনার নিদারুন পদ্ধতি আমাকে মানতেই হবে কিন্তু একঘেয়েমি। স্টান্ডে দাঁড়িয়ে থাকা বাসের হেলপারের জব সবার; "পড়ুন..পড়ুন... আওয়ামিলিগ, জামাত, নাস্তিক, দুর্নীতি, রাজাকার, বি এন পি, সিট্ খালি... সিট্ খালি..." আর কমেন্ট বক্সে আবিজাবি অকথ্য কথা। পাবলিক যাই বলুক হেলপার তথা লেখকের কিছু যায় আসেনা । আজ লতিফ তো কাল কোনো খতিব।
ও বড় ভাই আমরা নবীনের ঝাঁক, এখনো ভোটার আই ডি কার্ডই হাতে পাই নাই, কি শিখব? দল নির্বাচনের যোগ্যতা? আমার দেশের দুর্নাম? এর চেয়ে ভালো হিন্দি সিরিয়াল দেখি গিয়ে, আগামী ঈদের ড্রেসের নাম আর আমাদেরকে অবাক করবে না। তা যেটাই হোক "পাখি ড্রেস বা হাতি ড্রেস"
সাধু বাক্য আপনার পদক্ষেপকে মজবুত করবে ০%
অভিমান মিশিয়ে আবদার করলে কাজে লাগে। আপনাদের এই দারুন উপস্থাপনা ভঙ্গির বিষয় যদি হতো: লাখো মজলুম শ্রমিক যারা বড় সাহেবের কাছে ধন্যা দিয়ে ফিরছে প্রতিদিন, পাওনা পারিশ্রমিকের আশায়। কত লুকিয়ে থাকা স্ত্রী যারা স্বামীর পাপের খেসারত দিয়ে যাচ্ছে আড়ালে।কত মা হারা সন্তান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দীক্ষার অভাবে। পদক্ষেপ নাহয় ছুটি কাটাক অন্তত্য অনুভুতি হত আমাদের। মায়া জন্মাতো কিছু লোকের অন্যের দুখে। এ তখনই সম্ভব যখন বড় ভাইদের কলম লিখবে পজেটিভ বক্তব্য। অন্যায়ের দায়ে দায়ী হোবো আমরাই প্রথম। রাজনীতি নয় সচেনতা হবে আপনাদের কমোন টপিক। ব্যান্গকারীরা আপনাদের বলবে: "এদের নবীন প্রবীনদের একই পেচালি গান পারে" আর তা হলো-আমরা করবো জয়... আমরা করবো জয় একদিন...
--নবীন ইচড়ে পাকা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



