somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মুভি রিভিউঃ Sunshine (2007)

৩১ শে মে, ২০১৩ রাত ১:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
মুভি রিভিউঃ Sunshine (2007)
ডিরেক্টরঃ Danny Boyle




(সায়েন্স ফিকশন মুভি পাগলদের জন্য ছোট্ট একটা রিভিউ লিখলাম। কমন পইড়া গেলে নিজ গুণে ক্ষমা কইরা দিয়েন :| )

সায়েন্স ফিকশান মুভিগুলো এখন কেমন যেন গৎবাঁধা বিরক্তিকর হয়ে গেছে। ভালো মানের সায়েন্স ফিকশান এখন পাওয়াই যায় না। সে দিক থেকে sunshine পুরোই বিপরীত। আজাইরা স্পেশাল ইফেক্ট নেই, এলিয়েনের কামড়াকামড়ি নেই, অভিনেতাদের অতিঅভিনয় নেই। পুরোই পরিপূর্ণ একটা মুভি। IMDB রেটিং 7.3, এই ঘরানার মু্ভির জন্য ইদানীং যেটা খুবই বিরল।

পিসিতে পড়ে থাকা বহুদিনের পুরোনো মুভিগুলোই ঘেঁটে দেখছিলাম আরকি, যদি ভাল কিছু পেয়ে যাই। চোখ আটকে গেলো Sunshine এ। ঘুম ঘুম চোখে সেটাই দেখতে বসলাম। উদ্দেশ্য, পুরোপুরি বোর হয়ে জোরেসোড়ে একটা ঘুম দেওয়া। কিন্তু, হয়ে গেলো হিতে বিপরীত। এমন করে ঢুকে গেলাম কাহিনীতে যে ভালো ঘুমতো দুরের কথা মুভি শেষ করে ঘুমাতে গিয়ে আমাকে রীতিমত দুঃস্বপ্ন দেখে রাত পার করতে হয়েছে। /:) /:)

ড্যানি বয়েলের বলেই মুভিটা দেখতে বসা। নাহলে হয়তবা কখনোই মুভিটা দেখা হতোনা, একটা বড় অপূর্ণতা থেকে যেত। বাজী ধরে বলতে পারি, একবার দেখতেই বসুন না, হতাশ হবেন না একদম। এই দেখুন আইএমডিবি ইউজার রিভিউতে কি লিখেছে…

When I realized who directed this one, I thought, "Oh, no - not Danny Boyle!" but since I totally LOVE science fiction, I ordered the DVD and thought: "Mr Boyle, surprise me!" And surprise me he did.
This is without doubt the best science fiction movie in a very long time. Visually, this one is a gem. I don't think I have seen such beauty in the Sun ever. The "Icarus II" interiors and exterior is truly wonderful and looks so very real. The actors do a great job realizing a surprisingly good script.

Expect state of the art special effects, expect an excellent script - and expect wonderful acting.

I'm not only surprised - I am also very much impressed!



কাহিনীসঃক্ষেপঃ পৃথিবীর সকল প্রাণের উৎস সূর্য কোনো কারণে নিভতে বসেছে, সেই সাথে নিভতে বসেছে মানব সভ্যতার আশা। কিন্তু, মানুষতো হাল ছেড়ে দেবার পাত্র নয়। ঠিক হলো, নিভু নিভু সুর্যটাকে আবার নতুন করে জ্বালতে হবে। তৈরী হলো একটা বোমা, যার ভর ছিলো ম্যানহাটন আইল্যান্ডের সমান, উদ্দেশ্য নক্ষত্রের ভেতর আরেকটা ছোট্ট নক্ষত্র তৈরী করা। সেই বোমা সূর্যের বুকে পোঁছে দিতে যাত্রা করে “Icarus 1” । কিন্তু, লক্ষের খুব কাছাকাছি গিয়ে অজানা কারণে ব্যার্থ হয় সেই নভোযান।
সাত বছর পর মানবজাতির শেষ আশা নিয়ে আরেকবার যাত্রা করে “Icarus 2” । আট নভোযাত্রীকে একটা বোমার পিঠে নিয়ে সূর্যের দিকে রওনা দেয় Icarus 2 । সূর্যের খুব কাছাকাছি গিয়ে তারা আবিষ্কার করে এখনও বেঁচে আছে Icarus 1 । সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও তাহলে icarus1 এর ব্যার্থতার কারণ কি?

বাকিটুকু বলে আর মজা নষ্ট করতে চাইনা। নিজেই দেখে নেবেন… ;) ;)


মুভিটার কিছু কিছু ডায়লগ এখনো মাথার মধ্যে গেঁথে আছে। যেমন ডঃ সার্লের একটা কথা, “নিকষ কালো অন্ধকারে মনে হয় সব কিছু শূণ্যতায় হারিয়ে গেছে, নিজেকে অবিশ্বাস্য রকম একা মনে হয়, কিন্তু গাড় উজ্জ্বল আলোতে হয় ঠিক এর বিপরীত। মনে হয় নিজের সত্ত্বাটা ঐ আলোরই একটা অঃশ, আলোর মতই সেটা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ছে।"

মুভিটা দেখে আমার নিজের অনুভূতির কথা বলি। আগেই বলেছি, মুভিটা দেখে আমি রাতে দুঃস্বপ্ন দেখেছি, এখনো দেখি। বিশেষ করে দুটো দৃশ্য বারবার স্বপ্নের মাঝে মাঝে চলে আসে। সূর্যের মাঝে মাঝে কাপার পড়ে যাবার আর মহাশুন্যে হার্ভির মুহুর্তের মাঝে জমে যাবার দৃশ্য। আরও কতদিন এই দুঃস্বপ্ন দেখতে হবে, কে জানে। :(( :((

তাহলে আর দেরি করছেন কেন? দেখতে বসে যান, sunrise এর আগেই দেখতে হবে কিন্তু… B-) B-)

ডাউনলোড লিঙ্কঃ

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

Click This Link

৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলা সাহিত্যে জায়গা পাচ্ছেন ওসমান হাদী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:১৭


সংবাদপত্র যা বলছে
জাগো নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১০ জুন ২০২৬ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যবই পরিমার্জন-সংক্রান্ত কমিটির এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেকসহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, ক্রাউড ফান্ডিং-এর সুযোগ তৈরি করে সরকারী লাভজনক প্রজেক্টে জনগণের বিনিয়োগ নিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১২ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৩১

বাংলাদেশের বর্তমান সরকার বিনিয়োগ পরিস্থিতি নিয়ে চিন্তিত, তা বুঝা যাচ্ছে। নাহলে, খোদ প্রধানমন্ত্রী দেশে বিনিয়োগ নিয়ে আসতে জনগণকে অনুরোধ করতেন না। আমার মন হয়, দেশের মানুষের কাছেই অনেক সম্পদ আছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

×