1.
ঝুম্পা লাহিড়ির দ্য নেমসেক পড়তে পড়তে মনে হলো, এই উপন্যাসটি আমার লেখার কথা ছিলো। অন্য কারো এমন মনে হয় কী না জানি না, হলে সেসব বলে ফেলার দস্তুর আছে কী না, তা-ও জানা নেই। কিন্তু আমার এরকম মনে হয়েছে এই বইয়ের মূল চরিত্রটির নামঘটিত বিড়ম্বনার কারণে।
উপন্যাসের মূল চরিত্র গোগোল গাঙ্গুলি আমেরিকায় প্রবাসী ভারতীয় পিতামাতার সন্তান, জন্মসূত্রে মার্কিন। অথচ তার গোগোল নামটি না মার্কিন, না ভারতীয়। পিতা অশোক গাঙ্গুলি পুত্রের এই নাম রেখেছিলেন নিজের জীবনের একটি মর্মান্তিক ঘটনার স্মারক হিসেবে। তরুণ বয়সে অশোক একবার এক রেল দুর্ঘটনায় জীবন হারাতে বসেছিলেন। মারাত্মক আহত অবস্থায় যখন তাঁকে উদ্ধারকমর্ীরা উদ্ধার করে আনে, তখন তাঁর হাতের মুঠোয় ধরা নিকোলাই গোগোলের বইয়ের একটি পৃষ্ঠা, বইটি নিখোঁজ। ঘটনাটিকে তাঁর অলৌকিক মনে হয়েছিলো। তাঁর বিশ্বাস জন্মায়, গোগোলই তাঁকে নবজন্ম দিয়েছেন। পুত্রের জন্ম হলে সেই ঘটনাটি স্মরণ করে তার নাম দিলেন গোগোল। পুত্র ক্রমশ বড়ো হতে হতে তার নাম নিয়ে সংকুচিত বোধ করতে থাকে। টের পায়, আশেপাশের সব মানুষের কাছেই তার নামটি খাপছাড়া। মার্কিন স্থানীয়রা তো বটেই, এমনকী আশেপাশের ভারতীয়দের কাছেও গোগোল নামটি যুগপৎ কৌতূহল ও কৌতুকের বিষয়। এই নাম তাকে বিচিত্র রকমের পরিস্থিতিতে বিচিত্রভাবে অস্বস্তি দেয়, সংকুচিত করে রাখে, আহত করে, পলায়নে উদ্বুদ্ধ করে। প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজের নামটি সে বদলে ফেলে। তার নতুন নাম হয় নিখিল। অতঃপর পিতা একদিন যখন তাকে গোগোল নামকরণের ইতিবৃত্তটি বয়ান করেন, গোগোল হতভম্ব হয়ে যায়।
গোগোলের মতো আমি মার্কিনি হয়ে জন্মাইনি, তবে মার্কিন দেশে আসার পর নাম নিয়ে বহু রকমের গোলযোগের মধ্যে দিয়ে আমাকে যেতে হয়েছে। এখনো হচ্ছে। বস্তুত এই বিড়ম্বনা আমার সারা জীবনের সঙ্গী। আমার জন্মের আগে পিতামাতার একটি কন্যাসন্তান ভূমিষ্ঠ হয়েই মারা যায়। আমার জন্মানো এবং টিকে যাওয়ার ঘটনাটি পিতামাতার মনে বিরাট কোনো আশার সঞ্চার করে থাকবে। ফলে, আমাকে উপহার দেওয়া হয় বিশাল একটি নাম অথবা নামাবলি _ আবু হোসেন মুহম্মদ জুবায়ের। নামের মিছিল বললেও বলা যায়। এর সঙ্গে একটি ডাক নামও _ মুকুল। বহু অক্ষর ও শব্দবিশিষ্ট নামের এই বিপুল ভারেই সম্ভবত আমি না-ফোটা বা অস্ফূট মুকুল হয়ে থেকে গেলাম জীবনভর। ছোটোবেলা থেকেই দীর্ঘ নামটি কাউকে বলতে আমার সংকোচ হতো। আবুল কাশেম ফজলুল হক বা আবুল আসগার মোহাম্মদ মাকসুদ হোসেন জাতীয় নামকরণ বাঙালি মুসলমান পরিবারে মোটেই অস্বাভাবিক নয়, কিন্তু অস্বস্তি যে হতো তা বেশ মনে আছে। অবশ্য তার স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা জানা নেই। তখন জানি না পরিব্রাজক ইবনে বতুতার পুরো নাম শামস আল-দীন আবু আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ ইবনে ইব্রাহিম ইবনে বতুতা আল-লাওয়াতি আল-তানজি।
যতোদিন স্বদেশে বসবাস করেছি, স্কুলে-কলেজে-বিশ্ববিদ্যালয়ে-অফিসে-আদালতে সর্বত্রই ভুল বানানে আমার নাম লেখা দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। আবু হোসেন পর্যন্ত ঠিক আছে, কোনো গোলযোগ নেই। কিন্তু মুহম্মদ-এ এসেই গোলমালের শুরু _ সর্বমোট চার রকম করে বাংলায় লেখা হয়ে থাকে এই নামটি _ মোঃ, মোহাম্মদ, মুহম্মদ এবং মুহাম্মদ (পশ্চিম বঙ্গীয়রা আবার মহম্মদ লিখতে বেশি স্বচ্ছন্দ)। আমারটি যে কীভাবে লেখা হবে, তার খবর অন্যের কাছে থাকার কথা নয়। কেউ জিজ্ঞাসা করারও দরকার মনে করে না, নিজের পছন্দ বা সুবিধামতো লিখে ফেলে। আবার ঘনিষ্ঠজনরা ছাড়া আর প্রত্যেকের কাছেই জুবায়ের নামটি কিম্ভূত কিছু একটা। যুবায়ের, জোবায়ের, যুবায়েদ, জোবায়েদ, এমনকী জোবায়দুর ইত্যাকার বিচিত্র বানানে আমার নামটি লিখিত হবে, তা একরকম ভবিতব্য ভেবে নিয়ে নিশ্চিন্ত ছিলাম। তখনো বুঝিনি, কপালে আরো কতো দুঃখ লেখা আছে এবং এই নামাবলির জ্বালাতন আমাকে জীবনভরই সহ্য করে যেতে হবে।
এস.এস.সি-র রেজিস্ট্রেশনের সময় ক্লাসটিচার বললেন, তোর লম্বা নামটা ছেঁটে দিই, কী বলিস?
তা দিলেন তিনি ছেঁটে _ যা সংক্ষিপ্ত হয়ে দাঁড়ালো এ.এইচ.এম. জুবায়ের-এ। খুশি বা অখুশি হওয়ার ব্যপাার ছিলো না, জিনিস তো ঘুরেফিরে সেই একই। এখন ভাবি, সেই সময়ের শিক্ষকরা কিছু দুঃসাহসী ছিলেন। বাবা-মায়ের দেওয়া নাম অনায়াসে বিনা অনুমতিতে ছেঁটে দিলেন, কোনো প্রতিবাদ হলো না। এখন কী এরকম সম্ভব হতো?
সংক্ষিপ্ত নামটি খোদাই হতে লাগলো আমার কপালে এবং ক্রমে আমার যাবতীয় সার্টিফিকেটে, আনুষ্ঠানিকতায় এবং পাসপোর্টে। কলেজে ঢুকতে যুদ্ধ শুরু, দেশ স্বাধীন হলো। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে তখন আ.স.ম. আবদুর রবের অনুকরণে (তারও আগে অবশ্য আ.ন.ম. বজলুর রশীদ ছিলেন, কিন্তু ধরণটি তখনো বেশি জনপ্রিয়তা পায়নি) আ.ফ.ম. মাহবুবুল হক বা আ.ক.ম. রবিউল আলম জাতীয় নাম লিখিত হতে শুরু করেছে। সুতরাং বিপুল উৎসাহে আ.হ.ম. জুবায়ের লিখতে লাগলাম। পরে কিঞ্চিৎ লেখালেখি করার বাসনা হলে মনে হলো, এখন করি কী? স্ফূটনোন্মুখ লেখকের নাম হিসেবে এ.এইচ.এম. জুবায়ের বা আ.হ.ম. জুবায়ের একেবারেই অচল। সেই সময়ে আবার মূল নামের সঙ্গে ডাকনাম যোগ করে লেখার চলও হয়েছে। যেমন, আবদুল কুদ্দুস মাখন। মাখন সহযোগে পুরনো ধাঁচের আবদুল কুদ্দুস নামটিও পাতে দেওয়া যায় বেশ সাড়ম্বরে। অতএব, মুহম্মদ জুবায়ের মুকুল নামধারণ করা গেলো কলমনাম হিসেবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে এসে ঘটনাচক্রে কণ্ঠস্বর পত্রিকার সঙ্গে কিঞ্চিৎ জড়িত হয়ে পড়ি। একদিন সম্পাদক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বললেন, তোমাদের নামের সঙ্গে এই ডাকনাম জুড়ে দেওয়ার ব্যাপারটা কী, বলো তো? এখন থেকে দশ-পনেরো-বিশ বছর পরের কথা ভাবো একবার। তোমার ছেলেমেয়েরা বড়ো হলে তোমার মুকুল নামটা তাদের জানা কী খুব দরকারি? আমার নিজের একটা ডাকনাম আছে (সায়ীদ ভাই নামটি বলেছিলেন, কিন্তু তাঁর অপছন্দ বলে উহ্য রাখছি)। শুনলেই কুকুরের নাম মনে হয় (সেই সময় কুকুরের নাম সেরকম হতো বটে, ইদানিং হয় না)। এখন আমার নামের সঙ্গে ডাকনামটি লিখলে আমার মেয়ে লুনা কী ভাববে?
নামের ব্যাপারে জনমভর আমি বড়ো নাজুক অবস্থায়। সায়ীদ ভাইয়ের কথায় মুকুল ছেঁটে ফেলা গেলো। কয়েক বছর পর, সেই সময়ে উঠতি এবং এখন খ্যাতিমান, আমার এক লেখক বন্ধু বলেছিলো, মুহম্মদ জুবায়ের নামের কারো পক্ষে ভালো লেখক হওয়া কোনোদিন সম্ভব নয়। নামের শুরুতে মুহম্মদ থাকলে কী লেখক হওয়া যায়?
উঠতি লেখক হিসেবে তখন দুঃখ পেয়েছিলাম, অস্বীকার করি কী করে? এখন ভাবি, আমার সেই লেখক বন্ধুটি কী ভালো ভবিষ্যৎদ্রষ্টা ছিলো! লেখক হওয়া আমার হয়নি ঠিকই, ভালো লেখক হওয়া তো দূরের কথা। আমার স্বনামধন্য বন্ধুটিকে লেখক হিসেবে সবাই এক নামে চেনে, বন্ধুগর্বে গর্বিত হতে আমার অবশ্য কোনোদিন কোনো সমস্যা হয়নি। মাঝে মাঝে কৌতূহল হয়, মুহম্মদ জাফর ইকবাল সম্পর্কে আমার বন্ধুটি কী মনে করে?
মার্কিন দেশে হিজরত করা হলো পাসপোর্টে এ.এইচ.এম. জুবায়ের নাম নিয়ে। এ দেশে বসবাসের প্রথম শর্ত হলো দুটি জায়গায় নিজের নামটি তালিকাভুক্ত করে পৃথক দুটি নম্বরের মালিক হওয়া। একটি সোশ্যাল সিকিউরিটি নম্বর এবং দ্বিতীয়টি ড্রাইভারস লাইসেন্স (গাড়ি না চালালে আই ডি কার্ড) নম্ব্বর। এই দুটি নম্বর দিয়ে যে কারো সুলুক-সন্ধান করা হয়ে থাকে। গলার তাবিজের মতো এই নম্বর দুটো গায়ে সেঁটে থাকবে। চাকরি করতে, বাড়ি ভাড়া নিতে, গাড়ি কিনতে, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে সর্বত্রই লাগবে এই দুই নম্ব্বরের যে কোনো একটি। অথবা দুটিই।
আবেদন করার পর সময়মতো ডাকে চলে এলো নম্বরসহ সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড এবং ড্রাইভারস লাইসেন্স। কিন্তু আমার বিদঘুটে অচল নাম দিয়ে যে নতুন একটি ঘণ্ট তৈরি সম্ভব, তা কল্পনায়ও ছিলো না। মাঝখানের যতিচিহ্নগুলো উড়ে গিয়ে প্রথম তিনটি অক্ষর মিলেমিশে একাকার হয়ে গেছে। যা হয়েছে সেটি উচ্চারণের সাধ্য বা বাসনা কোনোটাই আমার হয়নি। এ দেশে অধিকাংশ মানুষের নামের তিনটি অংশ _ ফার্স্ট নেম, মিডল নেম এবং লাস্ট নেম। যেমন, জন ফিটজেরাল্ড কেনেডি। ফার্স্ট নেম এ ক্ষেত্রে জন, যা সাধারণত ডাকনাম হিসেবে চালু হয়ে যায়, ব্যতিক্রম কেউ কেউ মিডল নেমটিও ডাকনাম হিসেবে ব্যবহার করে। লাস্ট নেমটি অবশ্যই পারিবারিক পদবী এবং সেই নাম ধরে ডাকার চল নেই, যদি না সঙ্গে মিস্টার বা মিস/মিসেস জুড়ে দেওয়া হয়। আমার ক্ষেত্রে একটি লাস্ট নেম পাওয়া যাচ্ছে (যদিও সেটি আমার পারিবারিক পদবী নয় বললে এরা হাঁ করে মুখের দিকে তাকিয়ে থাকবে), কিন্তু বাকি দুটো কোথায়? একটিমাত্র অক্ষর তো আর একেকটি নাম হতে পারে না! সুতরাং আহ্ম্ জুবায়ের হিসেবে বিদঘুটে আরেকটি নতুন নাম আমার কপালে লটকে গেলো। ঘাটে ঘাটে ব্যাখ্যা দিতে হয় আমার নামটি এরকম কেন, এর অর্থ কী, আসলে আমার ফার্স্ট নেম কী, লাস্ট নেম ধরে ডাকা আমি কেন পছন্দ করি ইত্যাদি। এ দেশে বাস করছি আঠারো বছর। গড়ে দিনে একবার এরকম ব্যাখ্যা দিতে হলেও এ পর্যন্ত আমাকে সাড়ে ছ'হাজার বারেরও বেশি একই কথা বলতে হয়েছে। আমার পিতামাতার জানা নেই, বাক্য অপচয়ের কী ভয়াবহ ব্যবস্থাপত্র তাঁরা আমার গলায় ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন ভালোবাসার বশে।
সুতরাং আমি দাবি করতেই পারি, গোগোল-কাণ্ডটি আমার লেখার কথা ছিলো, ঝুম্পা লাহিড়ির নয়। ঝুম্পা আমার মতো প্রত্যক্ষ ভুক্তভোগী নন বলে অনুমান করি (বড়োজোর এ দেশীয়রা তাঁকে ঝুম্পা না বলে জুম্পা উচ্চারণ করেছে), তাঁকে হয় বানিয়ে লিখতে হয়েছে, অথবা অন্য কারো অভিজ্ঞতা শুনে। কিন্তু তারপরেও বাস্তব হলো এই যে, ঝুম্পা সমস্যাটি খুবই ভালোভাবে নাড়াচাড়া করেছেন এবং লিখতে পেরেছেন। আমি পারিনি।
2.
বিদেশে বাঙালিদের নামগুলোর যে কী দুরবস্থা হয়, তা একটু দেখা যাক। আমরা যারা আগেই নাম ধারণ করে এ দেশে এসে পৌঁচেছি, তাদের কথা প্রথমে বলি। রংপুরের শওকত চৌধুরীকে এখানে শ্যন চৌধুরী হতে হয়েছে। বগুড়ার মতিউর রহমান এখন মার্টিন রহমান। সিলেটের তাজুল পরিচিতি পেয়েছে টি জে হিসেবে। সিলেটের আরেকজন আলী নেওয়াজ চৌধুরী গোগোলের মতো কোর্টে গিয়ে মাঝখানের নেওয়াজটিকে অক্ষত রেখে ডাস্টিন এন. ব্র্যাডলি নাম ধারণ করেছে। চট্টগ্রামের মাকসুদ হয়েছে ম্যাঙ্। নামের শুরুতে মোহাম্মদ থাকার কারণে লক্ষ লক্ষ বাঙালি মুসলমানের সবাই একরকম বাধ্যতামূলকভাবে মোহামেদ নামে পরিচিত এ দেশে। পারিবারিক পদবী কাজী বা সৈয়দ আমাদের দেশে নামের শুরুতে লেখার রেওয়াজ। ফলে যাবতীয় কাজী এবং সৈয়দরা কাজী বা সাঈদ হয়ে থাকছে।
কিন্তু এ দেশে জন্মানো বাচ্চাদের নাম বাংলায় রাখলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তার দুর্গতি লক্ষ্য করার মতো। মেয়ের নাম অথৈ। চমৎকার নাম! মেয়ে স্কুলে যাওয়া শুরু করতেই শিক্ষকসহ এ দেশীয় সবার মুখে মুখে তার নাম হয়ে গেলো আটোই। সহ্য হয়! এক কবিবন্ধু ছেলের সুন্দর নাম রেখেছে _ রোদ্দুর! ভাবলেই মন ভালো হয়ে যায়। অথচ এই ছেলের পক্ষে এ দেশে শুষ্কং কাষ্ঠং রড নামে পরিচিত না হওয়া একরকম অসম্ভব। আরেক বন্ধুর ছেলের নাম রবিন, এ দেশে এটি মেয়েদের নাম হিসেবে চালু। সামি নামের ছেলেটির নাম কালক্রমে স্যামি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা শতকরা একশো ভাগ।
এসব উল্লেখ করার অর্থ অবশ্য এই নয় যে, পরবাসী আমরা বাংলা নাম বা পছন্দমতো নাম রাখবো না বা রাখা উচিত নয়। যা দরকার তা হলো সামান্য সতর্কতা, যাতে বড়ো হয়ে উঠতে-বসতে এই ছেলেমেয়েদের গোগোলের (এখানে পড়তে হবে আমার) দশা না হয়। এই সতর্কতার নমুনা: মেয়ের নাম দেওয়া হয়েছে অদ্রি, অনুবাদে ইংরেজিতে অড্রে হিসেবে দিব্যি চলে যায়। অতিসতর্ক কোনো কোনো বাঙালি বাবা-মা ছেলের নাম দিয়েছেন এরিক বা রিচি। মেয়ের নাম অ্যানি বা অ্যাঞ্জেলা। এগুলো সম্ভবত আরেক চরমে। কিন্তু তা গোগোল-অভিজ্ঞতার ফসল হতেই পারে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



