
রাত ১০টায় যখন টিবিএস স্টেষনে পৌছালাম, তখন দুরপাল্লার বাসগুলো সারি সারি দাড়িয়ে আছে। যেহেতু কেলানতান আর তেরেঙানু যাওয়া হয়নি তাই ভাবলাম সেদিকের টিকিট কিনি। একটু নিরিবিলিতে দুটা দিন কাটানোর জন্য পুলাউ পেরহেনতিয়ান বেছে নিলাম। মুলত, স্নর্কলিং বা সকুবা ডাইভের জন্য সবার পছন্দ এই দ্বীপ। এই দ্বীপের দুই ভাগ, পুলাউ বেসার, পুলাউ কেচিল। পুলাউ কেচিল মুলত হইচই ওয়ালাদের পছন্দ। ক্যাম্পিং, পার্টি হইহুল্লোড়। আর পুলাউ বেসার একান্ত নিরিবিলি সময় কাটানোর জন্য। প্রকৃতির রুপসুধা পান করার যায়গা।
প্রায় ৭ ঘন্টার জার্নি শেষে সকাল ৬ টায় কুয়ালা তেরেঙানু স্টেষনে পৌছে সকালের নাস্তা সেরে নিলাম।


কুয়ালা তেরেঙানু থেকে আবার বাসে করে কুয়ালা বেসুত নামক স্থানে যেতে হয়েছিলো। সেটা আবার ৩ ঘন্টার জার্নি। সকাল ১০ টার দিকে কেয়ালা বেসুত জেটি তে গিয়ে পৌছলাম।

জেটি থেকে ৪০-৪৫ মিনিটের মত স্পীডবোটে করে দ্বিপে। এক পাশে মালয় কামপুং(গ্রাম) অন্য পাশে রিসোর্ট। সে এক নয়নাভিরাম পরিবেশ।


দ্বীপে নেমে স্বচ্ছ পানির দিকে তাকিয়ে সব ক্লান্তি দূর হল। একুয়ারিয়ামের স্বচ্ছ পানির মত নিচের নানা রঙের মাছ দেখা যাচ্ছিল।
দুপুরের খাওয়া সেরে রিসোর্টে ঘর নিলাম। পরম করুনাময়ের দয়ায় রিসোর্টের এমন একটা ঘর পেলাম যেটা সাগর তীরে পাহাড়ুের উপর হাল্কা জন্গলের ভেতর। এবার ভ্রমনসঙ্গী সবার মনবাসনা পূর্ন হল।



(ঘরের সামনে আয়েসি ঢঙে বন্ধু ইকরাম)
রিসোর্টের আরো কিছু ঘর

এরপর দুই দিন কোরাল দ্বীপ, স্বচ্ছ জল, পাথর, সৈকত,পাহাড় এই সব..










সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ দুপুর ২:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


