মাননিয় ,প্রাক্তন রাস্ট্রপতি জনাব বি,চৌধুরী।
আপনি কি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন নাকি অন্য কোন আফ্রিকা বা মিডল ইষ্টের কোন দেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন ! আপনি কি চোখ বন্ধ করে রেখেছেন যে দেখতে পারছেননা কারা পেট্ট্রল বোমা মারতেছে ? আপনার কি ধারনা আইসিস বা তালেবানরা এসে এখানে বোমা মেরে আমার ভাই ,বোন,মা বাবাকে হত্যা করে যাচ্ছে ।নাকি আল-কায়েদা এসে ককটেল দিয়ে সাধারণ মানুষকে হত্যা করতেছে।
বিবেককে জাগ্রত করে দেখুন-এই বোমা পেট্ট্রোল জিয়া,এই বোমা পেট্ট্রোল শিবির।এর বাইরে কোন কিছুই নেই।এই দেশকে ধ্বংসের শেষ সীমানায় যারা নিয়ে যেতে পারে সেই গোষ্ঠিটি সে কাজেই লীপ্ত রয়েছে।৭১-এ যেমন জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাড়খার করতে চেয়েছিলো কিন্তু পারে নাই ।সেই আক্রোশের আগুনে আজ সাধারণ মানুষকে জ্বলন্ত অঙ্গারে পরিনত করছে।কারন সাধারণ জনগণ রুখে দাড়িয়েছিলো বলেই তারা পরাজিত হয়েছিলো।আজকে আবার আমরা সেরকমই কঠিন সময়ের মুখোমুখি ।আজকেও সেদিনের মত বাংলাকে রুখে দাড়াতে হবে।এবং যবনিকা টানতে হবে ৭১-এর সফল পরিসমাপ্তির মাধ্যমে।এবার আর ইচ্ছাকৃত ভাবে এরিয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ নেই।যদি বাংলাদেশের পক্ষে কথা বলতে চান।তাহোলে সব কিছুর আগে পেট্ট্রোল বোমা কিভাবে বন্ধ করা যায় সে কথা বলুন ।অন্য কোন কথা নয়।প্রথম এবং বর্তমানের একমাত্র প্রায়োরিটি হইতেছে জিয়া ও শিবির পে্ট্ট্রোল সন্ত্রাস বন্ধ করতে হবে।
সাধারণ মানুষের প্রতি তাদের আক্রোশ-কারন দূর্ণিতীবাজ ও রাজাকারদের ক্ষমতায় নিতে মানুষ কেনো নিজের প্রান বাজী রেখে আন্দোলনে নামছেনা।কারন সাধারণ মানুষের রক্তের পিচ্ছিল পথ বেয়েই ক্ষমতায় যেতে চায় খালেদা /তারেক গংরা।কাজেই তারা জিবন দিয়ে যখন ক্ষমতায় নিবেনা যুদ্ধাপারাধীর দোষরদের ।তাদেরকে এর বিনিময়ে পেট্ট্রোল বোমায় দগ্ধ হয়েই মরতে হবেই। তাদের কে বাচাবে এটাই দেখতে চাইছে জামাত/বিএনপি।ক্ষমতায় যেতে পারলেও সাধারণ মানুষকে মারবে ক্ষমতার বাইরে থাকলেও সেই একই কাজ করবে জামাত/বিএনপি।
এই সন্ত্রাসের কাছে মাথা নত করে সংলাপে যাওয়ার অর্থ হইতেছে ভবিষ্যতে হিজবুত তাহেরি ,নসরুললাহ-র মত দলও পেট্ট্রোল বোমা ফাটিয়ে মানুষ হত্যা করে সরকারকে বাধ্য করতে পারবে সংলাপের জন্য।তাহোলে হারবে শুধুই এদেশের সাধারণ মানুষ।আজকে ১০০ অথবা ২০০ জনকে পুড়িয়ে সংলাপে যেতে পারলে পরবর্তিতে ৫০০/৬০০ জনকেও পুড়িয়ে সংলাপে যাওয়া জায়েজ হয়ে যাবে।সাধারণ মানুষের জিবন কি তাহোলে এতই সস্তা ।এখন বাংলার জনগণকেই হিসেব করে বের করতে হবে এই ফ্রান্কেনস্টাইনকে তারা কি করবে !এই ফ্রাংকেনস্টাইনকে সমুলে উতপাটন করব. নাকি নিজেরা কোরবানি হোতে থাকবে ক্ষমতালিপ্সু দুর্ণিতীবাজ যুদ্ধাপরাধিদের হাতে।
কাজেই সব কিছুর পুর্বে আমরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য সরকারের যা যা করা দরকার তাই করবে।সরকার সর্বশক্তি নিয়োগ করবে।প্রয়োজনে সকল বাহিনির সমন্নয়ে শুদ্ধি অভিযান চালাতে হবে.।সন্ত্রাসী ও পেট্ট্রোল বোমাবাজদের ধরতে হবে।এমন কঠিন সাস্তীর ব্যাবস্থা করতে হবে যেনো বোমাবাজরা বিচারের সন্মুখিন হওয়ার পুর্বেই নিজেরাই আত্মহত্যা করে ভয়ে।আসুন আমরা সরকারকে বাধ্য করি এই দানবীয় শক্তি আর কোন মানুষের জিবন কেড়ে নেওয়ার পুর্বে তাদেরকে স্তব্ধ করে দেওয়ার বন্দোবস্ত করি।পাকিস্তানকে যেমন করে বিদায় করেছিলাম ।ঠিক তেমনি করে রাজনীতির অঙ্গন থেকে চিরতরে বিদায় জানাই জাহান্নামের এই অপশক্তিকে।
এখন মাননীয় প্রক্তন রাষ্ট্রপতি বি চৌধুরী কি চান আশা করি স্পষ্ট করেই বলবেন।
জয় সাধারন মানুষের হবেই হবে।শুধু সময়ের অপেক্ষা-মাত্র।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১২:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



