

আর কত ছোট হোতে হবে জাতি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে!কতইবা কলংক তিলক জুটবে আমাদের কপালে?
===================================================================
শেষ পর্যন্ত কি জঙ্গীদের দেশ হিসেবে পরিচয় মিলবে সমগ্র বিশ্বে? জামাতের ছাত্র সংগঠন বহু পুর্বেই যুক্তরাষ্ট্রের তালিকাভুক্ত জঙ্গী হিসেবে স্বিকৃতি পেয়েছে ছাত্র শিবির।এখন সেই তালিকায় যুক্ত হলো তথাকথিত জাতিয়তাবাদের সৈনিক ছাত্র দলও।অবশ্য তারেক জিয়ার এক মায়ের পেটের ভাইয়ের মধ্যে যে মিল থকবে সেটাই স্বাভাবিক।কিন্তু এই জঙ্গীবাদের কালিমার জন্য প্রতিটি নিরিহ বাঙ্গালীকে মাশুল গুনতে হবে অপরিসীম।একটানা ৯৫দিন সাধারণ মানুষকে পুড়িয়ে এই অর্জন আজকের ছাগিয়তাবাদিদের।এতে যে তাদের কোন সমস্যা নেই সেটা আমরা জানি।কারন তাদের প্রিয় মাতৃভুমি অপ-পাকিস্তানের পদাংক অনুসরন তারা ৭১সাল থেকেই করে আসছে।যা আজো অব্যাহত আছে।
জামাত /বিএনপির গভীর প্রেম ৭৫-এর পর থেকেই চলছে ।যা আজো সেই প্রথম দিনের মত চির সবুজ আছে।মাঝখানে জাস্টিফাই করার জন্য বার বার ৯৬ সালের আওয়ামি লীগ ও জামাতের দোহাই দিয়ে থাকে।এর সূচনা নাকি আওয়ামি লীগ শুরু করেছে বলেই বিএনপি সেই পথ অনুসরণ করছে শুধু।তাদের সেই কিন্তু ,যদি তবের প্রেম তর তড়িয়ে বেড়েই চলেছে।যে জামাত শহ সকল যুদ্ধাপরাধী দলের রাজনীতি করার কোন অধিকারই ছিলোনা।তাদেরকে পুনরুজ্জিবিত করার একমাত্র দাবিদার বিএনপি।গো.আজমকে এই দেশে ফিরিয়ে এনে নাগরিকত্ব ফিরিয়ে দেওয়া থেকে হেনো কোন সহযোগিতা নেই যা করেনি ।জিয়াউর রহমান দল করেছিলো রাজাকার পুনর্বাসনের জন্যই তাই শুরু হয়েছিলো শাহ আজিজ নামক বরাহ শাবককে প্রধানমন্ত্রী করে।খালেদা জিয়াতো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে নিয়োগ করেছিলো আঃ রহমান বিশ্বাস নামক শান্তিবাহিনির চ্যায়ারম্যানকে।এবং চমকের পর চমক দিয়ে সর্বশেষ সংযোজন হলো মইত্যা ও মুজা বরাহ শাবকদ্বয়।
বাংলাদেশের এমন কোন বিভাগ নেই যেখানে জামাত/শিবির রোপন করেনি তথাকথিত ছাগিয়তাবাদিরা।আর এর ফলশ্রুতিতে আজ সমগ্র বিশ্বে আমরা হোচ্ছি নিগ্রিহিত।নিত্য নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হইতেছি আমরা।দূর্ণিতিতে চ্যাম্পিয়নের পর এখন জঙ্গীদের দেশ হিসেবেও পরিচিতি অর্জনের পথে এগিয়ে চলেছি।বিএনপি জামাতের গাটছড়া জনম জনমের/এর দ্বায় নাকি আওয়ামি লীগের ।কারন আওয়ামি লীগ কেনো জামাতকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করছেনা।তাহোলেইতো বিএনপির আর জামাতকে ছাড়ার প্রশ্ন উঠবেনা।তার মানে যত দোষ নন্দঘোষ।কিন্তু বিএনপি কি ভুলে গেছে জামাতের রাজনীতি বাংলাদেশে নিষিদ্ধই ছিলো।তাই আবারো নিষিদ্ধ করলে আবারো যে বিএনপি এই রাজাকারের দলটির ত্রানকর্তা রুপে আবির্ভুত হবেনা তার নিশ্চয়তা কি?
বিএনপি এমন একটি কুৎসিত ব্যাশ্যাদের রাজনৈতিক দল.।যারা হেনো কোন কাজ নেই যা করতে পিছপা হবে ক্ষমতার জন্য।যে দলের নেত্রি চিঠি দিয়ে বাংলাদেশ বিরোধী সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য অনুরোধ করে পরাশক্তিকে।বিদেশি পত্রিকায় নিবন্ধ লিখে নিজের দেশকে হেয় করার জন্য।সর্বোপরি প্রধানমন্ত্রীর পদে থেকে কালো টাকা সাদা করে।তার কি কোন অধিকার আছে এই দেশে রাজনীতি করার।তার মুখে কি গণতন্ত্রের কথা মানায়?
এখন বাংলাদেশের মানুষকে ভেবে দেখতে হবে তারা কি আবারো দেশকে পাকিস্তানের মত জাহান্নাম বানাতে এই অপশক্তিকে ফিরিয়ে আনতে চায় কিনা।নাকি অলায়কুম সালাম বলে চিরতরে বিদায় জানাবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:৫৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





