এবার ম্যাজিস্ট্রেটকে আটকে রেখে ঘুষ নিল পুলিশ
তিন সদস্য সাময়িক বরখাস্ত
++++++++++++++++
এবার এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তার বান্ধবীকে আটকে রেখে ইয়াবা সেবনকারী হিসেবে ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে ঘুষ নিয়েছে পুলিশ। এ অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানার তিন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার ও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের একজন এসআই, একজন এএসআই ও অপরজন কনস্টেবল। যখন পুলিশ সপ্তাহে ভাবমূর্তি উজ্জ্বলের জন্য পুরো বাহিনী সচেষ্ট, তার মধ্যেই এ অভিযোগ ও সাময়িক বরখাস্তের ঘটনা ঘটল।
এর আগে মোহাম্মদপুরে বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম রাব্বীকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর হুমকি দিয়ে ও দয়াগঞ্জে সিটি কর্পোরেশনের ক্লিনিং ইন্সপেক্টর বিকাশ চন্দ্র সাহাকে নির্যাতনের অভিযোগে মোহাম্মদপুর ও যাত্রাবাড়ী থানার কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহার করা হয়।
সাময়িক বরখাস্ত হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- এসআই আবদুর রউফ বাহাদুর, এএসআই মারুফ হোসেন ও কনস্টেবল গোলাম মোস্তফা। উত্তরা পশ্চিম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুর রাজ্জাক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আমরাও আপনাদের মতো শুনেছি। ঘুষ নেয়ার অভিযোগে আবদুর রউফ বাহাদুর, মারুফ হোসেন ও গোলাম মোস্তফাকে প্রত্যাহার করে উপ-পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয় এবং পরে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।
জানা গেছে, এক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তার বান্ধবীসহ শনিবার মধ্যরাতে উত্তরা পশ্চিম থানার অভিজাত ব্র“কলি রেস্টুরেন্ট থেকে বের হন। পথে তিন পুলিশ সদস্য তাদের আটক করে। পুলিশ সদস্যরা ওই ম্যাজিস্ট্রেটকে ইয়াবা ব্যবসায়ী বানানোর হুমকি দিয়ে আটকে রাখে এবং এক লাখ টাকা দাবি করে। ওই ম্যাজিস্ট্রেট পরিচয় দেননি। তিনি পরিচয় গোপন রেখে ৭৫ হাজার টাকা দিয়ে ভোরে ছাড়া পান। পরে তিনি উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনারের কাছে অভিযোগ জানান। সহকারী কমিশনার অভিযোগের তদন্ত করে সত্যতা পাওয়ার পর তিন পুলিশকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (ডিসি, মিডিয়া) মারুফ হোসেন সরদার জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে উত্তরা জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনারকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। প্রাথমিকভাবে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে।
-
উপরের সংবাদটি যুগান্তরের
~~~~~~~~~~~~~~~~~~
নিচের সংবাদটি ইত্তেফাকে প্রকাশিত-
মুক্তপণ আদায়ের অভিযোগে তিন পুলিশ সাময়িক বরখাস্ত
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~
রাজধানীর উত্তরায় এক তরুণ ব্যবসায়ীকে তার বান্ধবীসহ রাতভর আটকে রেখে আড়াই লাখ টাকা মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
গত রবিবার গভীর রাতে এ ঘটনার পর অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনার বিধান চন্দ্র ত্রিপুরা এসআই আব্দুর রউফ বাহাদুর, এএসআই ফারুক আহমেদ ও কনস্টেবল গোলাম মোস্তফাকে সাময়িক বরখাস্ত করেন।
ভুক্তভোগী তরুণ ব্যবসায়ী জানান, রবিবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি তার বান্ধবীকে বাসায় পৌঁছে দেয়ার জন্য সিএনজি অটোরিকশায় উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের একটি রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন। পথে টহল পুলিশ ওই সিএনজি অটোরিকশাটি তল্লাশি করে। স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ক না থাকার কারণে তাদেরকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নেয়। এরপর থেকে এসআই আব্দুর রউফ বাহাদুর তাদের অভিভাবকদের কাছে জানিয়ে দেয়ার জন্য হুমকি দেন। পরে তিনি বিষয়টি অভিভাবককে জানানোর জন্য অনুরোধ করে। এ অবস্থায় ঐ পুলিশ কর্মকর্তা তার বান্ধবীর বিরুদ্ধে পতিতাবৃত্তির অভিযোগ আনেন। তিনি তাদের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী আরো জানান, রাত ১২ টা থেকে ভোর পর্যন্ত তাদেরকে পুলিশের গাড়িতে বসিয়ে রেখে নানা ধরনের হুমকি দেয়া হয়। এক পর্যায়ে ভোরের দিকে তার এক বন্ধুর কাছে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান। ঐ বন্ধু আড়াই লাখ টাকা এনে পুলিশের কাছে দেয়ার পর তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
অন্যদিকে, ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী বিষয়টি নিয়ে পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপ-কমিশনারের কাছে অভিযোগ করেন। উপ-কমিশনার বিষয়টি তদন্ত করার পর প্রাথমিকভাবে তাদের তাদের সাময়িক বরখাস্ত করেন।
এ বিষয়ে উত্তরা পশ্চিম থানার ওসি অপারেশন মো. শাহ আলম বলেন, অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তবে সাময়িক বরখাস্তের ব্যাপারে এখন পর্যন্ত থানায় কোন লিখিত কাগজ আসেনি।
]দু'টো সংবাদ আমার বিশ্বাস একই ঘটণা নিয়ে।এখন বিবেচনা করে দেখুন আমরা আসলে কোথায় গিয়ে পৌছেছি।সামাজিক অবক্ষয়
কোথায় গিয়ে দাড়িয়েছে।আমরা কি অন্যায় ,অসততা,দুর্ণিতীকে উৎসাহিত করছিনা প্রকারান্তরে !!ম্যাজিস্ট্যাট/ব্যাবসায়ি/পুলিশ ও সাধারণ নাগরিক সব এক কাতারে চলে এসেছি।(মহিলা , জানিনা তিনি কোন কাতারে পড়বেন) ।
link-
link-
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৬ রাত ৩:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



