
পড়াশুনো, দাদার গার্জেনগিরি
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩০
ইতিমধ্যে আমরা স্কুলে ভর্তি হয়েছি। দাদা বিদ্যাসাগর স্কুলে। আমি আর দিদি সরস্বতী স্কুলে , আমার দুভাই আর মেজকাকার দুই ছেলে ভর্তি হল টাউন স্কুলে।
আমরা সব জ্যাঠতুতো খুড়তুতো ভাই বোনেরা সুর করে সকাল ৬টা থেকে ১০টা পর্য্যন্ত পড়াশুনা করতাম। প্রথম ঘরটা ছিল বেশ বড় । ঐ ঘরেই আমরা ছোটবড়...
- ৩টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৩৭বার পঠিত
ছোটকাকার বিয়ে
০৯ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৩
এইসময় ছোটকাকার বিয়ের জন্য মেয়ে দেখা শুরু হল। নানান জায়গায় ঠাকুমা পিসিমা দিদি আর আমি মেয়ে দেখতে যেতাম। কোন মেয়েই পছন্দ হচ্ছিল না। একবার টালিগঞ্জে আমরা একই দিনে দুটো মেয়ে দেখতে গেলাম। প্রথম যে মেয়েটাকে আমরা দেখতে গেলাম তাকে আমাদের কারোরই পছন্দ হল না। মেয়েটা যেমনি মোটা তেমনি কালো।
সেইদিনই...
- ৬টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৯৬বার পঠিত
ছেচল্লিশের দাঙ্গা
০৪ ঠা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৮
তখন ১৯৪৬। ইংরেজরা দেশ ছেড়ে যাওয়ার আগে হিন্দু মুসলমানের মধ্যে বিভেদ বাধিয়ে দিল। ধর্মের অজুহাতে মারামারি কাটাকাটি আমি নিজের চোখে দেখেছি সেই সময়ের কলকাতায়।
রাস্তায় বের হওয়া তখন সম্ভব ছিল না। প্রায় সময়ই কারফিউ জারি করা থাকত। সেপাইরা বন্দুক হাতে দাঁড়িয়ে থাকত রাস্তায়। একদিন বারান্দার খড়খড়ি ফাঁক করে দেখতে গিয়ে দেখি,...
- ১১টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৫৯বার পঠিত
শ্যামবাজারের বাসাবাড়ী
৩১ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:৪১
প্রথম প্রথম শ্যামবাজারের বাসা থেকে বাবা মাঝেমাঝে ঝিনেদার বাড়ীতে আসতেন। পরে আমরা সবাই ওখানে চলে যাই। ঝিনেদার বাড়ীতে রইলেন মেজকাকাবাবুরা।
আমাদের শ্যামবাজারের বাসাবাড়ীটা ছিল তিনতলা।শ্যামবাজার ট্রামডিপোর কাছেই। আমরা ভাড়া থাকতাম তিনতলায়।দোতলায় থাকতো এক দাদু ঠাকমা আর তাদের ছেলেমেয়েরা। আর একতলায় থাকতো এক ঘর হিন্দুস্তানী। আমাদের বাথরুম ছিল তিনতলায় কিন্তু সেখানে কলে...
- ৮টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১৫৫বার পঠিত
শুরুর গল্প
২৬ শে জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৩৪
আমার ঠাকুরদা মারা গেলে তাঁর চালু ব্যবসা দেখাশোনার অভাবে নষ্ট হয়ে গেল। ঠাকুমা ভাল সেলাই জানতেন। হাতে বানানো নানা জিনিস বিক্রী করে ঠাকুমা সংসার চালাতে লাগলেন। বাবা দৌলতপুর কলেজ থেকে সেই বছরই আই.এস.সি পাশ করলেন ফার্স্ট ডিভিশনে। কিন্তু পয়সার অভাব তাই পড়াশুনোর ওখানেই ইতি টানতে হল। ইতিমধ্যে মেয়েরা বিয়ের যোগ্য...
- ৫টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৮৯বার পঠিত
ভূতের ভয় আর বাঁশের সাঁকো
২৪ শে জুলাই, ২০০৮ রাত ১২:১০
মার বড় জ্যাঠামশাই এর দুই বিয়ে। প্রথম পক্ষের ছেলে আমাদের বড় মামা। বড় মামা ছিলেন ডাক্তার। তিনি মুঙ্গেরে থাকতেন। মামা ছিলেন খুব ভাল মানুষ। তিনি ছিলেন নিঃসন্তান। সেইজন্যেই বোধ হয় বড়মামা আমাদের খুব ভালবাসতেন।
মার জ্যাঠামশাই এর দ্বিতীয় পক্ষের এক ছেলে,এক মেয়ে।...
- ৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৯৪বার পঠিত
মামার বাড়ি
১৯ শে জুলাই, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৭
আমার মামার বাড়ী ছিল অজপাড়াগাঁয়ে নহাটার কাছে পলাশবেড়ে।
দাদু ছিলেন নড়াইলের জমিদার।দাদু নড়াইলে থাকতেন, মাঝে মাঝে দেশের বাড়ীতে আসতেন।আমার পলাশবেড়ে যেতে মোটেই ভালো লাগতো না।কেননা বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে যেতে হত।একবার মামার বাড়ী বেড়াতে গিয়েছিলাম।তখন শীতকাল।আমি ঘুরে ঘুরে বেড়াতাম,দেখতাম নমশূদ্রদের ঘরে পিঠে তৈরী হচ্ছে।কি তার গন্ধ!অবাক হয়ে দেখতাম কাঁচি পোড়া পিঠে খেজুর...
- ৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ৯৯বার পঠিত
ঝিনাইদহের বাড়ি
১৭ ই জুলাই, ২০০৮ সকাল ৮:৩৭
আমার জন্ম বাংলাদেশের ঝিনাইদহে।
শিয়ালদহ থেকে ট্রেনে যেতে হত।রানাঘাটে ট্রেন থামলে খুব মজা হত।ছোটকাকা আমাদের জন্য প্রচুর খাবার কিনে আনতেন।শালপাতার ঠোঙায় করে সিঙাড়া,নিম্কি ও রানাঘাটের পান্তুয়া খেতাম।তার যে একটা অপূর্ব গন্ধ ছিল আজকাল আর কোনো খাবারেই পাওয়া যায় না।তারপর ট্রেন ছেড়ে দিত।চুয়াডাঙ্গা আসলে নেমে যেতাম।ওখান থেকে পালেদের বাস চলত।সেই বাসে করে...
- ৪টি মন্তব্য
- বাকিটুকু পড়ুন
- ১১১বার পঠিত



