
ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টের গ্রেফতার আন্তর্জাতিক মহলে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। অপারেশনটির নাম ছিল ‘অপারেশন অ্যাবসলুট রিজলভ’, যা মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে সম্পন্ন হয়—এটি আধুনিক মার্কিন সামরিক কৌশলের দ্রুততম রেজিম চেঞ্জ হিসেবে ধরা হচ্ছে।
অভিযানের মূল ভিত্তি ছিল মাসব্যাপী নিখুঁত গোয়েন্দা প্রস্তুতি। সিআইএ মাদুরোর নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে সংযোগকারী কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার সহায়তায় তথ্য সংগ্রহ করেছিল। মাদুরোর রুটিন, গাড়ি, কম্পাউন্ডের লেআউট এবং নিরাপত্তা শিফটের বিস্তারিত তথ্য সরবরাহ করা হয়। NSA তার ফোন, ইমেইল ও এনক্রিপ্টেড অ্যাপ ইন্টারসেপ্ট করেছিল।
অভিযান শুরু হওয়ার আগে নিরাপত্তা বাহিনীকে বিভ্রান্ত করতে কলম্বিয়া সীমান্তে সামরিক মিশনের ভুয়া তথ্য ছড়ানো হয়। ১৫০টির বেশি বিমান ও রাডার জ্যাম, সাইবার আক্রমণ এবং বিশেষ বাহিনীর রাতের অভিযান মিলিয়ে মাদুরোকে কম্পাউন্ডে আটক করা হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভিযান দেখিয়েছে, আধুনিক যুদ্ধের জন্য শুধু উন্নত অস্ত্র নয়—দক্ষ জনবল, প্রশিক্ষণ, শক্তিশালী গোয়েন্দা ব্যবস্থা এবং সমন্বিত পরিকল্পনা অপরিহার্য। এর ফলে এটি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ও নৈতিক দিক থেকেও গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হিসেবে ধরা হচ্ছে।
বাংলাদেশের মতো দেশের জন্য এটি সতর্কবার্তা: প্রতিরক্ষা কৌশলে শুধু অস্ত্র নয়, গোয়েন্দা, প্রশিক্ষণ এবং জনগণের সমর্থন সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




