somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Challenge-1 পারলে উত্তর দেন।

০১ লা মার্চ, ২০১৩ সকাল ৯:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেক অনেক আগে দূরের কোন এক দেশের জনসাধারণের মধ্যে মানবদেহে বিষক্রিয়া সম্পর্কে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল। ধারণাটি ছিল এরকম যে, “কেউ যদি বিষপান করে বা অন্য কোনভাবে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়, তবে তার বাঁচার একমাত্র উপায় হচ্ছে যে বিষটি দ্বারা সে আক্রান্ত হয়েছে তার চেয়ে অধিক শক্তিশালী বা তীব্র একটি বিষ পান করা”। এধরণের কোন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে যাতে কোন বিপদে পড়তে না হয় তাই দেশটির রাজা অত্যন্ত শক্তিশালী একটি বিষ পেতে চাইলেন। এ উদ্দেশ্যে তিনি দেশের সবচেয়ে বড় ঔষধবিদ এবং সবচেয়ে বুদ্ধিমান ব্যাক্তি দুজনকে ডেকে প্রত্যেককে এক সপ্তাহের মধ্যে একটি শক্তিশালী বিষ তৈরির নির্দেশ দিলেন। এক সপ্তাহ পর দুজনেই নিজের তৈরি করা বিষ নিয়ে হাজির হবে এবং একজন অন্যজনের তৈরি করা বিষ পান করার পর নিজের বিষটুকু পান করবে। এক্ষেত্রে দুজনের মধ্যে যার বিষ বেশি শক্তিশালী হবে সে বেঁচে থাকবে এবং অন্যজন মারা যাবে।

ঔষধবিদটি কোন সময় নষ্ট না করে কাজে লেগে গেল এবং একটি শক্তিশালী বিষ তৈরির জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে লাগল। কিন্তু বুদ্ধিমান লোকটি প্রথমেই বুঝে গেল সে যদি বিষ তৈরি করে এবং সেই বিষ নিয়ে হাজির হয় তবে তার বাঁচার কোন সম্ভাবনা নেই। কারণ, ঔষধবিদটি বিষ তৈরিতে তার চেয়ে অনেক বেশি পারদর্শী এবং ঔষধবিদের তৈরি করা বিষটি নিঃসন্দেহে সবচেয়ে শক্তিশালী হবে। তাই সে একটি প্ল্যান তৈরি করল যাতে সে বেঁচে থাকতে পারে এবং ঔষধবিদটি মৃত্যুবরণ করে।

কিন্তু ঔষধবিদটিও কম চালাক নয়। শেষ দিনে সে হঠাৎ করে উপলব্ধি করল যে, তার প্রতিদ্বন্দী যেহেতু দেশের সবচেয়ে বুদ্ধিমান ব্যাক্তি তাই সে এতক্ষণে এটা অবশ্যই বুঝে গেছে যে, ঔষধবিদের বিষটিই সবচেয়ে শক্তিশালী হবে এবং বেঁচে থাকার জন্য সে নিশ্চয়ই একটি প্ল্যান তৈরি করেছে। কিছুক্ষণ চিন্তা করার পর সে বুদ্ধিমান লোকটির প্ল্যান বুঝতে পারল এবং সেও একটি প্ল্যান তৈরি করল।

নির্দিষ্ট সময়ে রাজা তাদের দুজনকে ডেকে বিষ পান করতে বললেন। দুজনেই পুরোপুরি প্রস্তুতি সহকারে এসেছিল। তাই রাজার নির্দেশ পাওয়া মাত্র তারা তা পালন করল। কিছুক্ষণের মধ্যেই বুদ্ধিমান লোকটি মারা গেল তবে ঔষধবিদটি বেঁচে থাকল। অন্যদিকে রাজার উদ্দেশ্যও ব্যর্থ হল।

আপনাদের কাজ হচ্ছে, কার কী প্ল্যান ছিল এবং সেখানে আসলে কী ঘটেছিল সেই রহস্যের সমাধান করা।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০১৩ সকাল ১০:১৬
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চারদিকে অদ্ভুত নীরবতা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪০



নিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ধেয়ে চলেছি।
ঊর্ধ্বলোক আর নিম্নের অতল অন্ধকার কোন জায়গায়,
সে নিয়ে আর চিন্তা কি!

প্রিয়ার আহবানে আমরা কতো কিছুই না করি!
এবারে প্রিয়ার আহবানে দিক-শূন্যই নাহয় হলাম!... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাদিক হাসনাতের প্রোগামে রাজাকার মঈনুদ্দীন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



এই ছবিটি লন্ডনে অনুষ্ঠিত হওয়া নিজেস্ব অর্থায়নে সাদিক হাসনাতের প্রোগামের। অসংখ্য আঙ্কেল আন্টিদের মাঝে একজন বিশেশ লোককে দেখা গেল সেখানে। লোকটাকে চিহ্নিত করে দেওয়া হয়েছে ছবিতে। এই লোকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি দিতে এসেছি শ্রাবণের গান

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৬ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:০৫



'এই জল ভালো লাগে; বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসে
ধুয়েছে আমার দেহ- বুলায়ে দিয়েছে চুল-চোখের উপরে
তার শান-স্নিগ্ধ হাত রেখে কত খেলিয়াছে, আবেগের ভরে
ঠোঁটে এসে চুমো দিয়ে চলে গেছে কুমারীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×