হ্যাঁ পাঠক, শিরোনামে যে দেখেছেন সম্পূর্ণ সত্য। বিটিভি স্বাধীনতার পর থেকে সবাই বিভিন্ন নামে ডাকে সরকারী প্রচারপত্র সংবাদে পাঠ করার জন্য। এরপরও বিটিভির একটা নিজস্ব মানদন্ড ছিল, বাঘা বাঘা নাট্যকাররাও ভয়ে থাকত মানের বিষয়ে। প্যাকেজের যুগে শয়ে শয়ে টিভি চ্যানেল টাকা দিয়ে মুড়িওয়ালা, ঠোঙ্গাওয়ালা সবাইকে এনেছে সব অনুষ্ঠানে।
এই দেশে একজন তথ্যমন্ত্রী আছেন, যাকে নিয়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই মাঝে মাঝে রসিকতা করেন। করবেন না কেন, পঁচন ধরা বামদের নিয়ে কে না হাসে? সেই মন্ত্রী সারাটা বছর এফডিসির টাকাওয়ালাদের মারামারি উপভোগ করলেন পপকর্ন সহযোগে। আজকে তিনি বিশাল তথ্য দিলেন সংবাদ সম্মেলনে ‘নারীরা তাঁদের মেধা, সৌন্দর্য, মনন এবং পোশাক-পরিচ্ছদের মধ্য দিয়ে একটা দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। সুতরাং সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় আমাদের অংশগ্রহণে কোনো অসুবিধা নেই।’
খুবই সঠিক। ঠিক যেন ভর দুপুরে জাইঙ্গা ছাড়া লুঙ্গি পড়ে গাছে উঠা। সুর্য মাথার উপরে কাজেই কেউ দেখতে পারবে না। ঘরে ঘরে ভারতীয় চ্যানেলগুলোর দৌড়াত্ম্য রোধে কোন পদক্ষেপ নেই। যৌথ প্রযোজনার নামে পশ্চিমবঙ্গের চলচিত্র পুনর্বাসন চলছে কয়েক বছর হয়, সেটাকে ডুগডুগি বাজিয়ে দুই দেশের সম্প্রীতির বহিঃপ্রকাশ বলে চালান হয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ৯:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




