somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গণজাগরণ মঞ্চে গ্রুপিং কেন? পর্ব-৩

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৪ রাত ৮:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিচ্ছিন্নতা: শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ সবসময়ই ছিল। বিশেষ করে চারুকলার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ধরণের চিত্রাঙ্কণ করে শাহবাগের শ্রী বৃদ্ধিতে সহায়ক হয়েছিল। গত বছরের জুন পর্যন্ত ছাত্র সংগঠনগুলো ও বোয়ানের সঙ্গে যখন সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে, তখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষার্থী আসতো। কিন্তু ১২ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পর্কে জনৈক কাওসার আহমেদের একটি ‘অবমাননাকর’ পোস্ট বোয়ানের ফেসবুক পেজ থেকে শেয়ার করা হয়। এতে করে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। যে কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আর ওই পথ মাড়ান না।
সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোও আর নেই: গণজাগরণ মঞ্চের শুরু থেকে অন্তত ২০৫ টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন এতে যোগ দেয়। একমাত্র উদীচী ছাড়া আর কোনো সংগঠন এখন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মসূচিতে যোগ দেন না। এসব সংগঠনের মধ্যে প্রথম বিরোধ হয় ‘তীরন্দাজের’ সঙ্গে। ইমরান এইচ সরকারের সন্দেহপ্রবণতায় ‘তীরন্দাজকে’ দূরে ঠেলে দেওয়া হয়। একে একে দূরে সরে যায় মুভিয়ানা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, ফাঁসির মঞ্চ— এসব সংগঠন।
মঞ্চের সঙ্গে নেই আলোচিত রুমি স্কোয়াডও। যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চের পাশাপাশি আলাদা কর্মসূচি পালন করতে থাকে রুমি স্কোয়াড। মঞ্চের কর্মীরা পৃথকভাবে গঠন করেন ‘গৌরব ’৭১’। ২ আগস্ট শাহবাগে এই সংগঠন ‘গণজাগরণ মঞ্চ’ নামে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে। সেদিন প্রথম ইমরান এইচ সরকার সাংবাদিকদের বলেন, ওরা গণজাগরণ মঞ্চের সঙ্গে জড়িত নয়।
উদীচীর সঙ্গীতা ইমামের নেতৃত্ব মেনে নিতে না পেরে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটসহ নেতারা চলে যান মঞ্চ ছেড়ে।
একচ্ছত্র ইমরান: ছাত্রলীগ একটি বড় রকমের ভূমিকা রাখতো সংগঠনগুলোর বৈঠকে। তারা চলে যাওয়ার পর একে তো নিয়মিত বৈঠক হয় নি, যেদিন হয়েছে সেখানে ইমরান এইচ সরকার সিদ্ধান্ত নিতেন। ইতোমধ্যে ছাত্রসংগঠনগুলো ছাড়াই নিজের একটি আলাদা বলয় গড়ে তোলেন ইমরান। তাদের শূন্যতার জায়গা পূরণ করতে এনজিও নেতৃবৃন্দকে তাঁর আশপাশে নেন তিনি। (খুশি কবির, নিজেরা করি, শিপ্রা বোস)। এতে করে যে বাম ছাত্রসংগঠনগুলো ইমরানের সঙ্গে ছিল তারাও বিরোধিতা করে।
গণজাগরণ মঞ্চের মূল সংগঠকদের মাহমুদুল হক মুন্সী, শামস রশীদ, নবেন্দু সাহা ছাড়া আর কেউ নেই।

গণজাগরণ মঞ্চের গ্রুপিং কেন? পর্ব-১
গণজাগরণ মঞ্চে গ্রুপিং কেন? পর্ব-২
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝাল্লাগে ভাল্লাগে- ২

লিখেছেন শেরজা তপন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৯


"যে-রাঁধুনী জানে তার তরকারিতে স্বাদ হয়নি, সে নিমেষে লঙ্কার কৌটো উপুড় করে দেবে। তারপর অতিথি যখন কান দিয়ে ধোঁয়া ছেড়ে হাঁউমাউ করবে, রাঁধুনী তখন মিটিমিটি হেসে বলবে—‘একটু ঝাল বেশি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×