আমি অনেক দিন যাবত মধ্যপ্রাচে বাস করি। এখানে দেখেছি তারা জীবনে যতই পাপ করুক না কেন, তাদের জীবনে শিরকের উপস্থিতি অনেক খুবই কম। যেমন কবর যিয়ারত প্রসঙ্গে বলি, আমি তাদের কে কখোনো দেখিনি কবর স্থানে গিয়ে মোমবাতি, আগরবাতি জ্বালাতে, দাড়িয়ে দাড়িয়ে দরুদ পড়তে কিংবা কুরআন তিলাওয়াত করতে।
এ প্রসঙ্গে বিস্তারিত কিছু ধারনা দেই:----
আল্লাহর রাসুল (সা
আচ্ছালামু আলাইকুম আহলাদ্দিয়ারি মিনাল মুসলিমীনা ওয়াল মু'মিনীন, ওয়া ইন্না ইনশা আল্লাহু বিকুম লাহিকুন, আনতুম লানা সালাফুন, ওয়ানাহনু বিল আছার। আসআলুল্লাহা লানা ওয়ালাকুমুল আফিয়াহ।
অর্থ: হে মুসলিম-মুমিন কবরবাসী! আপনাদের প্রতি শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহ চাহেতো আমরা আপনাদের সঙ্গে অচিরেই মিলিত হবো। আপনারা আমাদের পূর্বসূরী, আমরা আপনাদের অনুসরন করবো। আমি আল্লাহর নিকট আমাদের ও আপনাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
( ফতোয়া আব্দুল্লাহ বিন জিবরীন নং ৬৪৭৫)
কবর যিয়ারতের আদাবসমূহ:
১. উপরে বর্নিত সালাম দিবে।
২. কবর যিয়ারতের করতে গিয়ে বসা উচিৎ নয়। কেননা রাসূল (সা
( মুসলিম আবু হুরায়রা থেকে)
৩. কবরে জুতা খুলে প্রবেশ করা। এগুলো ছাড়া বিদআতী কর্মকান্ড পরিত্যাগ করে চলতে হবে।
৪. রাসূল (সা
উল্লেখিত হাদীস থেকে প্রমান হয় যে, কবরস্থান কুরআন তেলাওয়াতের স্থান নয়, কুরআন তেলাওয়াতের স্থান বাড়ি। রাসূল (সা
৫. কবরে বা মাজারে পুষ্পমাল্য বা ফুল অর্পন করা যাবে না। এ আমল রাসূল ( সা
৬. কবরে নির্মান কার্য করা নিষেধ। ( মুসলিম)
৭. মৃত ব্যক্তির নিকট দু'আ চাওয়া ও তাদের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করা থেকে বিরত থাকুন। মৃতরা সামর্থহীন, বরং এক আল্লাহকে ডাকুন, তিনি সর্ব শক্তিমান ও দু'আ কবুল করেন। উপরন্তু মৃত ব্যক্তির নিকট কিছু প্রার্থনা করা শিরকে আকবরের অন্তর্ভুক্ত।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

